খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় জমি ও ফ্ল্যাট মালিকদের সবার কালো টাকা আছে : অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুন, ২০২২, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
ঢাকায় জমি ও ফ্ল্যাট মালিকদের সবার কালো টাকা আছে : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ঢাকায় যাদের জমি ও ফ্ল্যাট আছে তারা সবাই কালো টাকার মালিক।

বুধবার (১৫ জুন) দুপুরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক ও ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকায় যাদের জায়গা-জমি-ফ্ল্যাট আছে তারা সবাই কালো টাকার মালিক। এজন্য সরকার দায়ী, আমাদের সিস্টেম দায়ী। যে জমি আজ গুলশান এলাকায় কেনা হবে সে জমি যে দামে রেজিস্ট্রেশন করবেন তারচেয়ে অনেক বেশি জমির প্রকৃত দাম। কিন্তু বেশি দামে তো রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন না। প্রত্যেকটা মৌজার জন্য দাম ঠিক করে দেওয়া আছে, এর বেশি দামে বিক্রি দেখানো যাবে না। সুতরাং কালো টাকা তো সেখানেই হয়ে আছে। কে কালো টাকার বাইরে আছে?

মন্ত্রী বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে যে ফ্ল্যাট ২ কোটি টাকায় নিবন্ধিত হচ্ছে সেই ফ্ল্যাটের দাম ১০ কোটি টাকা। ফলে সরকার বাড়তি রেজিস্ট্রেশন ফি পাচ্ছে না। এখানে নিবন্ধনে উল্লেখিত মূল্যের বাইরের টাকা হয়ে গেল কালো টাকা। এগুলো সবাইকে বুঝতে হবে। বাস্তবতার সঙ্গে মিল রেখে আলাপ-আলোচনা করলে সেটি বস্তুনিষ্ঠ হয়।

মুস্তফা কামাল বলেন, যখন কালো টাকা দেশে নিয়ে আসার চেষ্টা করি তখন বলা হচ্ছে ‘কালো টাকা সাদা করা’কে প্রশ্রয় দিচ্ছি। আমি বার বার বলি এটা ‘অপ্রদর্শিত’ টাকা, এখানে লাজ-লজ্জার কিছু নেই। সরকার নিজেই এজন্য দায়ী। আমিও এক সময় দায়িত্বে ছিলাম, দাম বাড়ানো যায় কি না দেখেছি, কিন্তু পারিনি।

তিনি বলেন, পাচার করা টাকা যখন আসবে, আমরা মনে করি তখন ওই টাকার একটি অংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ হবে; বিভিন্ন শিল্পকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগ হবে। এই প্রত্যাশায় আমরা সেদিকে নজর দিচ্ছি।

পাচার করা টাকা নিয়ে চাপে আছেন কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমি কোনোভাবে চাপে নেই। আমি যেটি বলেছি সেটি আমি করব। আমি অর্ধেক রাস্তা থেকে ফিরে আসি না। আমি যখন রেমিট্যান্সের ওপর প্রণোদনা দিয়েছি তখন অনেক সমালোচনা ছিল যে টাকা আসবে না, কিছু হবে না, টাকা পাচার হবে। কিন্তু এসেছে, শুধু আসেনি ঐতিহাসিক রেকর্ড হয়েছে। যেটা কখনোই সম্ভব হতো না সেরকম রেকর্ড আমরা করেছি।

Feb2

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি : অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র এক মাসের মধ্যে এই নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়ন করে প্রমাণ করেছে যে, নেতৃত্ব ঠিক থাকলে সব সম্ভব। ফ্যামিলি কার্ড একটি স্মার্ট কার্ড। ভবিষ্যতে জাতীয় সব সুযোগ-সুবিধা এই কার্ডের মাধ্যমে দেওয়া হবে। এছাড়া কৃষকদের কল্যাণে ১২ হাজার কোটি টাকার ঋণ মওকুফ এবং বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষি কার্ডের মতো আরও জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এয়ারপোর্ট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। প্রথম পর্যায়ে চট্টগ্রাম নগরের ৫ হাজার ৫৭৫ জন নারীর হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হয়েছে।

আমির খসরু বলেন, আমাদের সীমিত সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আমরা এই ঝুঁকি নিয়েছি। এই কার্ড বিতরণে কোনো দলীয়করণের সুযোগ রাখা হয়নি। সরকারি কর্মকর্তারা নির্দ্বিধায় ও স্বাধীনভাবে কাজ করে হতদরিদ্রদের খুঁজে বের করেছেন।

তিনি বলেন, পরিবারের নারী প্রধানকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ও আত্মবিশ্বাসী না করলে আগামীর বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়। বাংলাদেশের মহিলারা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পরিবারের সব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের এই সেবার যথাযথ মূল্যায়ন আগে কখনো হয়নি।

তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান ঘোষিত এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোকে মূল্যায়নের জন্য গৃহকর্তীদের বেছে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের অ্যাকাউন্টে সরাসরি ২ হাজার ৫০০ টাকা পৌঁছে যাচ্ছে, যা তাদের হাতে একটি অর্থনৈতিক শক্তি তৈরি করবে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ণ
তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ

জ্বালানি তেল নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান তেলের ডিপোগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) এক বার্তায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, জ্বালানি তেল বিপণনে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন ডিপো হতে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ডিলারদের আকস্মিক বর্ধিত চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানা যায়। ফলে জ্বালানি তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গায় প্রধান স্থাপনাসহ প্রধান প্রধান ডিপোগুলোতে অর্থাৎ খুলনা জেলার দৌলতপুর, সিরাজগঞ্জ জেলার বাঘাবাড়ি, নারায়ণগঞ্জ জেলার গোদনাইল ও ফতুল্লা, দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর এবং বরিশাল ডিপোতে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জ্বালানি তেল বিপণন কোম্পানি সূত্রে জানা যায়।

দেশের জ্বালানি তেলের ডিপোগুলো কেপিআইভুক্ত স্থাপনা হওয়ায় জরুরিভিত্তিতে এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিপণন কোম্পানিগুলোর উল্লিখিত স্থাপনার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন প্রয়োজন।

এমতাবস্থায়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিপণন কোম্পানিগুলোর চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গার প্রধান স্থাপনা, খুলনা জেলার দৌলতপুর, সিরাজগঞ্জ জেলার বাঘাবাড়ি, নারায়ণগঞ্জ জেলার গোদনাইল ও ফতুল্লা, দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর এবং বরিশাল ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

পোশাকের গায়ে ডাবল স্টিকার, জেন্টেল পার্ককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:২৮ অপরাহ্ণ
পোশাকের গায়ে ডাবল স্টিকার, জেন্টেল পার্ককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ এলাকার সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেটে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে চারটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর

সোমবার (৯ মার্চ) পরিচালিত এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ।

অভিযানে দেখা যায়, পোশাকের গায়ে ডাবল স্টিকার লাগিয়ে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করার অভিযোগে ‘জেন্টেল পার্ক’কে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া অন্য প্রতিষ্ঠানের তৈরি পোশাক নিজেদের উৎপাদিত বলে বিক্রি করায় ‘শৈল্পিক’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এ ছাড়া নিষিদ্ধ ও অননুমোদিত প্রসাধনী বিক্রির দায়ে ‘ইন্টার লিঙ্ক কসমেটিক’কে ৫ হাজার টাকা এবং একই অপরাধে ‘আর বি কালেকশন’কে আরও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানের সময় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আনিছুর রহমান, মাহমুদা আক্তার ও রানা দেবনাথ উপস্থিত ছিলেন। জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।