খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বোয়ালখালীতে সঞ্চয়ের টাকা পেতে অভিযোগ, তদন্তে সমবায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২২, ৮:০১ অপরাহ্ণ
বোয়ালখালীতে সঞ্চয়ের টাকা পেতে অভিযোগ, তদন্তে সমবায়

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার ধোরলা-কানুনগোপাড়া আর্বান কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডে সঞ্চয় করে সেই টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না গ্রাহকরা।

এ নিয়ে কয়েকজন গ্রাহক জেলা সমবায় কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তে নামে সমবায় অধিদপ্তর।

সোমবার (২৪ অক্টোবর) সকালে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা বখতেয়ার আলম ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আর্বান কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডে কার্যালয়ে পৌঁছালে খবর শতশত গ্রাহক জড়ো হন।

উপস্থিত গ্রাহকেরা তাদের সঞ্চয় ফেরত চাইলে কয়েকজন গ্রাহকের সঞ্চিত টাকা ফেরত দেন প্রতিষ্ঠানটির অর্থ সম্পাদক ও আমুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল দে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চয়ী টাকা উত্তোলনের জন্য দীর্ঘদিন ধর্না দিয়ে ছালেয়া বেগম, ডেজি আকতার ও রাবেয়া বেগম চট্টগ্রাম জেলা সমবায় কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।

তদন্ত চলাকালীন সময়ে কাজল দে আবার্ন কো-অপারেটিভ সোসাইটির লিমিটেডের সদস্য রিপা রক্ষিত ১০ হাজার, ছালেয়া বেগম ৩০ হাজার, রাবেয়া বেগম ২০ হাজার, মনি রক্ষিত ৭ হাজার, মঞ্জুশ্রী রক্ষিত ৪ হাজার, নমিতা রক্ষিত ৫ হাজার, শিল্পী ঘোষ ২০ হাজার, রাসেল দে ৩ হাজার, শোভা দাশ ২০ হাজার ও ডেজি আকতারকে ৫ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ ২৪ হাজার টাকা বুঝিয়ে দেন।

অন্যান্য গ্রাহকের টাকা পরবর্তী সময়ে প্রদানের আশ্বাস দেন কাজল দে।

টাকা পেয়ে ছালেয়া বেগম বলেন, লভ্যাংশ তো দূরের কথা সঞ্চয়ের ৭০ হাজার টাকার মধ্যে ৩০ হাজার টাকা পেয়েছি।

আরেক গ্রাহক রাবেয়া বেগম বলেন, সঞ্চয় করেছিলাম ৪২ হাজার ৭০৪ টাকা। আমাকে দেয়া হয়েছে ২০ হাজার টাকা। বাকি টাকা কবে দেবে বলেনি।

প্রতিষ্ঠানের অর্থ সম্পাদক ও আমুচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজল দে বলেন, আমি মাছ বিক্রি করে টাকা এনে দিয়েছি। গ্রাহক তো অনেক আছে। আমরা কয়েকজন গ্রাহককে টাকা দিয়েছি।

উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা বখতেয়ার আলম বলেন, অভিযোগকারিরা উপস্থিত হয়েছেন। তাদেরকে চেয়ারম্যান নিজের তহবিল থেকে আংশিক টাকা পরিশোধ করেছেন। তদন্ত এখনো চলমান আছে। তদন্ত শেষ হওয়ার পরে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে আমরা জেলা সমবায় কার্যালয়ে পাঠিয়ে দিব।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…