খুঁজুন
, ,

১১০ বছর বয়সী বৃদ্ধের আকুতি আমার ওষুধ কেনার টাকাটাও কেটে নিল ম্যানেজার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 27 November, 2019, 7:33 pm
১১০ বছর বয়সী বৃদ্ধের আকুতি আমার ওষুধ কেনার টাকাটাও কেটে নিল ম্যানেজার

শাহজাহান আলী মনন, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ॥ ‘স্যার আমার টাকাটার খুব দরকার, সরকার দয়া করে আমাকে যে বয়স্ক ভাতা দেয়, সেই টাকা দিয়ে ওষুধ কিনে কোন রকমে বেঁচে আছি। তাই একবারে সব টাকা কেটে নিলে আমি ওষুধ কিনবো কি দিয়ে? আর ওষুধ না খেলে বাঁচবো কেমন করে? এর চেয়ে আমাকে বিষ দিয়ে মেরে ফেলেন। তাও টাকা পেয়েও ওষুধ কিনতে না পারার কষ্ট দিয়ে মারেন না।’

এমন করেই করজোড়ে আকুতি করছিল এক বৃদ্ধ। কিন্তু তারপরও বিন্দুমাত্র কর্ণপাত করলেন না ব্যাংক ম্যানেজার। বরং তিনি ১ হাজার টাকার ঋণ কর্তনের রিসিভ কেটে বৃদ্ধের হাতে ধরিয়ে দিয়ে এক প্রকার তাড়িয়ে দিলেন। ‘যান যান এখান থেকে বিরক্ত করবেন না, আমার অনেক কাজ আছে। আপনাদের আমি ভাল করেই চিনি। এভাবে টাকাটা কেটে না নিলে জীবনেও দিবেন না। ভাতা পাওয়ার আগে যেভাবে ওষুধ ছাড়াই বেঁচে ছিলেন সেভাবেই এখনও চলবেন। তা না হলে ঋণ শোধ না করেই কবরে যেতে হবে। তখন পরকালেও দূর্ভোগ পোহাতে হবে।’

উপরোক্ত দৃশ্যটি নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের হাজারীহাট রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক শাখার। গত ২৬ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের সামনেই একজন বৃদ্ধ গ্রাহকের সাথে এমন আচরণ করেন শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ রাশেদুজ্জামান সরকার। তার এমন রূঢ় আচরণে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে কাঁদতে কাঁদতে বেড়িয়ে গেল বৃদ্ধ।

এসময় উপস্থিত সংবাদকর্মীরা বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, আমার নাম বদর উদ্দিন। আমার ছেলে ১৯৯১ সালে ১ হাজার ৮ শ’ টাকা কৃষি ঋণ নিয়েছিল। যা পরবর্তীতে মাপ করে দেওয়া হয়েছিল বলে আমি জানি। আমার বয়স ১১০ বছর। এলাকার মেম্বারের সহযোগিতায় গত ১ বছর যাবত সরকার দয়া করে আমাকে বয়স্কভাতা দিচ্ছেন। প্রতি ৩ মাস পর পর ১ হাজার ৫শ’ করে টাকা এই শাখা থেকে পাই।

এই বৃদ্ধ বয়সে নানা রোগে আক্রান্ত হয়েছি। বিশেষ করে শ্বাষকষ্টে চরম ভোগান্তিতে আছি। বয়স্কভাতার টাকাটা দিয়ে ওষুধ কিনে কোন রকমে বেঁচে আছি। ছেলেরা দেখেও দেখেনা। তাই অনেক কষ্টে মানুষের কাছে চেয়ে চিমটে পেট চালাই। সরকার এই ভাতাটা দেওয়ায় অনেকটা স্বস্তি পেয়েছি। কিন্তু হঠাৎ করে গত আগস্ট মাসে ভাতা তুলতে আসলে ম্যানেজার মাত্র ৫শ’ টাকা ধরিয়ে দিয়ে বলেন, আমার নামে ঋণ আছে তাই ১ হাজার টাকা কেটে নেওয়া হয়েছে। আমিতো হতভম্ব! অনেক অনুরোধ করেও তার মন গলাতে পারিনি। বাধ্য হয়ে গত ৩ মাস ওষুধ কিনতে না পারায় অনেক কষ্ট করে কাটিয়েছি।

তাই এবার বললাম যে, ঋনের টাকাটা প্রতিবারে ৫শ’ টাকা করে কেটে নিতে। তাহলে ঋণও পরিশোধ হবে আমারও ওষুধ কিনতে না পেরে কষ্ট হবেনা।

কিন্তু না, তিনি কোন কথাই শুনতে রাজি নন। এবারও ১ হাজার টাকাই কেটে নিলেন। ম্যানেজারের বক্তব্য আমি যদি মরে যাই তাহলে বয়স্ক ভাতাও পাবনা এবং ঋণও পরিশোধ হবেনা। তাই বেঁচে থাকতেই টাকা কেটে নেওয়া হচ্ছে। এখন আমি ওষুধ ছাড়া কিভাবে চলবো? ঋণ পরিশোধের আগেই তো ওষুধ না পেয়ে মরে যাবো! তখন তার ঋণ পরিশোধ করবে কে?

