খুঁজুন
, ,

সার্বিয়াকে হারিয়ে ফেবারিটের মতোই বিশ্বকাপ শুরু করলো ব্রাজিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 25 November, 2022, 4:51 am
সার্বিয়াকে হারিয়ে ফেবারিটের মতোই বিশ্বকাপ শুরু করলো ব্রাজিল

প্রথমার্ধে ঠিক ব্রাজিলকে ‘ব্রাজিলে’র মতো খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না; কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে সমর্থকদের মন ভরিয়ে দিয়েছেন নেইমার-ভিনিসিয়ুস-রিচার্লিসনরা। দ্বিতীয়ার্ধের ব্রাজিলকে দেখেই মনে হলো এই দলটি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পারে। রিচার্লিসনের অসাধারণ জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে সার্বিয়াকে হারিয়ে ফেবারিটের মতোই বিশ্বকাপ শুরু করলো ৫ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।

শিরোপার অন্যতম দাবিদার ব্রাজিলকে প্রথমার্ধে গোল পেতে দেয়নি ইউরোপিয়ান দেশ সার্বিয়া। কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে প্রায় ৮৫ হাজার দর্শকের সামনে একের পর এক আক্রমণ করেও প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি সেলেসাওরা।

ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ১ নম্বর দল ব্রাজিল। ২১ নম্বরে সার্বিয়া। কাগজে-কলমে ব্যবধান স্পষ্ট। মাঠের খেলায় প্রথমার্ধে সেই ব্যবধান দেখাতে না পারলেও দ্বিতীয়ার্ধে ঠিকই ব্রাজিল দেখিয়েছে, তারা কতটা দুর্ধষ।

বল দখলের লড়াইয়ে ৫৯ ভাগ ছিল ব্রাজিলের, ৪১ ভাগ সার্বিয়ার। সার্বিয়ার জাল লক্ষ্যে ৯টি শট নিয়েছে ব্রাজিলিয়ানরা। যার ৮টিই ছিল লক্ষ্যে। সার্বিয়া নিয়েছে ৩টি। এর মধ্যে একটিও লক্ষ্যে ছিল না।

দ্বিতীয়ার্ধে সার্বিয়া খুব কমই বল পেয়েছে। সার্বদের ডিফেন্স ভেদ করে একের পর এ বল নিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে ব্রাজিলিয়ানরা। তবে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডাররাও ছিল তৎপর। ব্রাজিলের মুহুর্মুহু আক্রমণ প্রতিরোধ করেছে তারা। লাতিন আমেরিকান দেশটিরও দুর্ভাগ্য, দুটি শট ফিরে এসেছে তাদের সাইড বারে লেগে।

প্রথমার্ধে শুরুতে খেলার নিয়ন্ত্রণ কিছুটা সার্বিয়ানদের পায়ে ছিলো। তবে সময় গড়ানোর সাথে সাথে খেলার নিয়ন্ত্রণ ব্রাজিলিয়ানদের কাছে আসলেও সার্বিয়ার ডি বক্সে বল নিয়ে প্রবেশ করার সাধ্য যেন ছিল না নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের। রাফিনহা কয়েকবার সুযোগ পেয়েছিলেন; কিন্তু তার দুর্বল শট ব্রাজিলের পক্ষে গোল পেতে যথেষ্ট হয়নি।

ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবং রিচার্লিসন বল নিয়ে বিপজ্জনকভাবে দু’একবার সার্বিয়ার ডি বক্সে ঢুকে পড়লেও সার্বদের কঠোর ডিফেন্সের সামনে সেগুলো কাজে লাগেনি। যে কারণে এক সময় দেখা গেছে নেইমার এবং ক্যাসেমিরোকে দুর পাল্লার শট নিয়ে লক্ষ্যভেদ করতে। কিন্তু সেগুলোও জালে জড়ায়নি। বরং, কাউন্টার অ্যাটাকে কয়েকবার ব্রাজিলের বক্সেও বল নিয়ে প্রবেশ করতে দেখা গেছে সার্বদের।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে খেলার চিত্র পুরোপুরি পাল্টে যায়। ব্রাজিল যেন এককভাবেই দ্বিতীয়ার্ধে খেলেছে। সার্বিয়ান ডিফেন্স শুধু ব্রাজিলের আক্রমণ ঠেকানোতেই ব্যস্ত ছিল।

