খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামে করোনার নমুনা পরীক্ষার অপ্রতুলতায় সুজনের উদ্বেগ প্রকাশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 15 May, 2020, 8:18 pm
চট্টগ্রামে করোনার নমুনা পরীক্ষার অপ্রতুলতায় সুজনের উদ্বেগ প্রকাশ

খোরশেদ আলম সুজন

দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী খ্যাত চট্টগ্রামে করোনা নমুনা পরীক্ষার অপ্রতুলতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ শুক্রবার (১৫ মে) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন, দেশের আমদানি রপ্তানির স্বর্ণদ্বার বন্দর, সিইপিজেড, কেইপিজেড, বিভিন্ন ব্যবসা বানিজ্য কেন্দ্র, ছোট বড় ভারী এবং হালকাশিল্প খ্যাত চট্টগ্রাম নগরীতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিল্প কলকারখানা খুলে দেওয়ার ফলে এ সংক্রমণ বেড়েই চলছে। অন্যদিকে শিল্প প্রতিষ্টানগুলোও সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিষ্টান পরিচালনা করছেন না। এতে করে চট্টগ্রাম নগরী এবং জেলায়ও এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়ছে।

তিনি বলেন,করোনাভাইরাসের দ্রুতগতির সংক্রমণ ব্যবস্থার বিপরীতে চিকিৎসাসেবার সুযোগ এখানে একেবারেই অপ্রতুল। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও বেশি বেশি নমুনা পরীক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করছেন।

উল্লেখ্য যে চট্টগ্রামে প্রতিদিন যে হারে করোনা উপসর্গের রোগী বাড়ছে সে তুলনায় নমুনা পরীক্ষার ব্যবস্থা নাই। নমুনা পরীক্ষা করতে গেলে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে কিন্তু তারপরও নমুনা পরীক্ষা করা হবে কিনা তারও কোন নিশ্চয়তা নেই। নমুনা সংগ্রহ করার বিপরীতে পরীক্ষা এবং রিপোর্ট পাওয়ার দীর্ঘসুত্রতা বাড়ছে। এতে করে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে। এছাড়া দেখা যাচ্ছে যে উপসর্গ প্রকাশ পাওয়া রোগীর নমুনা সংগ্রহ করতে ফোন করা হলেও নির্ধারিত টিমের সাড়া মিলছে না। করোনা বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে নমুনা পরীক্ষার মেশিনের ক্ষমতা সীমিত হওয়ায় নমুনা সংগ্রহ ও রিপোর্ট পেতে বিলম্ব হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন রোগী এবং তার স্বজনরা। আবার অনেকে নমুনা পরীক্ষা করতে দিয়ে দৈনন্দিন স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। হোম আইসোলেশনে থাকতে বলা হলেও অনেকে এক্ষেত্রে বড়োই উদাসীন। এর ফলে নতুন নতুন রোগী আক্রান্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন,আমরা চট্টগ্রামবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলাম বেসরকারি হাসপাতাল মালিকরা হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালকে করোনা চিকিৎসায় বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে তৈরী করবেন। ইতিমধ্যে তারা ঘোষণাও দিয়েছিলেন ২৫ এপ্রিল এর আনুষ্টানিকতা শুরু হবে কিন্তু এখনো সেই হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় চট্টগ্রামে করোনা চিকিৎসায় নানা সংকট বেড়েই চলছে। এতে করে জনমনে উদ্বেগ উৎকন্ঠা বাড়ছে।

সুজন বলেন,ইতিপূর্বে ঢাকার তিনটি বেসরকারি হাসপাতালকে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) রোগী শনাক্তের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। যেখানে ফি দিয়ে নমুনা পরীক্ষা করাতে পারবেন রোগীরা। আমরা চাই চট্টগ্রামের বেসরকারি হাসপাতাল মালিকরাও সেরকম একটি উদ্যোগ গ্রহণ করে স্বাস্থ্য সেবায় প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখুক। আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি অনিবার্য অংশ হচ্ছে বেসরকারি হাসপাতালগুলো। আমাদের জনগনের যেমন তাদের প্রতি দায়িত্ব রয়েছে ঠিক তেমনি বেসরকারি হাসপাতালগুলোরও জনগনের প্রতি সীমাহীন দায়িত থাকা অত্যাবশ্যক। অন্তত সবকটি হাসপাতালে সম্ভব না হলেও আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে করোনার নমুনা পরীক্ষা করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। মানুষের স্বাস্থ্যসেবার চরম দুঃসহ এ অবস্থায় ত্রাণকর্তার ভূমিকা গ্রহণ করার জন্য বেসরকারি হাসপাতালের মালিকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানান তিনি।

এছাড়া আমরা জানতে পেরেছি যে বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে পিসিআর মেশিন থাকলেও করোনা পরীক্ষার জন্য উপযুক্ত ল্যাব কিংবা প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নেই। প্রয়োজন ক্ষেত্রে ব্যাংকের আনুকূল্যে জরুরি ভিত্তিতে এসব চিকিৎসা সরঞ্জাম আমদানি করার অনুমতি প্রদান করার জন্য সরকারের নিকট বিনীত অনুরোধ জানান সুজন।

তিনি যেসব শপিংমল, মার্কেট এবং বাজার সরকারি নির্দেশনা না মেনে ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা করছেন সেসব প্রতিষ্টান বন্ধ করে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি বিশেষ আবেদন জানান।

২৪ ঘন্টা/এম আর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।