এমন দুঃখভরা আবেগ নিয়ে প্রশ্নগুলো করে হাতের লাঠিতে ভর করে বৃদ্ধ কাঁদতে কাঁদতে বেড়িয়ে যাওয়ার সময় সংবাদকর্মীরা বৃদ্ধের জন্য কিছু করা যায় কি না ভেবে শাখা ব্যবস্থাপককে অনুরোধ করলে তিনি বলেন, কোন উপায় নেই।

টাকাটা আমাকে নিতেই হবে। তার ঋণ ছিল ১ হাজার ৮শ’ টাকা যা সুদ ও আসল মিলে হয়েছে ৩ হাজার ৬শ’ টাকা। দীর্ঘদিন থেকে তিনি ঋণ পরিশোধ করছেন না।

এতদিন কেন তাকে ধরেন নাই বা অল্প অল্প করে কেটে নিলেও তো পারেন এমন প্রশ্নের জবাবে শাখা ব্যবস্থাপক সংবাদকর্মীদের কটাক্ষ্য করে বলেন, কখন ধরবো আর কখন ধরবোনা তা কি আপনাদের কাছ থেকে শিখতে হবে। আমার ব্যাংকের পলিসি অনুযায়ী আমি কাজ করেছি। আপনাদের তার প্রতি বেশি দয়া হলে নিজেরাই তার ঋণ পরিশোধ করে দেন বা তাকে ওষুধ কেনার টাকা দেন।

এভাবে গ্রাহককে টাকা বুঝিয়ে না দিয়েই ঋণ পরিশোধের নামে কর্তন করার কোন বিধান কি আপনাদের আছে? এমন প্রশ্ন করা হলে শাখা ব্যবস্থাপক বলেন, সব নিয়মই কি লিখিত আকারে থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা ব্যাংকের স্বার্থে যা করা দরকার তাই করি। এতে কেউ কোন অভিযোগ করেও কোন লাভ নেই। বর্তমান ইউএনও’র কাছে অনেকেই আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেছেন তাতে আমার কিছুই হয়নি। আপনাদের ইচ্ছে হলেও করতে পারেন।

এসময় দেখা যায়, শাখা ব্যবস্থাপকের টেবিলে অনেক ভাতাগ্রহিতার পাশবই রক্ষিত। তিনি আরও অনেক ভাতাগ্রহিতা টাকা নিতে আসলে তাদের কাছ থেকে জিজ্ঞাসা করে ৩শ’ থেকে সর্বোচ্চ ৫শ’ টাকা কেটে নিচ্ছিলেন ঋণ পরিশোধ বাবদ। অথচ বদর উদ্দীনের অনুরোধ কেন রাখলেন না। এমন অমানবিক না হলেও তো পারতেন। এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রচন্ড রেগে যান এবং বলেন, আমি কি করবো আর কি না করবো সে বিষয়ে আপনারা বলার কে? এটা আমার অফিস, আমি আমার মত করেই কাজ করবো। কোন অনিয়ম হলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসকে কোন জবাবদিহি করতে হলে তখন দেখা যাবে। আপনারা এখন যান।

এ ব্যাপারে তাৎক্ষনিক মুঠোফোনে সৈয়দপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোছাঃ হাওয়া খাতুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বয়স্কভাতাসহ সরকার প্রদত্ব যে কোন ভাতা গ্রহিতাদের হাতে তাদের প্রাপ্য টাকা দিতে বাধ্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। এর পর যদি তাদের কোন দেনা-পাওনা থাকে তা গ্রাহকের অনুমতি সাপেক্ষে পরামর্শক্রমে নিতে পারে। কিন্তু তাতে যেন যে উদ্দেশ্যে সুবিধাভোগীকে ভাতা দেওয়া হচ্ছে তা ব্যাহত না হয় বা গ্রাহক ভোগান্তির শিকার না হয়। এর ব্যত্যয় ঘটলে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে অবশ্যই বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম গোলাম কিবরিয়াকে জানানো হলে তিনি বলেন, ব্যাংক ম্যানেজার এমনটা করতে পারেন না। তিনি যদি এধরণের আচরণ করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, এই শাখা ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে স্থানীয় গ্রাহকদের বিভিন্নভাবে হয়রানী করাসহ ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করেছেন উপস্থিত অনেক ভাতাভোগীসহ কয়েকজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।

