খুঁজুন
, ,

দুর্নীতি না হলে দেশের চেহারা পাল্টে যেত: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 29 September, 2019, 6:09 am
দুর্নীতি না হলে দেশের চেহারা পাল্টে যেত: প্রধানমন্ত্রী

-5

দুর্নীতি না হলে দেশের চেহারা পাল্টে যেত মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ফাঁকফোকর কোথায় এবং কারা উন্নয়ন প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত করছে, তাদের খুঁজে বের করতে হবে।

আর অসৎ দুর্নীতি-অনিয়ম-উচ্ছৃঙ্খলতায় জড়িত থাকলে দলের লোকদেরও ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ার করেছেন তিনি।

শনিবার বিকেলে নিউ ইয়র্কের ম্যারিয়ট মারকুইজ হোটেলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী আয়োজিত এক নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য আসে।

তিনি বলেন, “আমি একটা কথা স্পষ্ট বলতে চাই, এই অসৎ পথ ধরে কেউ উপার্জন করলে, অনিয়ম, উচ্ছৃঙ্খলতা বা অসৎ কাজে যদি ধরা পড়ে, তবে সে যেই হোক না কেন, আমার দলের হলেও ছাড় হবে না, এর বিরুদ্ধে আমাদের ব্যবস্থা অব্যহত থাকবে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা ব্যাপকভাবে উন্নয়ন প্রকল্প নিচ্ছি। যে পরিমাণ উন্নয়ন প্রকল্প আমরা নিচ্ছি, তার প্রতিটি টাকা যদি সঠিকভাবে ব্যয় হত, ব্যবহার হত, আজকে বাংলাদেশ আরও অনেক বেশি উন্নত হতো পারত।

“এখন আমাকে খুঁজে বের করতে হবে এখানে কোথায় লুপহোল, কোথায় ঘাটতিটা, কারা কোথায় কীভাবে এই জায়গাটা ক্ষতিগ্রস্ত করছে।”

চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে এক দলীয় সভায় ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতাকে চাঁদাবাজির অভিযোগে সরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি যুবলীগ নেতাদের নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এরপর ঢাকায় ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের তত্ত্বাবধানে ক্যাসিনো চালানোর খবর সংবাদমাধ্যমে এলে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবে ও বারে অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসব অভিযানে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন। কয়েকজনের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে, বিদেশযাত্রায়ও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

প্রবাসীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সরকারপ্রধান বলেন, “যারা সৎভাবে জীবন যাপন করতে চায়, তাদের জন্য বা তাদের ছেলেমেয়েদের জন্য সৎভাবে জীবন যাপন করা কঠিন হয়ে যায়, যখন অসৎ উপায়ে উপার্জিত পয়সা সমাজকে বিকলাঙ্গ করে দেয়।

“কারণ একজনকে সৎভাবে চলতে গেলে তাকে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা নিয়ে চলতে হয়। আর অসৎ উপায়ে উপার্জিত অর্থ দিয়ে এই ব্র্যান্ড, ওই ব্র্যান্ড, এটা সেটা হৈ চৈ,… খুব দেখাতে পারে।”

শেখ হাসিনা বলেন, “ফলাফলটা এই দাঁড়ায়, একজন অসৎ মানুষের দৌরাত্মে যারা সৎভাবে জীবন যাপন করতে চায় তাদের জীবনযাত্রাটাই কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ ছেলেমেয়েরা ছোট শিশু, তারাতো আর এতটা বোঝে না। ভাবে যে ওরা এইভাবে পারে তো আমাদের নাই কেন।

“এটা স্বাভাবিক, তাদের মনে এই প্রশ্নটা জাগবে। ওত ছোট ছোট বাচ্চারা, তারা সৎ-অসতের কী বুঝবে। তারা ভাবে আমার বন্ধুদের এত আছে, আমাদের নাই কেন? স্বাভাবিকভাবে মানুষকে অসৎ উপায়ের পথে ঠেলে দেবে।”

সমাজের এই যে বৈষম্য দূর করার জন্য সরকার ইতোমধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আরেকটা জিনিস আমি দেখতে বলে দিয়েছি, সেটা হল কার আয়-উপার্জন কত, কীভাবে জীবন যাপন করে, সেগুলো আমাদের বের করতে হবে।

“তাহলে আমরা সমাজ থেকে এই ব্যাধিটা, একটা অসম প্রতিযোগিতার হাত থেকে আমাদের সমাজকে রক্ষা করতে পারব, আগামী প্রজন্মকে রক্ষা করতে পারব।”

দুর্নীতি পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথাও অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান, সেটাও অব্যহত থাকবে। এই মাদক একটা পরিবার ধ্বংস করে, একটা দেশ ধ্বংস করে। এর সঙ্গে কারা আছে সেটাও আমরা খুঁজে বের করব। বাংলাদেশ থেকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক দূর করে বাংলাদেশের মানুষকে আমরা উন্নত জীবন দিতে চাই।”

জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস যে কেবল বাংলাদেশের সমস্যা না, গোটা বিশ্বের জন্যই যে এটি একটি হুমকি, সে কথাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, এখন দেশের উন্নতির জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দরকার।

“জনগণের শক্তিই বড় এবং আওয়ামী লীগ জনগণের শক্তিতেই বিশ্বাস করে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নতি হয় এবং জনগণ উন্নত জীবন লাভ করে বলেই আওয়ামী লীগের ওপর জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস আছে।”

শেখ হাসিনা তার সরকারের সময় দেশের শিক্ষাসহ বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া এবং বাজেট বাড়ানোর কথা অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন।

