খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আবারও চবি ছাত্রীকে চলন্ত বাসে যৌন হয়রানি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:২৩ অপরাহ্ণ
আবারও চবি ছাত্রীকে চলন্ত বাসে যৌন হয়রানি

আবারও চলন্ত বাসে ‘যৌন হয়রানির’ শিকার হয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) একছাত্রী। অভিযুক্ত বাসযাত্রীকে ধরে পুলিশে দিয়েছেন তার সহপাঠীরা। আটক মো. মানিক মিয়া (৩২) হাটহাজারী উপজেলার মন্দাকিনি এলাকার বাসিন্দা।

রোববার সকালে ব্যবস্থাপনা বিভাগের ওই ছাত্রী বাসা থেকে ক্যাম্পাসে আসার সময় এক নম্বর গেইট এলাকায় লোকাল বাসে যৌন হয়রানির শিকার হন।

ওই ছাত্রী মুরাদপুর থেকে তিন নম্বর বাসে (লোকাল বাস) করে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছিল। বাসে পেছনের আসনে বসা এক যাত্রী তাকে যৌন হয়রানি করলে তিনি প্রতিবাদ করেন।

এর আগে গত ২৭ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়। তবে চিৎকার দিয়ে রক্ষা পান ওই ছাত্রী। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে জড়িতদের আটক করে পুলিশ।

ভুক্তভোগী ছাত্রী বলেন, ‘সকাল ৯টার দিকে নগরীর মুরাদপুর থেকে ৩ নম্বর বাসে উঠেছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য। পেছন থেকে দ্বিতীয় সিটে জানালার পাশে বসেছিলাম সঙ্গে আমার বান্ধবীও ছিল। হঠাৎ ওই লোক আমাদেরকে দেখে আমাদের পেছনের আসনে বসে। প্রথম থেকে সে আমার গায়ে হাত লাগানোর চেষ্টা করছিল। আমি প্রথমে ভেবেছিলাম বাসের কোনও জিনিস গায়ে লাগছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের কাছে একটা যায়গায় আসলে সে আমার শরীরে হাত দেয়। এরপর আমি চিৎকার করে উঠলে আমার বন্ধুরা তাকে ধরে ফেলে। পরে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।’

বাসটিতে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মনিরুজ্জামান বাবু বলেন, ‘আমি একদম পেছনের সিটে বসে ছিলাম। হঠাৎ একটা মেয়ে চিৎকার দিয়ে উঠেছে। ওই দিকে তাকাতেই দেখি মেয়েটার গায়ে পেছন থেকে একজন হাত দিয়েছে। তখন তাকে আমরা ধরে পুলিশ বক্সে দিই।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর এস. এম. মনিরুল হাসান বলেন, ‘আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোপত্রটি পুলিশের কাছে পাঠিয়েছি। এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলেছি।’

হাটহাজারি থানার ভ্ররপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ আলম বলেন, ‘কয়েকজন শিক্ষার্থী একজনকে ধরে আমাদের কাছে আনে। আমরা তাকে থানাতে রেখেছি। অভিযোগ পত্র পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেব। ’

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…