খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিইউজের নতুন সভাপতি মোহাম্মদ আলী,সম্পাদক শামসুল ইসলাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ
সিইউজের নতুন সভাপতি মোহাম্মদ আলী,সম্পাদক শামসুল ইসলাম

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) নির্বাহী পরিষদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হলেন মোহাম্মদ আলী এবং সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন ম. শামসুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বিরতি ছাড়াই বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়। মোট ৪০৪ জন সদস্যের মধ্যে নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ৩৮২ জন।

এবারের নির্বাচনে মোট নয়টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ২৭ জন প্রার্থী। এতে সভাপতি পদে দৈনিক পূর্বকোণের মোহাম্মদ আলী ১৪০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ১২৯ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন অবজারভারের মোস্তাক আহমদ। এ পদে অন্য দুই প্রার্থী ছিলেন একাত্তর টিভির মাঈনুদ্দীন দুলাল (৭০ ভোট) এবং সদ্য সাবেক সভাপতি দি ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের নাজিমুদ্দীন শ্যামল (৪০ ভোট)।

ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত নবনির্বাচিত সভাপতি-সম্পাদক

সিনিয়র সহ সভাপতি পদে দৈনিক পূর্বদেশের রতন কান্তি দেবাশীষ ১৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ১২৬ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন অলোকময় তলাপাত্র।। এ পদে অন্য প্রার্থী ছিলেন কর্ণফুলীর মুজাহিদুল ইসলাম (১১৭ ভোট)।

সহ সভাপতি পদে গাজী টিভির অনিন্দ্য টিটো ১৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। ১৩৩ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন পূর্বকোণের আবসার মাহফুজ। এ পদে অন্য প্রার্থী ছিলেন সি প্লাস টিভির আলমগীর অপু (৫৯ ভোট)।

সাধারণ সম্পাদক পদে ২২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন দেশ রূপান্তরের ম. শামসুল ইসলাম। ১৫১ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন একুশে টিভির হাসান ফেরদৌস।

চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের (সিইউজে) নির্বাহী পরিষদের নবনির্বাচিত কর্মকর্তারা-

যুগ্ম সম্পাদক পদে ২৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন আজাদীর সবুর শুভ। ১১৫ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সিপ্লাস টিভির স্বরূপ ভট্টাচার্য।

অর্থ সম্পাদক পদে ১৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন আজাদীর কাশেম শাহ। ১২২ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন নুর উদ্দিন আহমেদ। এ পদে অন্য প্রার্থী ছিলেন সৌমেন ধর (৬০ ভোট)।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ২২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন পূর্বকোণের এসএম ইফতেখারুল ইসলাম। ১৫০ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ভোরের কাগজের প্রীতম দাশ।

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে ১৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির ইফতেখার ফয়সাল। ৯৫ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলানিউজের আল রাহমান। এ পদে অন্য দুই প্রার্থী ছিলেন পূর্বদেশের রাহুল কান্তি দাশ (৭১ ভোট) এবং এটিএন বাংলার মো. ফরিদ উদ্দীন (৬১ ভোট)।

নির্বাহী সদস্য পদে ১৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন বিএনএর মো. মহররম হোসাইন। ৯২ ভোট পেয়ে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন পূর্বদেশের আবুল হোসাইন। এ পদে অন্য দুই প্রার্থী ছিলেন জয়নিউজের বিশু রায় চৌধুরী (৮৫ ভোট) এবং আবদুর রউফ পাটোয়ারী (২৪ ভোট)।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক জসীম চৌধুরী সবুজ। কমিটির তিন সদস্য হলেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোহাম্মদ নিযাম উদ্দিন, মুহাম্মদ মোরশেদ আলম, মুহাম্মদ শামসুল হক ও মোহাম্মদ মামুনুর রশীদ।

এবার নির্বাচনের মনোনয়নপত্র সরবরাহ করা হয় ১৫ ও ১৬ জানুয়ারি। মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হয় ১৭ জানুয়ারি। পরদিন মনোনয়নপত্র বাছাই ও খসড়া তালিকা প্রকাশের পর ২০ জানুয়ারি ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়। এরপর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হয় ২১ জানুয়ারি।

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।