খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুব উন্নয়নের নিবন্ধন পেয়েছে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
যুব উন্নয়নের নিবন্ধন পেয়েছে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন

চট্টগ্রামের জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন গত রবিবার (২২ ডিসেম্বর) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর হতে নিবন্ধিত হয় যার নিবন্ধন নং ৫১/১৯।

চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ইউনিট অফিসার মোঃ জাহান উদ্দীন আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুহাম্মদ আনোয়ার এলাহি ফয়সালের হাতে নিবন্ধন পত্র তুলে দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন – রূপান্তর প্রজেক্ট এর প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ শফিউল বশর ও আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন এর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান।

আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন স্থাপিত হয় ২০১৭ সালে। সংগঠনের মূলনীতি মানবতা, সুশিক্ষা ও সচেতনতা এই নীতির পেক্ষিতে গত দুই বছর যাবৎ সংগঠনটি সমাজের অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে চট্টগ্রাম, ফেনী, রাজশাহীসহ একাধিক জেলা উপজেলায়।বিভিন্ন বিভাগে প্রতিষ্ঠা করেছে সমাজের অসহায় শিশুদের জন্য অবৈতনিক স্কুল যার স্কুল অব হিউম্যানিটি এন্ড এ্যানিমেশন সোহা। সংগঠনের অন্যান্য কার্যক্রম সমূহের মধ্যে রয়েছে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা। পথ শিশুদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে মেয়ে শিশু গুলিকে শিক্ষার অধীনে নিয়ে আসা। ভিক্ষা নয়, শিক্ষা চাই এই স্লোগানে তাদেরকে ভবিষৎ স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। দুস্থ ও অসহায় মানুষদের সহযোগীতা করা।এতিমদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা ও তাদের মাঝে খাদ্য ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ।সেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি করা।বই আকারে রক্তের গ্রুপ সংরক্ষণ করা।গরীব ছাত্র ছাত্রীদের মেধা বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে পড়া শুনাতে উৎসাহিত করা।স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করণ ও গরীবদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেয়া।কোন ছিন্নমূল মানুষ মারা গেলে তার দাফন এর ব্যবস্থা করা।নারী নির্যাতন, যৌতুক,বাল্য বিবাহ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচী।কোন সদস্যের মৃত্যুতে তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো।অসহায় মানুষদের মাঝে খাবার বিতরণ।বিভিন্ন জাতীয় দিবসে আলোচনা সভা ও র‌্যালী করা। রমজান মাসে গরীবদের ইফতার সামগ্রী বিতরণ ও রমজানের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা ।

সাধারণ মানুষের মধ্যে পাঠভ্যাস গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে সকলের সহযোগীতায় পাঠাগার স্থাপন , দেশ-বিদেশী পুস্তক সংগ্রহ ও সরবরাহ এবং তা পরিচালনা করা। প্রয়োজনে স্বল্প খরচে বই প্রকাশ করতে সহযোগীতা করা।বেকারত্ব দূরীকরণের জন্য আর্থিক সহযোগীতার মাধ্যমে শর্ত সাপেক্ষে উদ্দোক্তা তৈরী করা।বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে গরীবদের উপহার সামগ্রী বিতরণ করা।সুস্থ ধারার সংস্কৃতির বিকাশের লক্ষ্যে সময়োপযোগী বিভিন্ন সভা, সেমিনার, আলোচনা সভা, মানববন্ধন, বিভিন্ন দিবস উদযাপন, নাটক, টেলিফিল্ম ইত্যাদি কার্যক্রম করা।দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করা।বিধবা নারীদের আর্থিক সহযোগীতা প্রদান করে তাদেরকে সাবলম্ভী করে তোলা।

সংগঠনের প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ আনোয়ার এলাহি ফয়সাল বলেন, আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক,অলাভজনক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংষ্কৃতিক উন্নয়নমূলক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান।এখানে যারা সদস্য আছেন তারা দৈনিক হাত খরচের কিছু অর্থ জমিয়ে অসহায় মানুষদের কল্যাণে কাজ করে আসছে।এবং আাগমীতে আমরা সমাজের যুবকদের জন্য বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবো যার মাধ্যমে যুব সমাজ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ। প্রাথমিক পর্যায় কম্পিউটার, ফটোগ্রাফি ও সেলাই প্রশিক্ষণ কোর্স থাকবে পরবর্তীতে আস্তে সরকারের পৃষ্ঠ পোষকতায় সমাজের যুবকদের জন্য নতুন প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হবে।

তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, বলেন সমাজের যে কেউ দেশ পরিবর্তন ও অসহায় মানুষদের কল্যাণে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশনের সদস্য হতে পারবে। গতানুগতিক দৃষ্টি পরিবর্তন সামাজিক উন্নয়ন আমাদের মূল লক্ষ্য। সংগঠন যে কোন দান অনুদান গ্রহণের বিষয় জানতে চাইলে তিনি জানান সংগঠনের নিজস্ব বিকাশ, নগদ ও রকেট নাম্বার ০১৭২১-০০০৩৪৫ এছাড়া ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড 0212-111-00000-369 এই নাম্বারে অর্থ পাঠানো যাবো এবং রশিদ বুঝে নেয়ার অনুরোধ থাকবে সকলকে। কারণ এর দ্বারা আমাদের নিজদের মাঝে স্বচ্ছতা থাকে ও সঠিক অডিট রিপোর্ট তৈরী করা সম্ভব হয়। আসুন দেশকে ভালোবাসি এবং নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য নিজ জায়গা থেকে একটু হলেও অবদান রাখি। সংগঠনের সকল সদস্য দেশ পরিবর্তনে সমাজের সকলকে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন এর সদস্য অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আহবান জানান।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…