খুঁজুন
শুক্রবার, ১৩ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা সমস্যা এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে: শেখ হাসিনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ২:২৪ পূর্বাহ্ণ
রোহিঙ্গা সমস্যা এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে: শেখ হাসিনা

-4

রোহিঙ্গা সমস্যা এখন আর বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, এটি এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনটি মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

জাতিসংঘের ৭৪ তম সাধারণ পরিষদের ভাষণে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই সমস্যা এখন আর বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। বাংলাদেশের সকল প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বিষয়টি এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপরন্তু ক্রমবর্ধমান স্থান সংকট এবং পরিবেশগত অবক্ষয়ের কারণে এই এলাকার পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে।’

বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোর ৪টা ২৮ মিনিটে বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যা প্রলম্বিত হয়ে তৃতীয় বছরে পদার্পণ করেছে। কিন্তু মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে সুরক্ষা, নিরাপত্তা ও চলাফেরার স্বাধীনতা এবং সামগ্রিকভাবে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ায় এখন পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গাও মিয়ানমারে ফিরে যায়নি। আমি অনুরোধ করব এই সমস্যার, অনিশ্চয়তার বিষয়টি যেন সকলে অনুধাবন করেন।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণে বলেন, ‘আমরা এমন একটি সমস্যার বোঝা বহন করে চলেছি যা মিয়ানমারের তৈরি। এটি সম্পূর্ণভাবে মিয়ানমার এবং তার নিজস্ব নাগরিক রোহিঙ্গাদের মধ্যকার একটি সমস্যা। তাদের নিজেদেরই এর সমাধান করতে হবে। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সুরক্ষিত ও সম্মানের সঙ্গে স্বেচ্ছায় রাখাইনে নিজ গৃহে যাওয়ার মাধ্যমেই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সম্পন্ন করতে মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের আলাপ-আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৪টি প্রস্তাব উত্থাপন করে বলেন, ‘আমি এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭২ তম অধিবেশনে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ সমূহের পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং রাখাইন প্রদেশে বেসামরিক তত্ত্বাবধানে সুরক্ষা বলয় প্রতিষ্ঠাসহ পাঁচ দফা প্রস্তাব পেশ করেছিলাম। আজ আমি কিছু প্রস্তাব আবার পেশ করছি।’

এক. রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসন ও আত্মীকরণে মিয়ানমারকে রাজনৈতিক স্বদিচ্ছার পূর্ণ প্রতিফলন দেখাতে হবে।

দুই. বৈষম্যমূলক আইন ও রীতি বিলুপ করে মিয়ানমারের প্রতি রোহিঙ্গাদের আস্থা তৈরি করতে হবে এবং রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের উত্তর রাখাইন সফরের আয়োজন করতে হবে।

তিন. আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় হতে বেসামরিক পর্যবেক্ষক মোতায়েনের মাধ্যমে মিয়ানমার কর্তৃক রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তার ও সুরক্ষার নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে।

চার. আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অবশ্যই রোহিঙ্গা সমস্যার মূল কারণ সমূহ বিবেচনায় আনতে হবে এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অন্যান্য নৃশংসতার দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জাতিসংঘ মহাসচিব কর্তৃক বিশেষত জাতিসংঘ উন্নয়ন ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে গৃহীত সংস্কার উদ্যোগগুলোকে সাধুবাদ জানাই। আশা করছি নতুন প্রজন্মের জাতিসংঘ কান্ট্রি টিম এবং নতুনরূপে সজ্জিত জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারী ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতিসংঘ স্বাগতিক রাষ্ট্রের জাতীয় অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সংশ্লিষ্ট দেশের উন্নয়ন ও শান্তি প্রক্রিয়ায় আরও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারবে।

এর আগে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান না হওয়ায় শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এটি বাস্তবিক পক্ষেই দুঃখজনক যে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান না হওয়ায় আজ এই মহান সভায় এই বিষয়টি আমাকে পুনরায় উত্থাপন করতে হচ্ছে। ১১ লাখ রোহিঙ্গা আমাদের আশ্রয়ে রয়েছে। হত্যা-নির্যাতনের মুখে তারা মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়েছে।’

Feb2

তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির জোরালো বিজয়ের পর দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি তারেক রহমানের প্রতি উষ্ণ অভিনন্দন জানান এবং বিএনপিকে বিজয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণকে সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য অভিনন্দন জানান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

বার্তায় শাহবাজ শরিফ বলেন, তিনি বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছেন, যাতে দুই দেশের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃপ্রতিম বহুমাত্রিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করা যায়। পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়া ও এর বাইরেও শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের যৌথ লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

তার এই বার্তা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে, প্রায় একই সময় দেওয়া পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির অভিনন্দন বার্তাটিতেও সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যাশা করা হয়েছে।

আনন্দ মিছিল নয়, দেশব্যাপী দোয়া কর্মসূচি বিএনপির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ
আনন্দ মিছিল নয়, দেশব্যাপী দোয়া কর্মসূচি বিএনপির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক আসনে নিজেদের বিজয় দাবি করে দেশব্যাপী দোয়া কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাঠানো দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শুক্রবার বাদ জুম’আ ঢাকাসহ সারাদেশের মসজিদে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং দেশবাসীর কল্যাণ কামনা করা হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নির্বাচনে বিজয় উপলক্ষে বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো আনন্দ মিছিল বা সভা করা হবে না।

দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণকে দেশব্যাপী আয়োজিত দোয়া কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া সারাদেশের মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপাসনালয়ে নিজ নিজ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষদের সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিএনপি ও তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ
বিএনপি ও তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানালেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট

উত্সবমূখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। ফলে আসন্ন সংসদে বিরোধী দল হতে যাচ্ছে জামায়াত-এনসিপি জোট। বিএনপি-নেতৃত্বাধীন জোট ৩০০ আসনের জাতীয় সংসদে ২১৩টি আসন জিতে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। 

এনিয়ে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

জারদারি বলেন, পাকিস্তান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করে এবং বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ে সহযোগিতা জোরদার করার জন্য ইসলামাবাদ নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার জন্য উন্মুখ।

পাক প্রেসিডেন্ট আরও বলেছেন, আমি আশা করি ঢাকার নতুন রাজনৈতিক পরিবেশ এই অঞ্চলজুড়ে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ, স্বাধীন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাশীল সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে।

এর আগে এই নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য বিএনপি ও তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭ টা ৪৮ মিনিটে দূতাবাসে ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়।

ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ‘একটি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। বিএনপি এবং তারেক রহমানকে তাদের ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা।’

ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, ‘আমাদের দুই দেশের সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে আপনাদের সাথে কাজ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী।’