Feb2
Feb2

৭ বছরে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:26 am
৭ বছরে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট

‎‎রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে দেশের প্রথম অন-গ্রিড সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে গত সাত বছরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ। ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার এ কেন্দ্রটি পরিত্যক্ত জমিতে নির্মাণের পর থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উৎপাদিত বিদ্যুতের আনুমানিক বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।

জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে কাপ্তাইয়ের এ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে দেশের সৌরবিদ্যুৎ খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

‎১৯৬২ সালে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পর কাপ্তাই বাঁধের পাশে প্রায় ২২ একর জমি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ছিল। প্রায় পাঁচ দশক পর ওই জমির ১৯ একর এলাকায় প্রায় ১১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। ২০১৯ সালে কেন্দ্রটির উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।

কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে তেল, গ্যাস বা কয়লার প্রয়োজন হয় না। ফলে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমাতেও সৌরবিদ্যুৎ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গত সাত বছরে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিতে সক্ষম হয়েছি, যার বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে জ্বালানি আমদানির ব্যয়ও বাড়ছে। এ অবস্থায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো গেলে জ্বালানি আমদানির ওপর চাপ কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনায় তুলনামূলকভাবে কম জনবল প্রয়োজন হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে গ্রামীণ পর্যায়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, কৃষিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ এবং বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এতে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার ও আমদানি নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।

‎এদিকে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান জানান, বর্তমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঙ্গে আরও ১ মেগাওয়াট সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ৭ দশমিক ৬ মেগাওয়াটের নতুন একটি প্রকল্পের কাজ চলছে।

‎তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো গেলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে আরও বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে।‎

কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাত বছরের উৎপাদন ও সাফল্য দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনার পথ দেখাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, সৌরবিদ্যুতের বিস্তার ঘটাতে সরকারি সহায়তা, প্রয়োজনীয় নীতিগত সুবিধা ও বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে জীবাশ্ম জ্বালানির আমদানি কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব।

রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:12 am
রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রামের রাউজানে আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে করিম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের কেরাণীহাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত করিম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে দলের কোনো পদে ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, তা এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে রাউজান উপজেলায় অন্তত ২১ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাদের বেশির ভাগই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সর্বশেষ করিমের হত্যাকাণ্ডের পর এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২২ জনে।

সাংগঠনিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি পুনর্বহাল করা হয়: মোনায়েম মুন্না

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 3 September, 2026, 8:12 pm
সাংগঠনিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি পুনর্বহাল করা হয়: মোনায়েম মুন্না

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেন, সারা বাংলাদেশসহ ও দেশের বাইরে বিভিন্ন ইউনিট কমিটি মিলিয়ে সর্বমোট যুবদলের ৮২টি ইউনিট কমিটি বিদ্যামান। ঢাকার পরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট হলো চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল। ফ্যাসিষ্ট হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একটি বিশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছিল। বিলুপ্ত হওয়ার পরও সভাপতি দিপ্তী সাধারণ সম্পাদক শাহেদ এর নেতৃত্বে কেন্দ্র ঘোষিত সকল কর্মসূচী খুব সুন্দর সুচারুরূপে পালন করে আসছে। সাংগঠনিক প্রয়োজনে বিলুপ্ত চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল কমিটি গত ২৫ আগষ্ট পুনর্বহাল করা হয়।

তিনি আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় কাজীর দেউড়ি নাসিমন ভবনস্থ চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সম্মুখ মাঠে “সমসাময়িক বিষয়াবলী ও সাংগঠনিক স্বাভাবিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে” চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত কর্মীসভায় প্রধান অতিথি বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আওতাধীন ১৫টি থানা ও ৪৩টি সাংগঠনিক ওয়ার্ড যুবদলের কমিটি দেওয়া হবে। বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ হৃদয়ে ধারণ করে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জনগণের মাঝে তুলে ধরবেন। যুবদল সবচেয়ে সুশৃঙ্খল একটি সংগঠন। যুবদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশবিরোধী যেকোন ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে অতীতের ন্যায় প্রস্তুত। তিনি এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের কমিটি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া, মাহফুজুর রহমান মাহফুজ ও ফেরদৌস আহমেদ মুন্না, রাজশাহী মহানগর যুবদলের আহবায়ক শরিফুল ইসলাম জনি।

