খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৮৮২টি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করা হয়েছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মে, ২০২২, ৭:৪০ পূর্বাহ্ণ
৮৮২টি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করা হয়েছে

সারাদেশে ৮৮২টি অবৈধ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংক বন্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে রাজধানীতে ১৬৭টি।

রোববার (২৯ মে) সন্ধ্যায় অধিদপ্তরের এক হালনাগাদ তথ্যে বিষয়টি জানানো হয়।

এতে বলা হয়, তিন দিনের অভিযানে ঢাকায় ১৬৭টি, চট্টগ্রামে ২২৯টি, রাজশাহীতে ৭৮টি, রংপুরে ১৪টি, ময়মনসিংহে ৯৬টি, বরিশালে ৫৯টি, সিলেটে ৩৫টি এবং খুলনায় ২০৪টি অবৈধ হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করা হয়েছে।

এর আগে বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. বেলাল হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত ৫৩৮টি অবৈধ বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করা হয়েছ। অভিযান অব্যাহত রয়েছে, সংখ্যা বাড়তে পারে।

বেলাল হোসেন বলেন, অবৈধ ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোকে আমরা তিন দিন সময় দিয়েছিলাম। আজ শেষ সময়। তবে আমাদের অভিযান আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকবে। যাতে করে অনিবন্ধিত ও অনিয়মের দায়ে দণ্ডিত প্রতিষ্ঠানগুলো আবার গড়ে না ওঠে সেজন্য অভিযান চলমান রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।

গত ২৬ মে ডা. মো. বেলাল হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, দেশের সব অবৈধ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এই সময়ের পর নিবন্ধনহীন কোনো ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যারা সিদ্ধান্ত মানবে না, তাদের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবেন জানতে চাইলে সে সময় তিনি বলেন, যেসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেনি, সেগুলো অবৈধ। আমাদের বেঁধে দেওয়া সময়ের পর যদি নিবন্ধনহীন কেউ কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব। মূলত এরপরই অভিযান শুরু হয়।

গত ২৫ মে দেশের অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দেশের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর মনিটরিং ও সুপারভিশন বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। আলোচনা শেষে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সিদ্ধান্তগুলো হলো

১. আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দেশের অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বন্ধ করতে হবে। অনিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর বিরুদ্ধে এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। এ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।

২. যেসব প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন নিয়েছে কিন্তু নবায়ন করেনি, তাদের নিবন্ধন নবায়নের জন্য একটি সময়সীমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নবায়ন না করলে সেসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।

৩. বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে অপারেশন করার সময় অ্যানেসথেসিয়া দেওয়া ও ওটি অ্যাসিস্ট করার ক্ষেত্রে নিবন্ধিত ডাক্তার ছাড়া অন্যদের রাখা হলে সেসব প্রতিষ্ঠান ও জড়িতদের বিরুদ্ধে লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৪. যেসব প্রতিষ্ঠান নতুন নিবন্ধনের আবেদন করেছে তাদের লাইসেন্স দেওয়ার কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে হবে। লাইসেন্স পাওয়ার আগে এসব প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালাতে পারবে না।

উল্লেখ্য, অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী দেশে অনুমোদিত ও আবেদন করা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংখ্যা প্রায় ১১ হাজার।

Feb2

চসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
চসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালীর নাম চূড়ান্ত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগর জামায়াতের শূরা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে নগর শাখার সদস্যদের মতামত বিবেচনায় এনে তাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

নগর আমির নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহানসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, গতকাল নগরের দায়িত্বশীলদের সভা ছিল। সেখানে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান চট্টগ্রামের মেয়র প্রার্থী হিসেবে শামসুজ্জামান হেলালীর নাম ঘোষণা করেন। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি দলের পক্ষে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কাউন্সিলর পদের প্রার্থীর জন্য মহানগর কমিটি কাজ করছে। সেটি পরে ঘোষণা করা হবে।

শামসুজ্জামান হেলালী এর আগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শুলকবহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ আসন থেকেও জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের কাছে তিনি পরাজিত হন।

ভূমি ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
ভূমি ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ভূমি ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেবকের মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি। তিনি বলেন, ভূমির প্রকৃত মালিক সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় আপনাদের সর্বদা নিবেদিত থাকতে হবে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে ঢাকার সাতরাস্তায় অবস্থিত ভূমি ভবন পরিদর্শনে গিয়ে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ভূমি ভবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ ঘুরে দেখেন, যার মধ্যে রয়েছে ভূমি জাদুঘর, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং সেল, ভূমি সেবা কেন্দ্র এবং ভূমি সেবা কল সেন্টার। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের দৈনন্দিন কাজের খোঁজখবর নেন।

ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন দক্ষ, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব ভূমি সেবা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, কাজের গতিশীলতা বজায় রাখতে হবে এবং সব ধরনের আবেদন বা কাজ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। জনসেবার ক্ষেত্রে কোনোভাবেই দীর্ঘসূত্রতা কাম্য নয়।

শৃঙ্খলা ও দাপ্তরিক পরিবেশ রক্ষায় প্রতিমন্ত্রী কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়মিত ও যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। এ ছাড়া অফিসের অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতিও সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) ড. মো. মাহমুদ হাসান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন অনুবিভাগ) মো. এমদাদুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মো. আশ্রাফুল ইসলাম।

এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে বড় ধাক্কা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে বড় ধাক্কা

কারিগরি ত্রুটির কারণে এলএনজি সরবরাহকারী একটি ভাসমান টার্মিনাল (এফএসআরইউ) বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশে গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এতে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস কম সরবরাহ হচ্ছে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার এক জরুরি নোটিশে সংস্থাটি জানায়, এই ঘাটতির প্রভাব পড়েছে গজারিয়া, মেঘনা ঘাট, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জসহ ঢাকার দক্ষিণাঞ্চলে। এসব এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় আবাসিক ও শিল্প গ্রাহকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।

তিতাস গ্যাসের ব্যবস্থাপক (মিডিয়া ও জনসংযোগ) মো. আল আমিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আরএলএনজি সরবরাহের একটি এফএসআরইউ কারিগরি ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এর ফলে তিতাস গ্যাসের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় স্বল্পচাপ বিরাজ করছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। তবে সমস্যা পুরোপুরি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত গ্যাসের চাপ স্বাভাবিক নাও থাকতে পারে।

এ অবস্থায় গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। বিশেষ করে শিল্পাঞ্চলগুলোতে উৎপাদনে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা, আর আবাসিক গ্রাহকরাও রান্নার কাজে বিঘ্নের শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।