খুঁজুন
, ,

ঐক্যবদ্ধ হয়ে সুন্নি মতাদর্শীদের রাজনৈতিক জাগরণ ঘটাতে হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 February, 2023, 11:02 pm
ঐক্যবদ্ধ হয়ে সুন্নি মতাদর্শীদের রাজনৈতিক জাগরণ ঘটাতে হবে

আগামী ১৮ মার্চ চট্টগ্রাম পলোগ্রাউন্ড মাঠে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আয়োজনে চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা আজ ১১ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকেলে নগরীর চেরাগী পাহাড় বঙ্গবন্ধু ভবনের বৈঠকখানা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

মহাসমাবেশ প্রস্তুতি কমিটি আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহাসমাবেশ প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ও ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যক্ষ আল্লামা তৈয়ব আলী। প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট আবু নাছের তালুকদার।

সভায় ইসলামী ফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ বলেন, সুফিবাদি সুন্নি জনতাই দেশের বড় শক্তি। কিন্তু তারা রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ, সংগঠিত ও সচেতন নয় বলেই রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের জানান দিতে পারছে না। অবহেলিত সুফিবাদি জনতার রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে বিভেদ অনৈক্য বিদ্বেষ ভুলে সবাইকে একই প্লাটফরমে আসতে হবে। ইসলামী ফ্রন্টই সুফিবাদি জনতার অবিকল্প প্লাটফরম।

বক্তারা আগামী ১৮ মার্চ চট্টগ্রাম পলোগ্রাউন্ড মাঠে অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহাসমাবেশ সফল করতে নেতাকর্মীদেরকে জনসংযোগ-সভা সমাবেশ জোরদার করার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট আবু নাছের তালুকদার বলেন, সুন্নিপন্থি সকল দরবার খানকাহর পীর, উলামা মাশায়েখ, আলেম সমাজ ঐক্যবদ্ধ হলে সুন্নি জনতার রাজনৈতিক অধিকার অর্জন সহজসাধ্য হবে। সুন্নিরা ঐক্যবদ্ধ হলে তাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। আল্লামা আশরফ শাহ্ বলেন, আমাদেরকে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করতে আরো বেশি তৎপর হতে হবে। পরস্পর ঐক্য, সম্প্রীতি ও মেলবন্ধ গড়ে তোলে সুন্নিদের রাজনৈতিক উত্থান ত্বরান্বিত করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ আল্লামা তৈয়ব আলী বলেন, সারা বিশ্বে আজ স্থবিরতা ও মানবতার ওপর চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। ঈমানি চেতনাকে শাণিত করে আমাদেরকে সব বিপদ-বিপর্যয় মোকাবিলা করতে হবে। তিনি ১৮ মার্চের মহাসমাবেশ সফল করতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

ইসলামী ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় প্রচার সচিব মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইনের সঞ্চালনায় প্রস্তুতি সভায় আলোচনায় অংশ নেন, আল্লামা শাহ্ নূর মোহাম্মদ আলকাদেরী, ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য পীরে তরিকত আল্লামা গোলামুর রহমান আশরফ শাহ্, মাওলানা রেজাউল করিম তালুকদার, মাওলানা নূরুল ইসলাম জেহাদী, মাওলানা ওবায়দুল মুস্তফা কদমরসুলি, অধ্যাপক আবুল মনসুর দৌলতি, মাওলানা এম.এ মুস্তফা হেজাজী, মুহাম্মদ এনামুল হক ছিদ্দিকী, মুনিরুল ইসলাম আশরাফী, অধ্যাপক মাওলানা আবদুর রহিম মুনিরী, মাওলানা ইয়াছিন হোসাইন হায়দরী, মুহাম্মদ মহিউল আলম চৌধুরী, মুহাম্মদ ফজলুল করিম তালুকদার, মাওলানা গিয়াস উদ্দিন নেজামী, মাওলানা আবদুল খালেক আলকাদেরী, মাওলানা আবদুন্নবী আলকাদেরী, মুহাম্মদ আলী হোসেন, নাছির উদ্দিন মাহমুদ, অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আরাফাত, ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল জাবের, হাবিবুল মুস্তফা সিদ্দিকী, মাওলানা জামাল উদ্দিন আলকাদেরী, আবু তৈয়ব চৌধুরী, বদরুল হুদা তারেক, মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন সিদ্দিকী, সৈয়দ সালাহ উদ্দিন খোকন, মুহাম্মদ আরাফাত, মুহাম্মদ বেলাল উদ্দিন আলমদার, মুহাম্মদ বেলাল কাদেরী, মুহাম্মদ আলী আকবর, মুহাম্মদ আব্দুল খালেক, নূর রায়হান চৌধুরী প্রমুখ।

মিলাদ কিয়াম শেষে দেশ ও বিশ্ববাসীর শান্তি সমৃদ্ধি এবং বিপর্যস্ত মানবতার পরিত্রাণ কামনায় মুনাজাত করা হয়।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।