খুঁজুন
, ,

সামাজিক সংগঠন “আলোর আশা ফাউন্ডেশন”র ২য় বর্ষপূর্তি উদযাপন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 15 November, 2019, 11:32 pm
সামাজিক সংগঠন “আলোর আশা ফাউন্ডেশন”র ২য় বর্ষপূর্তি উদযাপন

চট্টগ্রাম শহরের সামাজিক সংগঠন আলোর আশা ফাউন্ডেশন আজ দু বছর যাবৎ সমাজের অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।

শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন অডিটোরিয়ামে দুপুর ৩টা থেকে ৭টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় সংগঠনের ২য় বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের সকল দাতা, শুভাকাঙ্ক্ষী, উপদেষ্ঠামন্ডলী, কার্যকরী সদস্য, সাধারন সদস্য ও সংগঠন দ্বারা পরিচালিত সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিদ্যাপীঠ School of Humanity & Animation সোহা স্কুলের ৭০ জন শিশু উপস্থিত ছিল।

প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা : মোহাম্মদ সরফরাজ খান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব উন্নয়ন অফিসার জনাব মোহাম্মদ জাহান উদ্দিন, প্রাইমারী চিকিৎসক সোসাইটির চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম, আলহাজ্ব শামসুল হক্ব ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, এম/এস. কে. এম. এন্টারপ্রাইজ এর চেয়ারম্যান ওবাইদুল হক কানন, রোটারিয়ান জনাব ফোরকান আহমেদ,অ্যাডভোকেট জিয়াউল কবির সোহেল সহ আরো অনেকে।

শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি শামসুল আলম খান মুরাদ ও সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম শরিফ, তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং তাদের বক্তব্যে সংগঠনের প্রতি ও সোহা শিশুদের প্রতি সবাইকে আরো বেশি যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

এরপর উপস্থিত অতিথিগণ তাদের বক্তব্যে সংগঠনটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন এবং সবসময় সংগঠনটির পাশের থাকার আশ্বাস দেন এছাড়াও সমাজের বৃত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।

আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শেষে সামাজিক ও মানবিক কাজে বিশেষ অবদানের জন্য আলোর আশা ফাউন্ডেশনের ১৫ জন সদস্য ও চট্টগ্রামের জনপ্রিয় ১৭ টি সংগঠনকে সম্মাননা স্মারক দেয়া হয়।

সংগঠন থেকে আজীবন সদস্য সম্মাননা স্মারক দেয়া হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ মোহাম্মদ সরফরাজ খান ও সৈয়দা নাজমা উল হোসনাকে।

দৃষ্টিনন্দন এই আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সাদিয়া শ্যামা ও সোহা শিক্ষার্থী সায়নুর আক্তার এর সঞ্চালনায় সোহাস্কুলের শিশুদের উপস্থিত বক্তৃতা, গান, ছড়া,নৃত্য প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠান।

তাসনীম আনজুম নওরীন এর সহযোগিতায় ১ম শ্রেনির বাচ্চাদের নতুন বই ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয় ।

অনুষ্ঠানটি সফল হতে সহযোগীতা করেন কে এস ক্যাটারিং হাইার, আর্ট এক্সপোজার, ফ্লোরা বিউটি পার্লার, কিচেন কুইন, দ্য শ্যুটার ফটোগ্রাফি

এছাড়াও অনুষ্ঠান চলাকালিন সময়ে ক্যাডেট ফোরাম চিটাগং এর পক্ষ থেকে সোহা স্কুলের সকল শিশুর বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে আলোর আশা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আনোয়ার এলাহি ফয়সাল বলেন, “আমি উদ্যোগ গ্রহণ করেছি সমাজের এই অসহায় শিশুদের জীবন পরিবর্তনের জন্য সহযোগিতায় পাশে এগিয়ে এসেছেন আপনারা। যারা আমাদেরকে সব সময় সহযোগিতা করছেন সকলের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি । তবে আজ হতে আমাদের সকলকে এই বাচ্চাদের জীবন পরিবর্তনের জন্য নতুন করে ভাবতে হবে। ভাবতে হবে ওদের জীবনের নিরাপত্তা ও মৌলিক চাহিদার বিষয়গুলো। ওরাও হতে পারে এদেশের আদর্শ নাগরিক তার জন্য প্রয়োজন একজন অভিভাবক। মাসিক হাত খরচের ৮৫৫ টাকা যদি আমরা এই শিশুদের ভবিষ্যতের জন্য সঠিকভাবে বিনিয়োগ করি তাহলেই তারা ভিক্ষা থেকে মুক্ত হয়ে শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবে।

আমরা অঙ্গিকার করছি সকল এতিম অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মৌলিক অধিকারপূরণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ,।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।