খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরের সম্পদ আত্মসাৎকারীর তওবা কবুল হবার পূর্বশর্ত হল আগে যার হক্ব তাকে ফিরিয়ে দেওয়া

হাটহাজারীতে বিশাল সুন্নি সম্মেলনে আল্লামা তাহের শাহ্

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২২, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
হাটহাজারীতে বিশাল সুন্নি সম্মেলনে আল্লামা তাহের শাহ্
হাটহাজারী পার্বতী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ময়দানে আজ ১৫ অক্টোবর (শনিবার) সকাল ১০ টা হতে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ হাটহাজারী উপজেলা (পশ্চিম) পরিষদের ব্যবস্থাপনায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদযাপন উপলক্ষে বিশাল সুন্নি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি আওলাদে রাসুল (দ.) আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ্ (মাজিআ) ত্বরিকতে নবদীক্ষিতদের উদ্দেশ্যে বলেন, তওবা করার কারণে জীবনের সব গুনাহ্ মাফ হয়ে যায়, কিন্তু পরের হক্বের বিষয়ে মাফ নাই। কারো সম্পদ আত্মসাৎ করা হলে কিংবা কারো প্রতি জুলুম করা হলে, যার পাওনা তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে, কিংবা  মাফ চেয়ে নিতে হবে । মনে রাখতে হবে যতক্ষণ মজলুম বা পাওনাদার মাফ করে না দেবে ততক্ষণ আল্লাহপাকও ক্ষমা করবেন না। তিনি সবাইকে দ্বীনের খেদমত করার এবং ভ্রান্ত মতবাদ থেকে নিজেকে রক্ষার আহবান জানান। 
এতে প্রধান বক্তা ছিলেন-আওলাদে রাসুল (দ.), রাহনুমায়ে শরীয়ত ও পীরে ত্বরিকত, পীরে বাঙ্গাল হযরতুলহাজ্ব আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (মাদ্দাজিল্লুহুল আলী)। বিশেষ বক্তা ছিলেন আওলাদে রাসুল (দ.), হযরতুলহাজ্ব সাহেবজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাশেম শাহ (মাদ্দাজিল্লুহুল আলী)।
প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এম.পি-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধক ছিলেন মাননীয় শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।
বিশেষ অতিথি ছিলেন হাটহাজারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস,এম,রাশেদুল আলম, আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মহসিন, শায়খুল হাদিস আল্লামা সোলাইমান আনছারী, শায়খুল হাদীস আল্লামা কাজী মঈনুদ্দিন আশরাফী, মুহাদ্দিস আল্লামা আশরাফুজ্জামান আলকাদেরী, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান আলহাজ্ব পেয়ার মুহাম্মদ, যুগ্ম মহাসচিব-এডভোকেট মোছাহেব উদ্দীন বখতেয়ার, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় অর্থ সচিব মুহাম্মদ কমর উদ্দীন সবুর, চট্টগ্রাম মহানগর গাউসিয়া কমিটির সভাপতি তসকির আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক-আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি-আলহাজ্ব জমির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক-এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী,
সাংগঠনিক সম্পাদক-কামরুল ইসলাম চৌধুরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক-আহসান হাবীব চৌধুরী হাসান, অধ্যাপক সৈয়দ জালাল উদ্দীন আযহারী, অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল, উপাধ্যক্ষ-আল্লামা আবুল কাশেম মুহাম্মদ ফজলুল হক, অধ্যাপক জসিম উদ্দীন আযহারী, অধ্যক্ষ আল্লামা মুহাম্মদ তৈয়ব আলী, উপাধ্যক্ষ আল্লামা তৈয়ব খাঁন আলকারেদী, অধ্যাপক মুহাম্মদ সাইফ্দ্দুীন খালেদ চৌধুরী,
মাওলানা মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন কাদেরী, মাওলানা সৈয়দ হাসান আল আযহারী, রাজনীতিবীদ মুহাম্মদ ইউনুছ গণী চৌধুরী, মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম রাসেদ, শাহজাদা স.ম.এনাম প্রমুখ।
হাটহাজারী উপজেলা গাউছিয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সুন্নী সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা কাজী সৈয়দ মুহাম্মদ আবু সাঈদ এর সঞ্চালনায় সুন্নী সম্মেলনে বক্তাগণ বলেন, রাসুলে পাক (দ.) সমগ্র সৃষ্টিকুলের রহমত। তাই, ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)  সবার ঈদ, এমনকি সকল ঈদের সেরা ঈদ। জসনে জুলুস এ সেরা নির্মল আনন্দকে আরো বেশি আকর্ষণীয় এবং হৃদয়গ্রাহী করে তুলেছে। আর, বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বহু দেশে জসনে জুলুসের মত ইসলামি সংস্কৃতি প্রবর্তনসহ শত শত মাদরাসা প্রতিষ্ঠার জন্য দরবারে সিরিকোটের অবদান চিরস্মরণীয়।
এ দরবারের ‘কাম কর-দ্বীনকো বাঁচাও ‘ উপদেশটি আজ বাণী চিরন্তন হিসেবে স্বর্ণাক্ষরে লিখতে হবে।
কারণ, এমন নির্দেশনার প্রভাবে আজ এ সিলসিলাহর  মুরীদ-ভক্তরা দ্বীন রক্ষার মিশনকে তাদের প্রধান দায়িত্ব হিসেবে পালন করে যাচ্ছে, বিধায় সুন্নিয়ত চর্চা আজ দেশব্যাপি অব্যাহত রয়েছে।
শুধু তসবিহ্  নয়, বরং সেবাই আসল ত্বরিকত। আর, দ্বীনের সেবা তথা ঈমান-আক্বিদার সেবা হল সব সেবার উর্ধ্বে।  সুন্নী সম্মেলনে অতিথি ও আলোচক ছিলেন-আলহাজ্ব মুহাম্মদ হারুন সওদাগর, আলহাজ্ব মুহাম্মদ ইউনুছ, মাওলানা মুহাম্মদ আবুল কালাম শাহ্, এস.এম. রফিকুল হাসান, অধ্যাপক মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন, মাওলানা মুনিরুর রহমান খসরু, মুহাম্মদ রোকন উদ্দীন চৌধুরী, মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ আইয়ুব, মুহাম্মদ ইউসুফ, মুহাম্মদ আজিজুর রহমান চৌধুরী, মুহাম্মদ সেকান্দর মিয়া, মুহাম্মদ সেলিম রিয়াজ প্রমুখ।
২৪ঘণ্টা/জেআর
Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…