এত উন্নয়নের পরও দেশে ‘একশ্রেণির বুদ্ধিজীবী পরশ্রীকাতর’ আচরণ করে যাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “দেশের উন্নয়নে যত ভালো কাজই করা হোক, তারা কখনোই ভালো বলবে না।”

সেই ‘বুদ্ধিজীবীদের’ তিনি বিএনপির-জামায়াতের সময় দেশে সন্ত্রাস, দুর্নীতির কথা মনে করিয়ে দেন। বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া, তার ছেলে তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোর দুর্নীতির কথাও বলেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ত্যাগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একজন রাজনৈতিক নেতা হতে হলে দেশের মানুষের

কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে।”

১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট জাতির জনককে সপরিবারে হত্যার ঘটনা স্মরণ করে তিনি বলেন, যারা স্বাধীনতা ও বাঙালির বিজয়কে মেনে নিতে পারেনি, পাকিস্তানিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে যারা ধর্ষণ ও গণহত্যা চালিয়েছে, তাদের প্ররোচনাতেই ১৫ অগাস্টের হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।

লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা যেভাবেই হোক সমুন্নত রাখতে হবে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদানের কথা তুলে ধরে তিনি তাদের দেশে আরও বেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানান এ অনুষ্ঠানে।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন উপলক্ষে নিউ ইয়র্কে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার দুপুরে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে বৈঠক করেন।

আট দিনের এই সফর শেষে ১ অক্টোবর ভোরে প্রধানমন্ত্রীর দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন মাহবুবের রহমান শামীম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 1:45 pm
চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন মাহবুবের রহমান শামীম

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুবের রহমান শামীমকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

রোববার (১৯ জুলাই) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জেলা পরিষদ আইন, ২০০০-এর ধারা ৮২ক(১) অনুযায়ী জেলা পরিষদ গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত মোহাম্মদ মাহবুবের রহমান চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

জেলা পরিষদ আইন, ২০০০-এর ধারা ৮২ক(৩) অনুযায়ী তিনি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।

বিধি অনুযায়ী তিনি ভাতা ও অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধা পাবেন।

সরকারের আগাম পদক্ষেপে বন্যায় কম ক্ষতি হয়েছে: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 1:29 pm
সরকারের আগাম পদক্ষেপে বন্যায় কম ক্ষতি হয়েছে: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি বলেছেন সরকারের আগাম পদক্ষেপ নেওয়ার কারণে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক কম হয়েছে। বন্যাদুর্গত মানুষের কথা চিন্তা করে আজ থেকে সরকারের বিশেষ খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু হয়েছে। এতে স্বল্প মূল্যে হতদরিদ্র মানুষ খাদ্য সহায়তা পাবে।

রবিবার (১৯ জুলাই) খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলায় বন্যা পরবর্তী ত্রাণ সহায়তা অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান সকল জনগোষ্ঠীকে রংধনুর বাংলাদেশ গড়তে চাই বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

পার্বত্য মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রেইনবো জাতি গঠনে যে স্বপ্ন দেখছেন তাতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিশেষ মনোযোগ রয়েছে।’

এসময় তিনি জেলার মহালছড়ির চোংড়াছড়ি, পাকুজ্জাছড়ি, মাইসছড়িতে বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে জায়গায় ত্রাণ বিতরণ করেন।

এসময় স্থানীয় সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূইয়া, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা ও জেলা প্রশাসক মো: আনোয়ার সাদাত, বিভিন্ন সরকারি দফতরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

শাপলা চত্বর হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের হাতে, আসামি শেখ হাসিনাসহ ৪১ জন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 July, 2026, 1:04 pm
শাপলা চত্বর হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের হাতে, আসামি শেখ হাসিনাসহ ৪১ জন

২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে প্রসিকিউশন। প্রতিবেদনে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ৪১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে আসামিদের মধ্যে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ, একাত্তর টিভির সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু, বেসরকারি টেলিভিশনটির সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা এবং সাংবাদিক শাহরিয়ার কবীরের নামও রয়েছে। সেই সঙ্গে তৎকালীন পুলিশ ও র‌্যাব প্রধানসহ ডিএমপি কমিশনারকেও এতে আসামি করা হয়েছে।

রোববার (১৯ জুলাই) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রতিবেদনটি হাতে পায় প্রসিকিউশন।

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তদন্ত সংস্থা ইতোমধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে জমা দিয়েছে। বর্তমানে সেটি পর্যালোচনার কাজ চলছে।

আগামী ২১ জুলাই নির্ধারিত সময়েই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। এছাড়া এ মামলার তদন্তের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে কিছুক্ষণ পর আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করা হবে।

চিফ প্রসিকিউটর আরও জানান, তদন্তে এখন পর্যন্ত শুধু ঢাকাতেই ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে থাকায় প্রকৃত নিহতের সংখ্যা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়।

এদিকে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে হত্যাযজ্ঞের মামলার অগ্রগতি জানতে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে এসেছেন দলটির শীর্ষ নেতাসহ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল। রোববার সকালে দলটির সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল হামিদের (মধুপুর পীর সাহেব) নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ সদস্যের ওই প্রতিনিধি দলটি চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি হারুন ইজহার, মুফতি মীর ইদ্রিসসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

২০১৩ সালের ৫ মে ১৩ দফা দাবিতে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সমাবেশ করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। দিনভর উত্তেজনা ও সংঘর্ষের পর গভীর রাতে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি যৌথ অভিযান চালিয়ে শাপলা চত্বর খালি করে। ওই অভিযানে বহু মানুষ নিহত হওয়ার অভিযোগে বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত চলছে।