খুঁজুন
বুধবার, ৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে ধর্ষণের মতো অপরাধ বাড়ছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২০, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ
বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে ধর্ষণের মতো অপরাধ বাড়ছে

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : দেশে ধর্ষণের মত অপরাধ বৃদ্ধির পেছনে বিচারহীনতার সংস্কৃৃতিকে দায়ী করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ নঈমুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ২০১১ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আদালতে ধর্ষণ সংক্রান্ত ৪ হাজারের বেশি মামলা হলেও তার সিকিভাগও নিষ্পত্তি হয়নি।

ছাত্রসমাজের নৈতিক মূল্যবোধের ক্রমাগত অবক্ষয় হচ্ছে মন্তব্য করে ছাত্রসমাজকে আদর্শিক রাজনীতির প্রতি সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষাঙ্গনে ক্ষমতাসীন ছাত্র সংগঠনের দৌরাত্ম্য বাড়ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্র-শিক্ষক মুখোমুখি অবস্থানে চলে যাচ্ছে এসব দৌরাত্ম্যের কারণে। ছাত্র সংসদ নির্বাচনগুলো যথাযথভাবে অনুষ্ঠিত হলে এসব সমস্যা হ্রাস পেত।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার চারদশক পূর্তি উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর শাখার চার দিনব্যাপী কর্মসূচির সমাপনী দিবসে ছাত্রসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষার মান বৃদ্ধিসহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার আহবান জানান তিনি। উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তির ক্ষেত্রে গলাকাটা অতিরিক্ত ফি নেওয়ার যে নিয়ম জারি আছে, তা অচিরেই বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপসহ শিক্ষা সামগ্রীর উচ্চহারে দাম বৃদ্ধির লাগাম টেনে ধরতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের বন্দর সমস্যা নিয়ে “পত্রপত্রিকায় বোদ্ধারা মতামত দিচ্ছেন, বন্দর সমস্যা সমাধানে কর্ণফুলী নদীকে বাঁচানোর বিকল্প নেই। এ ব্যাপারে আমাদের সজাগ হতে হবে। প্রয়োজনে নদী বাঁচাও আন্দোলনে নামতে হবে চট্টগ্রামবাসীকে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার সংগ্রাম, গৌরব, ঐতিহ্য ও সাফল্যের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্রসমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি ২১ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকালে আন্দরকিল্লা চত্বরে ছাত্রসেনা নগর উত্তর সভাপতি মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

ছাত্রসমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ নঈমুল ইসলাম। উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী।

উদ্বোধনী বক্তব্যে সৈয়দ আবু আজম বলেন, সমৃদ্ধ জাতিগঠনে ছাত্রদের জ্ঞানমুখী রাজনীতিতে ফিরতে হবে। সম্প্রতি মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলে ড্রেস কোডের নামে ওড়না নিষিদ্ধের ঘটনার সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রে বিদ্যালয়ে ওড়না নিষিদ্ধের ঘটনা নিন্দনীয়।

প্রধান বক্তা মাছুমুর রশিদ বলেন, দেশে অসুস্থ ধারার ছাত্ররাজনীতির চর্চা হচ্ছে বলে ছাত্ররা এক শ্রেণির বড় ভাইদের ছত্রছায়ায় কিশোর অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। নীতি-নৈতিকতা বিবর্জিত ছাত্রসমাজ সোনার বাংলা গড়ার পথে অন্তরায়।ইসলামী ছাত্র ফ্রন্ট

ছাত্র রাজনীতির নামে আজ চলছে সন্ত্রাস-হানাহানি-টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি, ক্যাম্পাস দখল ও ছাত্র নামধারী মাস্তানদের দাপট। একশ্রেণীর ছাত্র নামধারী বিপথগামী ছাত্র-যুবক সম্মানিত শিক্ষকের গায়ের ওপর হাত তুলতেও কুণ্ঠিত হচ্ছে না। এই অশুভ ছাত্র রাজনীতির বিরুদ্ধে ছাত্র সমাজকে সোচ্চার হয়ে আদর্শিক ছাত্রবান্ধব জ্ঞানমুখী ছাত্র রাজনীতির পথে ফিরে আসতে হবে।

তিনি ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নৈতিকতার আলোকে কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করে বেকারত্ব রোধে সরকারকে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। সুস্থধারার ছাত্ররাজনীতি সৃষ্টির জন্য চাকসুসহ দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ-মাদ্রাসায় সকল দলের সহাবস্থান নিশ্চিত করে ছাত্রসংসদ নির্বাচনের দাবি জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে গোলাম মোস্তফা বলেন, চট্টগ্রামে সরকারী কলেজের সংখ্যা অত্যন্ত কম। সরকারী কোন মাদ্রাসাও নেই। এ কারণে মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেক সন্তান উচ্চশিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি চট্টগ্রামে সরকারী কলেজের সংখ্যা বৃদ্ধি ও নূন্যতম দুটি মাদ্রাসাকে সরকারীকরণের দাবি জানান।

চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর ছাত্রসেনার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ এরশাদুল করিম ও কাজী মুহাম্মদ আরাফাতের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি ও আলোচক ছিলেন মুহাম্মদ ফজলুল করিম তালুকদার, আবু নাসের মুহাম্মদ তৈয়ব আলী, জসিম উদ্দিন মাহমুদ, মুহাম্মদ নাছির উদ্দীন মাহমুদ, মুহাম্মদ ফোরকান রেজা, মুহাম্মদ শফিউল আলম, আব্দুল করিম সেলিম, মাওলানা সোহাইল উদ্দিন আনসারী, হাবিবুল মোস্তফা ছিদ্দিকী, মুহাম্মদ এনামুল হক, সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান আযহারী, মুহাম্মদ মুছা, মোফাচ্ছেল মোস্তফা টিপু, মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, এসএম ইকবাল বাহার চৌধুরী, মুহাম্মদ জাকারিয়া, হাফেজ মুহাম্মদ রফিক।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাবেশ প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক মুহাম্মদ বাবর আলী। ছাত্রসমাবেশে বক্তারা আরো বলেন, পাঠ্যপুস্তকে কৌশলে ইসলামি বিষয়গুলো বাদ দিয়ে নাস্তিকতা সম্পর্কিত পাঠ অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। মাদ্রাসার বইয়ে ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো সংকুচিতকরণ করা হচ্ছে। এভাবে চললে মাদ্রাসা শিক্ষা হুমকির মুখে পড়বে।

এছাড়া পাঠ্য বইয়ে বাঙালি সংস্কৃতির নামে অপসংস্কৃতির শিক্ষা যুক্ত করা হচ্ছে। এসব বিষয়ে সরকারকে সুদৃষ্টি দিতে হবে।

ছাত্রসমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র‌্যালীতে আরো উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ শেহাব উদ্দিন, মুহাম্মদ এহসান, ফোরকান রেজা, তৌহিদুল হক, শাহাদাৎ হোসাইন, মুহাম্মদ মঈনুদ্দীন কাদেরী, আবু সায়েম মুহাম্মদ কাইয়্যুম, বেলাল রেজা, শরীফ মুহাম্মদ মাহমুদুল ইসলাম, মুহাম্মদ জিয়া উদ্দিন রায়হান, আহমদুল হক, আব্দুল কাদের, মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ, মুহাম্মদ ওসমান গনি, এইচ এম আতিকুল্লাহমুহাম্মদ খালেদ বীন জাহাঙ্গীর, এস এম মেজবাহ উদ্দীন, মুহাম্মদ আকিল হোসাইন, মুহাম্মদ আবিদ আরশাদ, মুহাম্মদ তাহারিফ হোসেন, মুহাম্মদ নুরুজ্জামান রজভী, মুহাম্মদ আনোয়ার, মুহাম্মদ মারুফ রেজা, মুহাম্মদ রবিউল হোসেন প্রমুখ। ছাত্রসমাবেশ শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালীটি নগরীর আন্দরকিল্লা হয়ে লালদিঘী মোড়ে এসে সমাপ্ত হয়।

Feb2

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’

অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
অবৈধ তেল মজুদদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে জেলা প্রশাসন

চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজীদ ও খুলশী থানা এলাকায় জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম, র‍্যাব-০৭, সিএমপি এবং বিভাগীয় কার্যালয়, বিএসটিআই এর সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৮ এপ্রিল) উক্ত যৌথ অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব শাকিব শাহরিয়ার।

উক্ত অভিযানে আমানত প্যাকেজিং এন্ড মার্কেটিং, গুলবাগ আবাসিক এলাকা, বায়েজীদ, চট্টগ্রাম নামক একটি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিএসটিআই হতে সিএম সনদ গ্রহণ ব্যতিরেকে ফর্টিফাইড সয়াবিন তেল পণ্য বোতলজাতকরণ এবং পণ্যের মোড়কে মানচিহ্ন ব্যবহারপূর্বক বাজারজাতকরণের অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিতে মজুদ প্রায় ১০৪২ লিটার ভোজ্যতেল, আনুমানিক ১০,০০০ পিস পণ্যের মোড়ক এবং বেশ কিছু খালি বোতল জব্দ করে সংশ্লিষ্ট থানার জিম্মায় দেয়া হয় এবং প্রতিষ্ঠান মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়।

পরবর্তীতে খুলশী থানা, চট্টগ্রাম এলাকায় ২টি প্রতিষ্ঠানে খাদ্যপণ্য মজুতের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ব্যতিরেকে প্রায় ৫০ ড্রাম (প্রতি ড্রাম ২০০ লিটার) ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুত এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ড্রামজাত ফর্টিফায়েড সয়াবিন তেল মজুতের অভিযোগে ২টি প্রতিষ্ঠানের মালিককে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী মোট ৬০,০০০ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

চট্টগ্রাম জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সার্বিক নির্দেশনায় জ্বালানি খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এ পর্যন্ত জেলায় ২৬৯টি অভিযান চালিয়ে প্রায় ৬,৭৭,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র‍্যাব, কোস্টগার্ড সহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে প্রায় ৭৫,৮২৪ লিটার তেল জব্দ করা হয়েছে। অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামে জ্বালানি বিক্রির বিরুদ্ধে এই অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে।

নিষিদ্ধই থাকছে আ.লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
নিষিদ্ধই থাকছে আ.লীগের কার্যক্রম, সংসদে বিল পাস

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ বিল আকারে সংসদে পাস হয়েছে।

বুধবার (০৮ এপ্রিল) দুপুরে জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কর্তৃক উত্থাপিত সন্ত্রাসবিরোধী বিল ২০২৬ সংসদে ‘হ্যাঁ’ ভোটে জয়যুক্ত হয়েছে।

এর মাধ্যমে বিদ্যমান সন্ত্রাসবিরোধী আইনকে আরও সংশোধন ও কঠোর করা হচ্ছে। এতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধই থাকছে।

সংসদে বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে থেকেই দেশে সন্ত্রাসবিরোধী আইন থাকলেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ও জনমতের প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি বিশেষ অধ্যাদেশ জারি করে। সেই অধ্যাদেশে গণহত্যার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়, যার আওতায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে বেলা ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের বৈঠক পুনরায় শুরু হয়।