খুঁজুন
শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাটহাজারীতেও দুর্গাপুজা উপলক্ষে প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত মৃৎ শিল্পীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
হাটহাজারীতেও দুর্গাপুজা উপলক্ষে প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত মৃৎ শিল্পীরা

-হাটহাজারী

সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গোৎসব আগামী ৩ অক্টোবর সায়ংকালে শ্রী শ্রী দূর্গাদেবী বোধনের মাধ্যমে পুজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। জগৎ জননী দশভূজা মা দূর্গা প্রতিবছর এসময়ে শক্তি,ভক্তি, শান্তি ও মুক্তির অধিষ্ঠ্যত্রী দেবী চন্ডিকা সকল প্রকার অনাচার ও অভিচার, জরাজীর্ণতা দূর করার প্রয়াসে সর্বোপরী আশুর ও অশুভশক্তির বিনাস কল্পে ধরাধামে নেমে আসে।

আসন্ন পুজা উৎসবকে কেন্দ্রে করে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার বিভিন্ন পুজা মন্ডপে প্রতিমা তৈরীতে ব্যস্ত সময় কাটাছেন মৃৎ শিল্পীরা। বিভিন্ন মন্দিরে প্রতিযোগীতা মূলক ভাবে প্রতিমা তৈরীতে আধুনিকতার ছাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে কিছু কিছু মন্ডপে মৃৎ শিল্পীদের তৈরি করা মজুদ প্রতিমা ক্রয় করে মন্ডপে পূজার জন্য আনার উদ্যেগ চলছে। এজন্য পূজা মন্ডপ সাজানো, তৈরির কাজ ও চলছে পুরোদমে।

উপজেলা কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আওতাধীন ১৪ টি ইউনিয়ন, ১ টি পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশনের ১ নং ওয়ার্ডে মোট ১১৯ টি পূজা মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

১নং ফরহাদাবাদ ইউনিয়নে ৬ টি, ধলই ইউনিয়নে ১৫ টি, মির্জাপুর ইউনিয়নে ১২ টি, গুমানমর্দ্দন ও নাঙ্গলমোড়া ইউনিয়নে ১টি করে ২টি করে, হাটহাজারী পৌরসভার ৯ টি, মেখল ইউনিয়নে ১১ টি, ফতেপুর ইউনিয়নে ৩টি, চিকনদন্ডী ইউনিয়নে ২৭ টি, উত্তর ও দক্ষিণ মাদার্শা ইউনিয়নে ৪টি করে ৮ টি করে, শিকারপুর ইউনিয়নে ৮টি, বুড়িশ্চর ইউনিয়নে ৬টি ও চট্টগ্রাম সিটিকর্পোরেশনের ১নং ওয়ার্ডে ১২ টি পূজা মন্ডপে পূজার আয়োজন চলছে।

এ ব্যাপারে হাটহাজারী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি লিটন মহাজন জানান, পূজা মন্ডপে আনন্দঘন পরিবেশে চলছে কারিগরদের শিল্প নৈপূন্য। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মৃৎ শিল্পীরা এসে প্রতিমা তৈরি করছেন উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপে। মৃৎ শিল্পী কম থাকায় একজন শিল্পী বেশ কয়টি মন্ডপে প্রতিমা তৈরি করছে। তাছাড়া এবার প্রতিমা তৈরীর মজুরী ও গত বারের তুলনায় অনেক বেশী। তিনি বলেন এসব পুজা মণ্ডপের বিভিন্ন বিষয় সার্বিক তদারকি করছেন হাটহাজারী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক বাবলু দাশ।

এদিকে দূর্গাপুজাকে কেন্দ্র করে সনাতন সম্প্রাদায়ের লোকজন পুজার উপকরণসহ বাড়িঘর সাজানোর জন্য নানা জিনিসপত্র ক্রয়ের জন্য উপজেলার আওতাধীন বিভিন্ন হাট বাজারের দোকান ও মার্কেটে ভীড় করছে।

তাছাড়া পুজার জন্য নতুন পোষাক ও ক্রয় করছে অনেকেই। অপেক্ষাকৃত বয়োজেষ্টরা নতুন পরিধেয় ক্রয় না করলেও ছোটদের আনন্দের জন্য তাদের খুশি রাখতে নতুন জামা কাপড় কিনে দিচ্ছে।

ব্যাবসায়ীরা বিভিন্ন দোকান পাট ও মার্কেটে বিক্রির উদ্দেশ্যে নতুন নতুন পোষাক এনে সাজিয়েছে। ইতিমধ্যে শান্তিপূর্ণ ভাবে পূজা অনুষ্ঠানের জন্য কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে আইনশৃংঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা থানা মিলনায়তনে মতবিনিময় করেছেন বলে জানিয়েছেন উপজেলা কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি এড. সুমন কান্তি আচার্য ও সাধারণ সম্পাদক নয়ন চৌধুরী।

আরো : দুর্গাপুজা আসন্ন, সীতাকুণ্ডের পাড়া-মহল্লায় সাঁজ-সাঁজ রব

আরো : রাউজানে ২৩২ মণ্ডপে দুর্গাপুজার প্রস্তুতি, প্রতিমায় রং-তুলির প্রলেপ

Feb2

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সপরিবারে সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের সপরিবারে সাক্ষাৎ

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রায় ২ ঘণ্টা সাক্ষাৎ শেষে গুলশানের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে গেলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৯টা ১১ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা সরকারি বাসভবন যমুনা ত্যাগ করেন তারেক রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা।

এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে বের হয়ে বাসভবনে যান তিনি। বাসভবনে ৬টা ৪৭ মিনিটে প্রবেশ করে ৬টা ৫২ মিনিটে সেখান থেকে বেরিয়ে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বাসে করে যমুনার উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান।

বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে প্রথমবাোরের মতো তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। তারেক রহমানের সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এই দীর্ঘ সময় তাদের মধ্যকার আলোচনা বিষয়ে বিএনপি কিংবা সরকারের প্রেস উইং থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে রাত ৯টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত কিছু জানানো হয়নি।

গত ২৫ ডিসেম্বর ১৭ বছর পর দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমেই ফোনে প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। দেশে আসার ২১ দিন পর আজ প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে দেখা করতে এলেন তিনি। যদিও এরমধ্যে গত ৩১ ডিসেম্বর প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় সাক্ষাৎ হয় ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের।

এর আগে গত বছর ১৩ জুন লন্ডনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই বৈঠক শেষে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ বিবৃতি দিয়েছিলেন। সেখান থেকেই মূলত বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হয়।

১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ
১১ দলের আসন সমঝোতা: ১৭৯ আসনে জামায়াত, ৩০ আসনে এনসিপি

নানা জল্পনা-কল্পনা শেষে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের আসন ঘোষণা করলেও এখনও পর্যন্ত মীমাংসা হয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জোটে অংশগ্রহণ।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলভিত্তিক আসনসংখ্যা ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় জোট। তবে এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়নি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি।

সংবাদ সম্মেলন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, আসন্ন নির্বাচন হবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এর আগে এতগুলো দল মিলে এতবড় জোট গঠন হয়নি। আজকের এই ঐক্য একটি মডেল হিসেবে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে।

‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ জোটের হয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৭৯টি আসনে প্রার্থী দিবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে জন্ম নেওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি আসনে প্রার্থী দিবে। এছাড়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি আসনে প্রার্থী দিবে।

জোটের অন্যান্য সঙ্গীদের মধ্যে, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ৩টি, বিডিপি ২টি, নেজামে ইসলাম ২টি আসনে প্রার্থী দিবে। বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) জোটে থাকলেও তাদের আসন কতটি সে বিষয়টি জানাননি ড. তাহের।

এছাড়া, এই জোটের বহুল আলোচিত দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জন্য ৫০টি আসন রেখে দিয়েছে ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’।

এদিকে, ১৬ জানুয়ারি বিকাল ০৩:০০ টায় ‘নির্বাচনী সমঝোতা বিষয়ে’ সংবাদ সম্মেলন করা হবে বলে জানিয়েছে প্রেস ব্রিফিং করবে বলে জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

শর্ত সাপেক্ষে আগামীকাল থেকেই খেলায় ফিরতে রাজি ক্রিকেটাররা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
শর্ত সাপেক্ষে আগামীকাল থেকেই খেলায় ফিরতে রাজি ক্রিকেটাররা

সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটের অবস্থান থেকে সরে এসেছে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। আগামীকাল শুক্রবার থেকেই ক্রিকেটে ফিরতে চায় তারা। তবে এ জন্য কিছু শর্ত দিয়েছে সংগঠনটি।

আজ থেকে বিপিএলের ঢাকা পর্বের খেলা শুরুর কথা ছিল। তবে কোয়াবের পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ‘সব ধরনের ক্রিকেট বয়কটে’র অংশ হিসেবে আজ বিপিএলের ম্যাচও বয়কট করেছেন তারা। ফলে বিপিএলে আজকের দুটি ম্যাচই স্থগিত হয়। তবে দিন শেষে ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা শেষে ক্রিকেটে ফেরার ইচ্ছার কথা জানায় কোয়াব।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, নারী বিশ্বকাপ বাছাই ও চলমান অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ও বিপিএলের কথা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে কোয়াব। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কোয়াব বলেছে, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেটের চলমান জটিলতা নিয়ে আমাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে। আমরা ক্রিকেটাররা আলোচনা করে উপলব্ধি করতে পেরেছি, আমাদের নারী জাতীয় দল এখন এখন বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে খেলছে নেপালে, ছেলেদের জাতীয় দলের সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ছেলেদের অনূর্ধ্ব-১৯ দল দল এখন বিশ্বকাপে আছে, সব ধরনের খেলা বন্ধ করার প্রভাব এই দলগুলির ওপর পড়তে পারে। বিপিএলকেও আমরা খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে আমরা তাই আমাদের আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেছি।’

নাজমুলকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে কোয়াব বলেছে, ‘বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটি থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। যেহেতু তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং তার পরিচালক পদ নিয়ে প্রক্রিয়াগত কারণে যেহেতু বিসিবি সময় চেয়েছে, সেই সময়টুকু আমরা দিতে চাই। তবে আশা করব, সেই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে।’

‘পাশাপাশি, পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম যেহেতু প্রকাশ্যে ক্রিকেটারদের নিয়ে অপমানজনক কথা বলেছেন, তিনি প্রকাশ্যেই ক্ষমা চাইবেন বলে আমরা আশা করি। বিসিবিকে আমরা জানিয়ে দিয়েছি, তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলে ও তার পরিচালক পদ নিয়ে প্রক্রিয়া চলমান থাকলে আমরা শুক্রবার থেকেই খেলায় ফিরতে প্রস্তুত।’