৬২তম মিনিটে প্রথম গোল করে ব্রাজিল। সুযোগ সন্ধানী রিচার্লিসন অসাধারণ এক শটে গোল করে এগিয়ে দেয় ব্রাজিলকে। গোল হজম করে কিছু কাউন্টার অ্যাটাকে উঠে আসে সার্বিয়ানরা।

কিন্তু ৭৩ মিনিটে নেইমার-ভিনিসিয়ুস-রিচার্লিসন কম্বিনেশনে অসাধারণ গোলটি আসার পর সার্বিয়াকে বলতে গেলে ব্রাজিল গোলমুখে আর খুঁজেই পাওয়া যায়নি। ৭৮তম মিনিটে ইনজুরির শঙ্কা নিয়ে নেইমার উঠে যান।

কয়েকজন তরুণ ফুটবলারকে মাঠে নামান কোচ তিতে। তাতে শেষ ১০-১৫ মিনিট খেলার গতি যেন পাল্টে যায়। তিতের সাইড বেঞ্চ যে কতটা দুর্ধর্ষ, তা শেষ মুহূর্তে দেখা গেছে।

১৩ মিনিটেই প্রথম কর্নার আদায় করে নেয় ব্রাজিল। নেইমার শট নিলে গোলরক্ষক মিলিনকোভিক সাভিচ পাঞ্চ করে বল বাইরে পাঠিয়ে দলকে রক্ষা করেন। নেইমারের পরের কর্নার কিকে রাফিনহা লাফিয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু তার আগেই বল গোলরক্ষকের হাতে।

২১ মিনিটের সময় পরপর দুই মুহূর্তে অসাধারণ দুটি শট নিয়েছিলে নেইমার এবং ক্যাসেমিরো। নেইমারের শট ফিরে আসে এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে। ক্যাসেমিরোর শট ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক সাভিচ।

২৬তম মিনিটে সার্বিয়া গোলের দারুণ একটি সুযোগ পেয়েছিলো। ব্রাজিলিয়ানদের কাছ থেকে বল কেড়ে নেন তাদিচ। মিত্রোভিচকে ক্রস করেন তিনি। কিন্তু ব্রাজিল গোলরক্ষক অ্যালিসন লাফ দিয়ে উঠে সেই বল নিজের নিয়ন্ত্রনে নেন।

২৮ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিলো ব্রাজিল। থিয়াগো সিলভা বল পাস দিয়েছিলেন বক্সের মধ্যে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র একা ছিলেন। কিন্তু গোলরক্ষক সাভিচ ঝাঁপিয়ে পড়ে বল ক্লিয়ার করেন।

৩৫তম মিনিটে রাফিনহা দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তার বাম পায়ের দুর্বল শট গোলরক্ষকের হাতে চলে যায়।

৪১তম মিনিটে গোল্ডেন চান্স পেয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। কিন্তু সার্বিয়ান ডিফেন্ডারদের চার্জের কারণে ভিনিসিয়ুস ভালো শট নিতে পারেননি। বল চলে যায় বাইরে।

প্রথমার্ধে গোলশূন্যভাবেই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল এবং সার্বিয়া। দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নেমে ৪৬তম মিনিটেই গোলের দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন বার্সা তারকা রাফিনহা। সার্বিয়ার এক ডিফেন্ডারের কাছ থেকে বল কেড়ে নেন তিনি। সামনে ছিলো শুধু গোলরক্ষক। বলটা আলতো টোকা দিলে হয়ে যেতো। কিন্তু তিনি মেরে দেন গোলরক্ষকের শরীরে।

