খুঁজুন
, ,

সুন্নীয়তের সৈনিক তৈরীর কারখানা সৃষ্টি করেছিলেন সৈয়দ শামসুল হুদা (র)

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 16 December, 2021, 3:28 pm
সুন্নীয়তের সৈনিক তৈরীর কারখানা সৃষ্টি করেছিলেন সৈয়দ শামসুল হুদা (র)

ফটিকছড়ি প্রতিনিধিঃ ফটিকছড়ির সৈয়দ বাড়ী দরবার শরীফের প্রতিষ্টাতা অধ্যক্ষ আল্লামা সৈয়দ শামসুল হুদা (রহ.) এর ২৬ তম বার্ষিক ওরশ শরীফ গতকাল বুধবার সারাদিন নানান আনুষ্টানিকতায় সম্পন্ন হয়েছে।

ওরশ উপলক্ষে সকালে দিনব্যাপী গাউছিয়া সমিতি ও গাউছিয়া যুব সমিতি বাংলাদেশর উদ্যোগে পবিত্র খতমে কুরআন-খতমে বোখারী, ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ, কর্ণ ছেদন, খৎনা, রক্তদান ও রক্ত গ্রুপ নির্ণয়সহ নানা কর্মসূচির উদ্ভোধন করেন সাজ্জাদানশীন ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআ’ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহাসচিব আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ মছিহুদ্দৌলার (মুজিআ)।

বিকালে অধ্যক্ষ হযরত সৈয়দ মুহাম্মদ শামসুল হুদা (রহ.) এর কর্মজীবনীর উপর আলোচনা সভা তকরীর করেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের চেয়ারম্যান আল্লামা কাজী মঈনুদ্দিন আশরাফী, বালাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান আল্লামা এম এ মন্নান, শাহজাদা সৈয়দ তৌসিফুল হুদা,
আল্লামা আব্দুল ওয়াজেদ, কাজী মঈনউদ্দীন আশরাফি, হাফেজ সোলাইমান আনসারী, হাফেজ আশরাফুজ্জামান, অধ্যক্ষ তৈয়ব আলী, মুফতি জসিম উদ্দিন আলকাদেরী, অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ, আল্লামা নোমান প্রমুখ।

এতে বক্তারা বলেন, সৈয়দ শামসুল হুদা (র.) শ্রম ও যোগ্যতা এবং সুদক্ষতার মাধ্যমে ধীরে ধীরে এক বিশাল ইলমে দ্বীনের বটবৃক্ষে পরিণত হয়েছিলেন। সুন্নীয়তের সৈনিক সৃষ্টির কারখানা সৃষ্টি করেছিলেন সারাদেশে। বিভ্রান্তির এই যুগ সন্ধিক্ষণে ইসলামের মূল স্রোতধারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আদর্শকে সঠিকভাবে গ্রহণ ও চর্চা করার সুযোগ তৈরি করেছিলেন। তিনি যুগযুগ ধরে বেঁচে থাকবেন সুন্নীয়তের নানান শাখা প্র-শাখায়। অধ্যক্ষ শামসুল হুদার (রহ.) জীবন ও কর্মে তাঁর অগণিত ভক্ত-মুরীদদের পথ-নির্দেশক। তাঁর দেখানো পথেই সৈয়দ বাড়ি দরবার মাযহাব-মিল্লাতের খেদমতের পাশাপাশি মানবসেবায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এদিকে মঙ্গলবার গাউছিয়া সমিতি ও গাউছিয়া যুব সমিতি বাংলাদেশ তত্ববধায়নে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের চিকিৎসা সেবা, শতাধিক কন্যাসন্তানের কর্ণ ছেদন, অর্ধশত খৎনা, প্রায় ৫০০ শতাধিক রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করেন এবং আগত ভক্ত আশেকানদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করেন।

এন-কে

Feb2
Feb2

সাত অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 3 September, 2026, 8:29 am
সাত অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

দেশের সাত অঞ্চলের ওপর দিয়ে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে বুধবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত সারাদেশের সম্ভাব্য পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 3 September, 2026, 8:18 am
নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ

নেপালের ভোটেকোশি নদীতে গত ২৬ আগস্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটে। এতে শত শত মানুষ নিহত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারমধ্যে আছে হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও। আর এ কারণে বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

গতকাল বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট।

এতে বলা হয়েছে, বর্ষাকালে নদীর পানি বাড়লে হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ে। এ সময় নিজেদের চাহিদা মিটিয়েও নেপালের বাড়তি বিদ্যুৎ থাকে। যা রপ্তানি করা হয়।

বাংলাদেশ সদ্যই ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে নেপালের বিদ্যুৎ আনছিল। তবে এখন এ বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।

কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, ভোটেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যার পর অনেক হাইড্রোপাওয়ার বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে।

শুষ্ক মৌসুমেও নেপাল গড়ে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ রপ্তানি করে আসছিল। কিন্তু এখন এটি ৬৫০ মেগাওয়াটে নেমে এসেছে।

নেপালে শীতকালে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায়। এ কারণে দেশটিকে বিদ্যুৎ আমদানি করতে হতো। তবে হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে দেশটি আঞ্চলিক বিদ্যুৎ রপ্তানিকারকের ভূমিকায় আসছিল।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানির অনুমোদন ছিল ২২ দশমিক ১ মেগাওয়াটের চিলমি হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্ট এবং ২৪ মেগাওয়াটের ত্রিশূলি হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্টের। এ দুটি কেন্দ্রই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে গত সপ্তাহ থেকে তারা বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রেখেছে।

প্রতিষ্ঠান দুটি মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ভারতের গ্রিড দিয়ে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি শুরু করেছিল।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দীর্ঘায়ু কুমার শ্রেষ্ঠ বলেছেন, “বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা দুটি কেন্দ্রেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ কারণে আমরা ভারতকে বিকল্প হিসেবে অন্য প্রজেক্ট থেকে বিদ্যুৎ পাঠানোর সুযোগ দিতে অনুরোধ করেছি।”

সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 11:48 pm
সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় মির্জা আব্বাসকে বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এ সময় তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও সঙ্গে ছিলেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ১১ মার্চ ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। অবস্থার উন্নতি না হলে গভীর রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

১৫ মার্চ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার পর তাকে মালয়েশিয়ায় চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস।