খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামের ৮ জনের শরীরে ওমিক্রনের বিষ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 20 January, 2022, 9:51 pm
চট্টগ্রামের ৮ জনের শরীরে ওমিক্রনের বিষ

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের অস্তিত্ব মিলেছে চট্টগ্রামের ৮ জনের শরীরে। বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) জার্মানির গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অন শেয়ারিং অল ইনফ্লুয়েঞ্জা (জিআইএসএআইডি) নতুন এসব রোগীর ওমিক্রনে আক্রান্তের তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে ঢাকা ও যশোরে ওমিক্রন শনাক্ত হয়। এবার চট্টগ্রামেও ওমিক্রনে আক্রান্তের তথ্য জানিয়েছে আইসিডিডিআরবি। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৭১ জনের নমুনায় ওমিক্রন পাওয়া গেল।

এর মধ্যে ৮ জনের তথ্য জানিয়েছে বিএসএমএমইউ। তাদের নমুনা গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারির মধ্যে সংগ্রহ করা হয়। শনাক্তদের মধ্যে ৫ জন পুরুষ এবং ৩ জন নারী।

২৪ ঘন্টা/প্রিন্স

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম বন্দরকে দুর্নীতিমুক্ত করে আধুনিকায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 15 July, 2026, 6:47 pm
চট্টগ্রাম বন্দরকে দুর্নীতিমুক্ত করে আধুনিকায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় সম্পদ চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, অতীতে বা বর্তমানে এই বন্দরে যেকোনো ধরনের দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় হয়ে থাকলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী দায়ীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনা হবে।

বুধবার (১৫ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৫তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বে-টার্মিনাল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক মন্দা এবং কোভিড-১৯ মহামারির মতো কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলা করে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে চট্টগ্রাম বন্দর চব্বিশ ঘণ্টা সচল ছিল। বিগত দেড় দশকে বন্দরের কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১০ সালের সাড়ে চার কোটি টন কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের বিপরীতে ২০২৫ সালে তা ১৩ কোটি ৮১ লাখ টন ছাড়িয়ে গেছে। একই সময়ে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংও ১৩ লাখ টিইইউএস থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩৪ লাখ টিইইউএস ছাড়িয়েছে। এই প্রবৃদ্ধি বজায় রাখতে পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল সচল করা, লালদিয়া টার্মিনাল নির্মাণ এবং নিয়মিত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্য রক্ষার কাজ চলমান রয়েছে।

বন্দরকে হয়রানিমুক্ত ও আধুনিক করতে ডিজিটালাইজেশনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে অনলাইনে পোর্ট কমিউনিটি সিস্টেম, ই-ডেলিভারি অর্ডার, ই-পেমেন্ট এবং স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এছাড়া যানবাহন প্রবেশ সহজ করতে ই-গেট পাস এবং সম্পূর্ণ কাগজবিহীন বন্দর প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিশেষায়িত ডিজিটাল উইন্ডো চালু করা হয়েছে। বন্দরের সরঞ্জাম সংকট কাটাতে আগামী অর্থবছর নাগাদ নতুন কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্ট এবং ভারী ফর্কলিফট সংগ্রহের প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান তিনি।

চট্টগ্রামের বে-টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই টার্মিনালটি চালু হলে দেশের অর্থনীতিতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। বর্তমানে নাব্যতা সংকটের কারণে বড় মাদার ভেসেলগুলো সরাসরি বন্দরে ভিড়তে পারে না। বে-টার্মিনাল চালু হলে বড় জাহাজগুলো সরাসরি জেটিতে আসতে পারবে, যার ফলে ট্রান্সশিপমেন্ট খরচ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে ব্যাপক গতি সঞ্চার হবে।

অধিবেশনে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামাল হোসেন বিগত সরকারের আমলে চট্টগ্রাম কাস্টমসের স্ক্যানার মেশিন কেনাকাটায় কয়েকশ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুললে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্দর জনগণের সম্পদ। এখানে অতীতে যারা অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, সুনির্দিষ্ট তদন্তের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেকের বিচার নিশ্চিত করা হবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ করে পর্যায়ক্রমে একটি সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

আন্তর্জাতিক মানের হোটেল ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে সরকারের মেগা উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 15 July, 2026, 6:37 pm
আন্তর্জাতিক মানের হোটেল ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে সরকারের মেগা উদ্যোগ

দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে পর্যটনশিল্পকে ঘিরে একটি সমন্বিত ও সুদূরপ্রসারী ‘মহাপরিকল্পনা’ প্রণয়ন করছে সরকার। এই খাতকে অর্থনীতির মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে কক্সবাজারসহ দেশজুড়ে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল নির্মাণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে মেগা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের সুনির্দিষ্ট নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির আলোকে তৈরি হতে যাওয়া এই মহাপরিকল্পনার ওপর ভিত্তি করেই আগামীতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে। যুগের চাহিদার সঙ্গে তাল মেলাতে জাতীয় পর্যটন নীতিমালা হালনাগাদকরণের কাজও সমানতালে এগিয়ে চলছে। দেশের পর্যটন অবকাঠামোর আধুনিকায়ন, এর ব্যাপক সম্প্রসারণ এবং নতুন নতুন পর্যটন গন্তব্য চিহ্নিতকরণের কাজ বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মাধ্যমে দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

কক্সবাজারকে বিশ্বমানের আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত করার উদ্যোগের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মালিকানাধীন ১৩২.৪৪ একর জমিতে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন সুবিধা সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ তথা পিপিপি পদ্ধতিতে বাস্তবায়িত হবে। শুধু অবকাঠামো উন্নয়নই নয়, পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য কক্সবাজারের মোটেল লাবনী কমপাউন্ডে একটি আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক পর্যটন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।

এর পাশাপাশি কক্সবাজার, সিলেট ও খুলনা জেলায় পর্যটন করপোরেশনের নিজস্ব জমিতে আন্তর্জাতিক মানের হোটেল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নির্মাণের প্রক্রিয়াটি অনেকটাই এগিয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ কর্তৃক এই প্রকল্পগুলোর ডিমান্ড অ্যাসেসমেন্ট এবং মার্কেট স্টাডি মূল্যায়ন কার্যক্রম ইতিমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

প্রবাসীদের হয়রানির জটলা কাটাতে সরকারের যৌথ উদ্যোগ
সরকারপ্রধান বলেন, দেশি-বিদেশি পর্যটকদের যাতায়াত ও তথ্য প্রাপ্তি সহজ করতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে আধুনিক ট্যুরিস্ট ইনফরমেশন সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। পর্যটনসংক্রান্ত তথ্য ও প্রচারের সুবিধার্থে দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর, স্থলবন্দর ও রেলওয়ে স্টেশনগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির এলইডি বোর্ড বসানো হচ্ছে। পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে জনবহুল স্পটগুলোতে বিশেষ ভলান্টিয়ার টিম গঠন করা হয়েছে এবং নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বজায় রাখতে ব্যাপকভাবে সিসি ক্যামেরা সংযোজন করা হচ্ছে। এ ছাড়া পর্যটন আকর্ষণ উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষাকরণ এবং বিশ্বদরবারে দেশের রূপ তুলে ধরতে ভার্চ্যুয়াল ট্যুর প্রস্তুত ও প্রচারের কাজ চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পর্যটন খাতে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করার জন্য সরকার একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করছে, যেখানে উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি পিপিপির আওতায় বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইকো-ট্যুরিজম, কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজম এবং সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যভিত্তিক পর্যটনের টেকসই বিকাশের পাশাপাশি ডিজিটাল প্রচারণা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পর্যটন মেলায় অংশগ্রহণ এবং পরিচিতিমূলক ভ্রমণ আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের পর্যটন আকর্ষণকে বিপণন করা হচ্ছে।

সেবার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ট্যুর অপারেটর, পর্যটন উদ্যোক্তা, বিনোদন পার্ক কর্মী, আবাসন কর্মী ও পরিবহনকর্মীদের জন্য নিয়মিত বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, কমিউনিটি ট্যুরিজম, এথনিক ও ওয়াটার ট্যুরিজমের বিকাশের লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের আওতাধীন ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে ডিপ্লোমা ইন হোটেল ম্যানেজমেন্ট, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, প্রফেশনাল শেফ কোর্স, ফ্রন্ট অফিস, হাউসকিপিং এবং ফুড অ্যান্ড বেভারেজ সার্ভিসের মতো পেশাদার কোর্স নিয়মিত পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি জানান, ট্যুর গাইডকে একটি মর্যাদাপূর্ণ পেশায় রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রত্নতাত্ত্বিক, এথনিক ও ইকো-ট্যুরিজম সাইটসমূহের জন্য দক্ষ গাইড তৈরির বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে, যার আওতায় ২০২৬ সালের মে মাসে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন কর্তৃক ১০১ জনকে সফলভাবে পেশাদার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পর্যটন খাতকে আধুনিক, সম্পূর্ণ প্রযুক্তিনির্ভর ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী একটি শক্তিশালী শিল্পে পরিণত করতে সরকার সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

চট্টগ্রামে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে হামলা, গ্রেপ্তার ৮

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 15 July, 2026, 6:23 pm
চট্টগ্রামে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে হামলা, গ্রেপ্তার ৮

চট্টগ্রামে দুই কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ডিজিটাল ডট নেট (ডিডিএন) কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে– কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অস্ত্র, মাদক, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (১৫ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ।

গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. ইউনুস (৪১), ইমরান হোসেন চ্যাং (৩১), আকবর হোসেন (২৪), মো. সুমন (২৭), মো. মনির ওরফে কেহেরমান (৩৮), মো. গিয়াস উদ্দিন (২১), মো. নয়ন (২০) এবং মোহাম্মদ আবদুল নাহিদ ওরফে ফরহাদ (২৮)।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মো. ইউনুসের বিরুদ্ধে পাঁচটি, ইমরান হোসেন চ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ১২টি, আকবর হোসেনের বিরুদ্ধে ছয়টি, মো. সুমনের বিরুদ্ধে ছয়টি, মো. মনির ওরফে কেহেরমানের বিরুদ্ধে সাতটি এবং মো. নয়নের বিরুদ্ধে আটটি মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ১১ জুলাই হোয়াটসঅ্যাপে কল করে নিজেকে ডেভিড ইমন পরিচয় দিয়ে ডিডিএনের স্বত্বাধিকারীর কাছে এককালীন দুই কোটি টাকা এবং পরে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়।

তারই ধারাবাহিকতায় ১৩ জুলাই দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে চকবাজার থানার মনুমিয়াজী লেইনের মরিয়ম হাইটস ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত ডিডিএনের কার্যালয়ে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীরা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রিন্টার, ফিঙ্গারপ্রিন্ট মেশিন, আসবাবপত্র, কাচের দরজাসহ বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এছাড়া হামলাকারীরা অফিসের ড্রয়ারে থাকা ৪৭ হাজার টাকা, তিনটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, একটি ক্যানন প্রিন্টার এবং প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অরিফুল ইসলামের কাঁধের ব্যাগ নিয়ে যায়। ওই ব্যাগে কর্মচারীদের বেতন পরিশোধের জন্য রাখা প্রায় ৩৫ লাখ টাকা ছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে ১৩ জুলাই চকবাজার থানা একটি মামলা করা হয়।