খুঁজুন
, ,

জোরারগঞ্জ-আবুরহাট সড়ক সংস্কারে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 16 June, 2022, 3:54 pm
জোরারগঞ্জ-আবুরহাট সড়ক সংস্কারে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগ

মিরসরাই প্রতিনিধিঃ মিরসরাই উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার অন্তর্গত জোরারগঞ্জ-আবুরহাট সড়ক সংস্কারে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে সংস্কার কাছে নিয়োজিত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কালাম এন্টারপ্রাইজের বিরুদ্ধে।

নিন্মমানের সামগ্রীদিয়ে যেনতেন ভাবে সড়ক নির্মানের প্রতিবাদে ক্ষোভে ফুসে উঠছে এলাকাবাসি। নিন্মমানের খোয়া, ইট, বালি ব্যবহার করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে টনক নড়েছে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের।

সংস্কার কাজের পরিদর্শন করে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের সাইড় ইঞ্জিনিয়ার মাকসুদ জানান, অভিযোগের প্রেক্ষিতে উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ ক্রমে সংস্কার কর্যক্রম পরিদর্শন সম্পন্ন করেছি। পরিদর্শন কালিন সংস্কার কাজে কিছু অনিয়ম নজরে এসেছে। নিন্মমানে সামগ্রী ব্যবহার হয়েছে বেশ কিছু স্থানে। সড়কের এজিমও নিয়ম অনুযায়ী স্থাপন করা হয়নি। সেটিও পুন স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে। এছাড়া সড়কে ব্যবহৃত নিন্মমানের খোয়া পরীক্ষার জন্য ল্যাবে প্রেরণ করা হয়েছে। ল্যাবের পরীক্ষায় যদি মেগাডোম (সড়কে ব্যবহৃত ইটের টুকরো বা খোয়া) এর মান অথ্যাৎ লস অ্যাঞ্জেল এভ্রিয়েশন টেষ্ট ভ্যালু বা ইটের খোয়ার কাঠিণ্যতা ও ক্ষয়ের মান পরীক্ষার ফলাফল ৪০ পাওয়া না যায় তাহলে পুনরায় নতুন খোয়া সরবরাহ করতে হবে। সেব্যাপারে ও ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠানকে ছিঠি দেওয়া হয়েছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জোরারগঞ্জ থেকে আবুরহাট সড়কটির ৫ দশমিক ১ কিলোমিটার জুড়ে সংস্কারের কাজ চলছে। জোরারগঞ্জ বাজারের দক্ষিণ অংশ থেকে পশ্চিমে একটু অগ্রসহ হলেই কাজের ব্যাস্ততা চোখে পড়ে যে কারো। শ্রমিকরা কেউ রাস্তার অত্যান্ত নিন্ম মানের খোয়া দিচ্ছে তার উপর রোলার দিয়ে সমান করা হচ্ছে। কিছু শ্রমিক রোলার চাপা অংশে নিন্ম মানের বেলে দোঁয়াশ অপরিচ্ছন্ন মাটি ছিটাচ্ছে।

সংস্কার কাজে নিয়োজিত শ্রমিক, রোলার চালক ও শ্রমিকদের সুফারভাইজারের কাছে জানতে চাইলে নিন্মমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ চলছে স্বীকার করে জানান, প্রায় সড়কে একি ধরণের কাজ হয়। তারা কাজের মালিক কাজ করেন। নিন্মমানের সামগ্রী এনে দিলেও তাদের কিছুই করার থাকেনা। এব্যাপারে তাদের করার কিছুই নেই। অত্যান্ত নিন্ম মানের খোয়া সংস্কার কাজে ব্যাবহারের ফলে রোলার চাপার সাথে সাথে বালি হয়ে সড়কে মিশে যাচ্ছে। যা দেখে মনে হচেছ সড়কে ব্যবহৃত খোয়া যেন পাহাড়ি লাল মাটি ছাড়া আর কিছুই নয়। এছাড়া সড়কে ব্যবহৃত মেগাডোমের স্তরের পুরুত্বও এক এক স্থানে এক এক রকম। পুরাতন মেগাডোম ও নতুন মেগাডোম মিলে ৬ ইঞ্চি হওয়ার কথা থাকলেও কোথাও সাড়ে ৩ইঞ্চি আবার কোথাও মাত্র ৩ইঞ্চি।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কালাম এন্টার প্রাইজের স্বাত্বাধীকারী নুরুল হক মিজান নিন্মমানের সামগ্রী দিয়ে সংস্কার কাজ করার কথা স্বীকার করে বলেন, ভাই আমি যাদের কাছ থেকে নির্মান সামগ্রী ক্রয় করেছি তারা নিন্ম মানের কিছু সামগ্রী সরবরাহ করেছে আমার অনুপস্থিতিতে। উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ার এসে সেম্পল নিয়ে গেছে, আমাকে নোটিশ করেছে। আমি এখন বেকায়দায় আছি আমাকে একটু সহযোগীতা করুন।

উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী রনী শাহা তার বক্তব্যে জানান, সড়কটির সংস্কার কাজে নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহারের তত্যতা পাওয়া গেছে। আমরা নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে প্রেরণ করেছি। ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠান খারাপ কাজ করে পার পাওয়ার সুযোগ নেই। তাকে নোটিশ করা হয়েছে। নিন্মমানের সামগ্রী পরিহার করে ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী কাজ বুঝিয়ে দিতে হবে। অন্যথায় তার বিল কর্তন ও লাইসেন্স বাতিল সহ শাস্তি মূলক ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Feb2
Feb2

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:38 pm
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

পাহাড় ধসের ঝুঁকি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে সরকারি খাসজমি ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবহার করা যায় কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।

নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও বন উজাড়ের কারণে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হলে এর বিরূপ প্রভাব পড়বেই।

বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুদ রয়েছে। সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সম্ভাব্য রোগব্যাধি প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে। কৃষি উৎপাদন পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিশু খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী শিশু খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির সংকট মোকাবিলায় পানি পরিশোধন যন্ত্র ও বোতলজাত পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় বন্যাকবলিত জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

প্রত্যন্ত এলাকাতেও ত্রাণ পৌঁছাতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:26 pm
প্রত্যন্ত এলাকাতেও ত্রাণ পৌঁছাতে সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং ত্রাণ কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে প্রশাসনের পাশাপাশি কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলের দুর্গত মানুষও যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে দুর্যোগ পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, গত পাঁচ দিন ধরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলার দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই দায়িত্বের অংশ হিসেবে তিনি চট্টগ্রামে এসে প্রশাসনের সঙ্গে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। পরিস্থিতির উন্নতি হলে ধাপে ধাপে পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এরইমধ্যে চট্টগ্রাম জেলার সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। আগের দিন দীর্ঘ সময় ধরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুর্যোগ পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি এবং ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে।

ত্রাণ কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি বলেন, যেখানে প্রয়োজন, সেখানে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতেও সহায়তা পৌঁছে দিতে কোস্ট গার্ড, বিজিবি, আনসার এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা সমন্বিতভাবে কাজ করছেন।

তিনি আরও জানান, দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাগুলোতে ত্রাণের পরিমাণ আরও বাড়ানো হচ্ছে। কোনো দুর্গত মানুষ যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনর্গঠন কার্যক্রমও আরও জোরদার করা হবে।

যুবদল নেতা ইকবাল হোসেন’র পরিবারের পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 3:21 pm
যুবদল নেতা ইকবাল হোসেন’র পরিবারের পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন এর পরিবারের পক্ষ থেকে উত্তর পতেঙ্গা সি ইউনিট বিএনপি নেতা হাজী ইলিয়াছ হোসেন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিবৃষ্টির কারণে পানি বন্দি পরিবার এর মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

ইকবাল হোসেন পানিবন্দি মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং মাইজপাড় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নিয়েছি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উত্তর মাইজপাড়া ৪১ নং এবং ৪০ নং ওর্য়াড় মাইজপাড়া এলাকার ২০০ পরিবারের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

এ সময় নেতৃবৃন্দরাসহ এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।