খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদত্যাগ করেছেন বশেমুরবিপ্রবি’র ভিসি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
পদত্যাগ করেছেন বশেমুরবিপ্রবি’র ভিসি

.jpg

অবশেষে পদত্যাগ করলেন গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসির উদ্দিন।

সোমবার দুপুরের পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবদুল্লাহ আল হাসান চৌধুরীর কাছে সাদা কাগজে লিখিত পদত্যাগপত্রটি জমা দেন। পরে সেটি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, সোমবার বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা উপমন্ত্রী এবং মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব ব্যস্ত ছিলেন। অতিরিক্ত সচিব পদত্যাগপত্রটি সেখানে নিয়ে যান এবং মন্ত্রীর হাতে তুলে দেন। এর আগে পদত্যাগের বিষয়ে মন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও সিনিয়র সচিবের সঙ্গে ভিসি মৌখিকভাবে আলোচনা করেন বলে জানা গেছে।

ডা. দীপু মনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্ত প্রতিবেদন আমরা ইতিমধ্যে হাতে পেয়েছি। আলোচনা মাধ্যমে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ‘তিনি (ভিসি) আর থাকতে চাচ্ছেন না। তদন্ত প্রতিবেদন আমরা পর্যালোচনা করছি।’

এর আগে বশেমুরবিপ্রবি উপাচার্য প্রত্যাহার করার সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্ত কমিটি।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে নানা অভিযোগে উপাচার্য নাসির উদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নামে শিক্ষার্থীরা। এরমধ্যে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে আন্দোলন আরো জোরালো হয়। তারা উপচার্য পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়।

পরে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ইউজিসির একটি প্রতিনিধি দল বিশ্ববিদ্যালয় সরেজমিন তদন্ত করে। ইউজিসির পাঁচ সদস্যের গঠিত কমিটি ভিসির বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদনটি রবিবার সংস্থার চেয়ারম্যানের কাছে জমা দেয়। পরে সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে ভিসির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণ হয়েছে উল্লেখ করা হয়।

একই সঙ্গে তিনি সুষ্ঠুভাবে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করতে যোগ্য নয়, তাই তাকে উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এছাড়াও দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তার বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ করে এই কমিটি।

Feb2

ডাকাতি নয়, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে নওগাঁয় চার খুন : পুলিশ সুপার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
ডাকাতি নয়, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে নওগাঁয় চার খুন : পুলিশ সুপার

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ড ডাকাতি নয়, জমিজমা সংক্রান্ত জেরে হয়েছে বলে জানিয়েছেন নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিলি) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

এদিকে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা ও হালিমা এবং ভাগনে সবুজ রানা (২৫)।

পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিকভাবে এ হত্যাকাণ্ড কোনো ডাকাতি বা দস্যুতা ওই রকম ঘটনা মনে হচ্ছে না। ঘটনাটি পরিবার সংক্রান্ত বা জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হতে পারে। যে গৃহবধূ মারা গেছে তার কানে এখনো গহনা (দুল) রয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট একযোগে কাজ করছে। দ্রুতই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করা হবে।

এর আগে সোমবার (২০ এপ্রিল) মধ্যরাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতরা হলেন- উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২), তার স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং তিন বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতের কোনো এক সময় বাড়ির ভেতরেই পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। ফজরের নামাজের পর দরজা খোলা দেখে প্রতিবেশীরা ভেতরে ঢুকলে তাদের মরদেহ দেখতে পান। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে হাবিবুর রহমানের বোন শিরিনার সঙ্গে পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছিল। এ নিয়ে আগেও তাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন অভিযোগ করেন, তার মেয়ের ননদ শিরিনা ও তার ছেলে সবুজ রানা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। এর আগেও তারা তার মেয়ে ও জামাইকে হত্যার চেষ্টা করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

চসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
চসিক নির্বাচনে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালী

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালীর নাম চূড়ান্ত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নগর জামায়াতের শূরা বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে নগর শাখার সদস্যদের মতামত বিবেচনায় এনে তাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

নগর আমির নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহানসহ দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

নগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, গতকাল নগরের দায়িত্বশীলদের সভা ছিল। সেখানে কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ শাহজাহান চট্টগ্রামের মেয়র প্রার্থী হিসেবে শামসুজ্জামান হেলালীর নাম ঘোষণা করেন। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি দলের পক্ষে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কাউন্সিলর পদের প্রার্থীর জন্য মহানগর কমিটি কাজ করছে। সেটি পরে ঘোষণা করা হবে।

শামসুজ্জামান হেলালী এর আগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের শুলকবহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ আসন থেকেও জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাঈদ আল নোমানের কাছে তিনি পরাজিত হন।

ভূমি ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
ভূমি ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ভূমি ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেবকের মানসিকতা নিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি। তিনি বলেন, ভূমির প্রকৃত মালিক সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় আপনাদের সর্বদা নিবেদিত থাকতে হবে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকালে ঢাকার সাতরাস্তায় অবস্থিত ভূমি ভবন পরিদর্শনে গিয়ে উপস্থিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী ভূমি ভবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ ঘুরে দেখেন, যার মধ্যে রয়েছে ভূমি জাদুঘর, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মনিটরিং সেল, ভূমি সেবা কেন্দ্র এবং ভূমি সেবা কল সেন্টার। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের দৈনন্দিন কাজের খোঁজখবর নেন।

ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন দক্ষ, স্বচ্ছ এবং জনবান্ধব ভূমি সেবা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, কাজের গতিশীলতা বজায় রাখতে হবে এবং সব ধরনের আবেদন বা কাজ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। জনসেবার ক্ষেত্রে কোনোভাবেই দীর্ঘসূত্রতা কাম্য নয়।

শৃঙ্খলা ও দাপ্তরিক পরিবেশ রক্ষায় প্রতিমন্ত্রী কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, প্রতিটি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিয়মিত ও যথাসময়ে অফিসে উপস্থিত থাকতে হবে। এ ছাড়া অফিসের অভ্যন্তরীণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতিও সকলকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) ড. মো. মাহমুদ হাসান, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন অনুবিভাগ) মো. এমদাদুল হক চৌধুরী এবং প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব) মো. আশ্রাফুল ইসলাম।