খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাইতকান্দিতে একটি নান্দনিক কলেজ হবেঃ মোশাররফ হোসেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মে, ২০২২, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
হাইতকান্দিতে একটি নান্দনিক কলেজ হবেঃ মোশাররফ হোসেন

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে প্রথমবারেরমতো প্রতিষ্ঠা পেতে যাচ্ছে স্থানীয় সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের নামে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

শনিবার (২৮ মে) বিকাল সাড়ে ৩টায় উপজেলার হাইতকান্দি ইউনিয়নের কমরআলী উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন নতুন এ কলেজের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আজকে যে কলেজ প্রতিষ্ঠা পেতে যাচ্ছে আমি বিশ্বাস করি আমার দাদার নামে প্রতিষ্ঠিত এফ রহমান স্কুল এন্ড কলেজ যেমন চট্টগ্রাম জেলায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে, এটি একদিন শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করবে। এটি হবে একটি নান্দনিক কলেজ। এর জন্য দরকার একটি সুশৃঙ্খল শিক্ষা ব্যবস্থা। আর শিক্ষার্থীদের বাংলা ভাষার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষা শিখতে স্পোকেন ইংলিশের ব্যবস্থা করা। তারা যেন বাংলার মতো ইংরেজি ভালো বলতে পারে।’

এসময় আওয়ামী লীগের প্রবীণ এ নেতা আরো বলেন, ‘হাইতকান্দি এলাকায় আজকে যে কলেজ প্রতিষ্ঠা পেতে যাচ্ছে, আমি মনি করি এটিতে যারা জমি দান করেছেন তাদের অবদান সবচে বেশি। আর আমার নামে কলেজের নামকরণ করার এলাকার মানুষের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।’

ওইদিন কমরআলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত সমাবেশে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের মেঝ ছেলে চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মাহবুবুর রহমান রুহেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম উত্তরজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বড় ছেলে সাবেদুর রহমান সমু, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক একেএম জাহাঙ্গীর ভূইয়া প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, উপজেলার ১৪ নম্বর হাইতকান্দি ইউনিয়নের কমর আলী উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন দুই একর জমিতে প্রতিষ্ঠা পেতে যাচ্ছে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন কলেজ। এটির ভবন নির্মাণ থেকে শুরু করে সমস্ত খরচ নির্বাহ করবে মোশাররফ হোসেন পরিবার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এস রহমান ট্রাস্ট। দেশে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের নামে প্রতিষ্ঠিত এটিই প্রথম প্রতিষ্ঠান। এর আগে ১৯৫৯ সালে তাঁর বাবা মরহুম সৈয়দুর রহমান উপজেলার ধূম ইউনিয়নে প্রতিষ্ঠা করেন এফ রহমান স্কুল। যা পরবর্তীতে কলেজে রূপান্তর করেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। ১৯৭৩ সালে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন নিজের মরহুমা মায়ের নামে প্রতিষ্ঠা করেন গোলকেরহাট পাঞ্জুমের নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। তাঁর বাবা এস রহমান প্রতিষ্ঠা করেন নিজামপুর সরকারি কলেজ। এছাড়া মিরসরাই কলেজ, বারইয়ারহাট কলেজ ও জোরারগঞ্জ মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠায় যুক্ত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। সর্বশেষ তিনি প্রতিষ্ঠা করেন মিরসরাই পৌরসভা এলাকায় এস রহমান আইডিয়াল স্কুল। বাঙালীর মহান মুক্তিসংগ্রামে অগ্রভাগে থেকে তিনি চট্টগ্রাম ১ নম্বর সেক্টরের সাব সেক্টর কমান্ডার হিসেবে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে মোট ৬বার তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দুই বার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতা সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ২০১৯ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…