খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কথিত সাংবাদিক ও মাদককারবারী সুব্রত’র চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ মার্চ, ২০২৩, ৮:২১ অপরাহ্ণ
কথিত সাংবাদিক ও মাদককারবারী সুব্রত’র চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন

ফটিকছড়িতে মাদককারবারীদের মূল হোতা সুব্রত’র হয়রানি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসি। সকালে উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের হোসইন্যারখীল গ্রামে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বক্তারা বলেন, আজকের সুর্যদয় নামের একটি অখ্যাত পত্রিকার কথিত সাংবাদিক পরিচয়ে সুব্রত স্থানীয় গ্রামবাসিকে নানাভাবে হয়রানি করে আসছে। চট্টগ্রাম শহর থেকে একাধিক মামলার আসামী হয়ে সুব্রত দাঁতমারা ইউনিয়নের হোসইন্যারখীল গ্রামে আস্তানা গড়ে তোলে। সেখানে স্থানীয় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সাথে সিন্ডিকেট করে নিরীহ গ্রামবাসীকে নানাভাবে হয়রানি করে আসছে। এলাকার যুব সমাজ থেকে বৃদ্ধ যারাই মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করে তাদেরকে প্রশাসনের লোক দিয়ে কৌশলে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে দেয়। এলাকায় বসবাসকারীদের কাছ থেকে নানাভাবে অনৈতিক সুবিধা আদায়ে ব্যর্থ হলে মাদক কারবারীদের দিয়ে এসব অপকর্ম করে আসছে সুব্রত।

শুধু সাধারণ মানুষই নয় স্থানীয় রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে প্রশাসনের লোকজনও তার এই অপকর্ম থেকে রেহাই পাচ্ছেনা। মতের বনিবনা না হলে প্রশাসনের লোকদের বিরুদ্ধেও তার অখ্যাত পত্রিকায় সংবাদ ছাপিয়ে দেয়ার ভয় দেখানো হয়। সম্প্রতি বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ বিজিবির হাতে আটক হয়ে জেল হাজতে যেতে হয় সুব্রতকে। কিন্তু আইনের ফাঁকে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে আবারো এলাকার লোকজনকে নানাভাবে হয়রানিসহ হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। বর্তমানে তার এমন কর্মকাণ্ডে রীতিমত আতংকে দিন কাটছে স্থানীয় এলাকাবাসির। বক্তারা অবিলম্বে মাদক কারবারীদের হোতা কথিত সাংবাদিক সুব্রতকে আইনের আওতায় এনে এলাকাটিকে মাদকমুক্ত করার জোর দাবী জানান।

এসময় বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগ নেতা মোসলেম উদ্দিন, যুবলীগ নেতা জামাল উদ্দিন, স্থানীয় বাসিন্দা মো. মাসুম, বাবুসহ অন্যরা।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…