খুঁজুন
, ,

ইউএনও কাপ ২০১৯ বিজয়ী সোনারপাড়া বাছাই একাদশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 13 December, 2019, 9:11 pm
ইউএনও কাপ ২০১৯ বিজয়ী সোনারপাড়া বাছাই একাদশ

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের আয়োজনে ‘ইউএনও ফুটবল কাপ ২০১৯’ বিজয়ী হয়েছে সোনারপাড়া বাছাই একাদশ।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এর সহযোগিতায় শুক্রবার বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় সফলভাবে শেষ হয়েছে এই আয়োজন।

উখিয়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন থেকে ১০ টি দল এই টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছিল। সর্বশেষ শুক্রবার ফাইনাল ম্যাচে সোনারপাড়া বাছাই একাদশ ১-০ গোলে পাতাবাড়ি শৈলেরঢেবা বাছাই একাদশকে পরাজিত করে ইউএনও কাপ ২০১৯ জিতল।

উখিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এই ফুটবল প্রতিযোগিতা।

২০১৭ সালের আগস্ট থেকে পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ শরণার্থী জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়া উখিয়ার বাসিন্দাদের মধ্যে সামাজিক সংহতি এবং যুবসমাজকে নেতৃত্বদানে উৎসাহিত করতে সরকারের স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে। আইওএম-এর সহযোগী সংস্থা অ্যাকশন এইড বাংলাদেশও সহযোগীতা করে এই আয়োজনে।

উখিয়ার ইউএনও মোঃ নিকারুজ্জামান সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের বিজয়ী এবং রানার আপ দলের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উখিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক হামিদুল হক চৌধুরী, রত্নপালং, হলদিপালং, রাজালং, পালংখালী ও জলিয়াপাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ এবং সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আইওএম ও এর সহযোগী সংস্থা অ্যাকশন এইড বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইউএনও মোঃ নিকারুজ্জামান বলেন: “সামাজিক সংহতি এবং যুবসমাজকে নেতৃত্বদানে উৎসাহিত করতে উপজেলা প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট এবং এমন আয়োজন ভবিষ্যতে আরো হবে।”

উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দর্শকদের পাশাপাশি সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া ইউএনও কার্যালয়, আইওএম এবং অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের প্রতিনিধিবৃন্দ।

বিজয়ী দলটি ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের সাথে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে বলে জানান আয়োজকবৃন্দ।

আইওএম বাংলাদেশে মিশনের উপ-প্রধান ম্যানুয়েল পেরেইরা বলেন: “আইওএম এই উদ্যোগে যোগ দিতে পেরে খুব আনন্দিত এবং এমন আরও আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় যুবকদের সাথে থাকতে চায়। একটি বুদ্ধিমান শরীর ও একটি বুদ্ধিমান মন একটি সুস্থ এবং সংহতিশীল সম্প্রদায়ের স্তম্ভ এবং এই ফুটবল টুর্নামেন্টটি এমন সম্প্রদায়ে অবদান রাখার বাহন হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছে।”

এই টুর্নামেন্টটি উখিয়ার যুব সমাজের উৎসাহ দিয়েছে এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীরাও বিনোদিত হয়েছে। এ ধরণের আয়োজন আরও করা দরকার বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

সোনারপাড়া বাছাই একাদশ-এর অধিনায়ক মাহমুদ রাশেদ বলেনঃ “বহুল প্রতীক্ষিত এই টুর্নামেন্টের জন্য উখিয়া ইউএনও কার্যালয়কে ধন্যবাদ। ভবিষ্যতে আমরা কক্সবাজারের উখিয়া এবং টেকনাফে এ ধরণের আরও আয়োজন দেখতে চাই যার মাধ্যমে যুবসমাজের মধ্যে নেতৃত্বগুণ এর মত নানা সামাজিক গুণাবলির প্রসার ঘটবে।“

এর আগে, গত ২৫ নভেম্বর কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, আইওএম এবং অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।