উক্ত কর্মীসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি নুর আহমেদ গুড্ডু, এস এম শাহ আলম রব, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, মোহাম্মদ ইলিয়াস, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল গফুর বাবুল, দিদারুল ফেরদৌস, মোহাম্মদ মুছা, মিয়া মো. হারুন, হায়দার আলী চৌধুরী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, জসিমুল ইসলাম কিশোর, এডভোকেট ফিরোজ, মজিবুর রহমান, আবু সুফিয়ান, বায়েজিদ বোস্তামি থানা যুবদলের আহবায়ক অরূপ বড়ুয়া, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আলী সাকি, মহানগর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান মাসুম, মো. হুমায়ূন কবির, মোহাম্মদ সেলিম খাঁন, ইকবাল পারভেজ, রাশেদুল হাসান লেবু, আবদুল্লাহ আল টিটু, মো. এরশাদ উল্লাহ, মো. এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম তাজু, আবদুল হামিদ পিন্টু, সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, জিয়াউল হুদা জিয়া, শাহিন পাটোয়ারী, ইকরামুল হক ছুট্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, খুলশী থানা যুবদলের আহবায়ক হেলাল হোসেন হেলাল, চান্দগাঁও থানা যুবদলের আহবায়ক গুলজার হোসেন, মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, আসাদুর রহমান টিপু, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, শাহজালাল পলাশ, মজিবুর রহমান রাসেল, সাইফুদ্দিন মো. মারুফ, আহাদ আলী সায়েম, তানভীর মল্লিক, রাজন খান, এস এম ফারুক, সম্পাদক মন্ডলী’র সদস্য নুর হোসেন উজ্জ্বল, জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগির, জসিম উদ্দিন সাগর, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, মহিউদ্দিন মুকুল, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, মোহাম্মদ নুরুল আমিন, মোহাম্মদ ইকবাল, মোহাম্মদ নওশাদ, সহ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, কামাল উদ্দিন, মনোয়ার হোসেন মানিক, শাহেদুল ইসলাম শাহেদ, জহিরুল ইসলাম জহির, কমল জ্যৌতি বড়ুয়া, কামরুল ইসলাম, জিয়াউল হুদা মিন্টু, মোহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, মাহবুবুর রহমান, কোরবান আলী, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, হাফেজ মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন আনু, মোহাম্মদ ইদ্রিস, সালাহউদ্দিন, আরিফ হোসেন, ইয়াছিন আজাদ, আবুল কালাম, মো. জসিম উদ্দিন, নুরুল ইসলাম আজাদ, সিরাজুল ইসলাম শিকদার, দেলোয়ার হোসেন, ফারুক হোসেন স্বপন, ইদ্রিস আলম, গুলজার হোসেন মিন্টু, আবদুল্লাহ আল মামুন জিতু, মোহাম্মদ খোরশেদ, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, হোসেন উজ জামান, নুর জাহেদ বাবলু, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, এ কে আজাদ, মো. সাইদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান দুলাল, মিফতাহ উদ্দীন শিকদার টিটু, মোহাম্মদ ইউসুফ, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, বেলাল উদ্দিন, মহানগর সদস্য হাবিবুল্লাাহ খান, শাবাব ইয়াজদানী, মাহমুদ খান জনি, মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ, সোহাগ খান, প্রফেসর মোহাম্মদ সাইদুল হক শিকদার, আবদুল্লাহ আল মামুন, সাব্বির ইসলাম ফারুক, আবদুস সাত্তার, আইয়ুব আলী, জাহেরু মাসুদ, আজিজ চৌধুরী, আবদুল করিম, শাখাওয়াত কবির সুমন, থানা যুবদলের আহবায়ক নুর হোসেন নুরু, শফিউল আজম, বজল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন টুনু, কুতুব উদ্দিন, ইসমাইল হোসেন লেদু, মোশাররফ আমিন সোহেল, খোরশেদ আলম, হোসনে মোবারক রিয়াদ, মোহাম্মদ ইসমাইল, থানা যুবদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ হাসান, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, শওকত খান রাজু, মো: মুসা, মুসফিকুর রহমান নয়ন, ইলিয়াস খান, তাজ উদ্দিন তাজু, মোহাম্মদ রাশেদ, থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোর্শেদ কামাল, নুর খান, মুস্তাকিম মাহমুদ, আশিক মল্লিক, সাইফুল আলম রুবেল, মো: ইয়াছিন, খালেদ সাইফুল্লাহ, সাজ্জাদ আহমেদ সাদ্দাম, মো. সোহেল, ওয়ার্ড যুবদলের আহবায়ক আবু বকর বাবু, এস এম আলী, আক্তার হোসেন, সাইফুল আলম, সাদেক আহমেদ, মোহাম্মদ ইউনুছ, বাদশা আলমগীর, মোহাম্মদ হাসান, জহিরুল ইসলাম জহির, মোহাম্মদ মুজাহিদ, মোহাম্মদ এস্কান্দার, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাসুদ, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মেহেদী হাসান রানা, রাসেল খান, সদস্য সচিব আবু তৌহিদ, সোলেয়মান হোসেন মনা প্রমুখ।