৪৯তম মিনিটে বক্সের সামনে ফ্রি-কিক আদায় করে নেন নেইমার। শট নেন তিনি। কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন সার্ব ডিফেন্ডাররা। কর্নার কিক করেন নেইমার। থিয়াগো সিলভার দুর্দান্ত এক হেড, ঘাড়ে বল লাগিয়ে দলকে রক্ষা করেন সার্ব ডিফেন্ডার।

৫৫ মিনিটে বাম পাশ থেকে বক্সের মধ্যে ক্রস করেন ভিনিসিয়ুস। গোল লক্ষ্যে দুর্দান্ত এক শট নেন নেইমার। কিন্তু দুর্ভাগ্য বলটি চলে যায় সাইড বারের অনেক বাইরে দিয়ে।

৫৮ মিনিটে দারুণ এক কাউন্টার অ্যাটাক ছিল সার্বিয়ার। কর্নারের বিনিময়ে বলকে রক্ষা করেন অ্যালেক্স সান্দ্রো। ৬০ মিনিটে নিশ্চিত গোলবঞ্চিত হলো ব্রাজিল। বক্সের বাইরে প্রায় ৩০ গজ দুর থেকে বাঁ-পায়ের দুর্দান্ত এক শট নেন আলেক্স সান্দ্রো। কিন্তু বল বামপাশের সাইডবারে লেগে ফিরে আসে।

৬২ মিনিটে গোল করে ব্রাজিল। অনেক কষ্টের পর আসে গোলটি। নেইমার বল নিয়ে ঢুকে পড়েন বক্সের মধ্যে। ডিফন্ডোরের সামনে বাধা পেলে সুযোগ বুঝে গোলে শট নেন ভিনিসিয়ুস। কিন্তু গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে পড়ে ফিরিয়ে দেন বলটি। ফিরতি বলটিতেই আলতো টোকায় সার্বিয়ার জালে বল জড়িয়ে দেন রিচার্লিসন।

৬৭ মিনিটে আবারও সুযোগ পেয়েছিলো ব্রাজিল। কাউন্টার অ্যাটাকে মাঝ মাঠ থেকে রাফিনহা বল নিয়ে এগিয়ে আসে সার্বিয়ার বক্সের সামনে। ডিফেন্ডার বাধা দিলে সেই বল নিয়ে কয়েক পা এগিয়ে এসে শট নেন ভিনিসিয়ুস। কিন্তু পোস্ট লক্ষ্যে শটটি রাখতে পারেননি তিনি।

৭৩তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল। রিচার্লিসনের এই গোলটি চোখে লেগে থাকার মত। বক্সের বাম প্রান্ত থেকে ডান-পায়ের টোকায় বক্সের মাঝে দাঁড়ানো রিচার্লিসনকে বলটি দেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। রিচার্লিসন প্রথমে বলটি নিয়ন্ত্রনে নেন। হালকা উপরে উঠে যাওয়া বলটিকে একটু সময় নিয়ে অসাধারণ এক বাইসাইকেল কিকে সার্বিয়ার জালে বল জড়ান তিনি।

৭৭ মিনিটে রিচার্লিসনকে তুলে গ্যাব্রিয়েল হেসুসকে মাঠে নামানো হয়। নেইমার হালকা আহত হলে তাকে তুলে নিয়ে মাঠে নামানো অ্যান্তোনিকে। তার আগেই ভিনিসিয়ুসকে তুলে মাঠে নামানো হয় রদ্রিগোকে।

৮১ মিনিটে রাফিনহার কাছ থেকে বল পেয়ে ক্যাসেমিরো শট নেন। কিন্তু বল ডান প্রান্তে পোস্টের কোনায় লেগে ফিরে আসে। ৮২তম মিনিটে রদ্রিগো দুর্দান্ত এক শট নেন। কিন্তু গোলরক্ষক ফিরিয়ে দেন সেটি। ৮৩ তম মিনিটে বাম পায়ের দুর্দান্ত এক শট নেন লুকাস পাকুয়েতার পরিবর্তে মাঠে নামা ফ্রেড। কিন্তু গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে পড়ে সেটি রক্ষা করেন।

Feb2
Feb2

সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 2:50 pm
সাইকেল চালানো সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সাইকেল চালানো শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, এটি সুস্থ থাকার অন্যতম কার্যকর উপায়। বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ সাইকেলে করে কর্মস্থলে যাতায়াত করেন। সাইক্লিং পরিবেশবান্ধব এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ ও নির্দিষ্ট জায়গা তৈরি করা নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের অংশ।

তিনি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম বিমানবন্দর সড়কে (ভিআইপি রোড) বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাকের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য, পরিবেশবান্ধব যাতায়াত ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। বিমানবন্দর সড়কের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সাইকেল ট্র্যাক নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে নগরবাসীর হাঁটাচলা, শরীরচর্চা ও বিনোদনের সুযোগ বাড়াতে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে বাস্তবায়িত এ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।

এসময় আমীর খসরু বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে সাইকেল চালানো ও হাঁটার সুযোগ বাড়াতে মেয়র যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিমানবন্দর সড়কের এই সাইকেল ট্র্যাক কেবল শুরু। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা প্রয়োজন, যাতে মানুষ শরীরচর্চা, বিনোদন ও দৈনন্দিন চলাচলের জন্য এসব সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, নাগরিকদের জন্য হাঁটার জায়গা, সাইকেল চালানোর পথ ও উন্মুক্ত পরিসর তৈরি করা কোনো বিলাসিতা নয়, এগুলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদার অংশ। মানুষকে ঘরের মধ্যে বন্দি রেখে সুস্থ ও সুন্দর জীবন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তাই নগরীর খালের দুই পাড়সহ উপযুক্ত জায়গাগুলোতে হাঁটার পথ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ধরনের নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যদেরও নিজ নিজ এলাকায় উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক নির্মাণ চট্টগ্রাম নগরীর জন্য একটি গর্বের অর্জন। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই ট্র্যাকের পাশাপাশি হাঁটার পথ নির্মাণ এবং দুই পাশের সৌন্দর্যবর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলগাছ লাগানো হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে সবুজায়ন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বিমানবন্দর সড়ককে আরও নান্দনিক করে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

মেয়র বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পর্যন্ত সড়কের সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নাগরিকদের জন্য সাইক্লিং ও হাঁটার সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর পরামর্শ ও উৎসাহ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মন্ত্রীর সংসদীয় এলাকা থেকে এই কার্যক্রম শুরু করতে পেরে তিনি আনন্দিত।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে বড় সড়কের পাশাপাশি খালকেন্দ্রিক উন্নয়নেও সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে। খালের দুই পাড়ে প্রয়োজনীয় জায়গা পাওয়া গেলে সেখানে হাঁটার পথ, সাইকেল চালানোর সুবিধা ও সবুজায়ন করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসীর শরীরচর্চার সুযোগ বাড়ার পাশাপাশি নগরীর সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবে।

নগরীর উন্নয়ন অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেয়র বলেন, শুধু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, সেগুলো রক্ষা করার দায়িত্বও সবার। সাইকেল ট্র্যাক ও ওয়াকওয়ে যেন অবৈধ দখল, স্থাপনা কিংবা প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে না পড়ে, সে জন্য চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়মিত তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি গাছপালার পরিচর্যা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে হবে।

মেয়র আরও জানান, বিমানবন্দর সড়ক থেকে দেওয়ানহাট পর্যন্ত সড়কের স্থায়িত্ব বাড়াতে আরসিসি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি বন্দরের ভারী যানবাহনের চাপ সামলানো এবং সড়কের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া, ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলম, চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন শামীম মোহাম্মদ খান, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, সাইক্লিস্ট ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।