খুঁজুন
, ,

ঢাকার স্টাইলে চট্টগ্রামে নির্বাচন হতে দেবো না:খসরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 8 March, 2020, 8:32 pm
ঢাকার স্টাইলে চট্টগ্রামে নির্বাচন হতে দেবো না:খসরু

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, চসিক নির্বাচন বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার ফিরে পাবার একটি বড় আন্দোলন। সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ভোটাধিকার নিশ্চিত করেছে। যেটা বর্তামান অনির্বাচিত সরকার অবৈধ সংসদের মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে। ভোট কেড়ে নেয়ার পর একটার পর একটা অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। ক্ষমতায় থাকার জন্য ও ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জনগণের অধিকার হাইজ্যাক করছে। তা না হলে তাদের ক্ষমতায় ঠিকে থাকা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে আজকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আন্দোলনের অংশ হিসাবে এই নির্বাচনে আমাদের ভোটাধিকার দিয়ে পাবার মাধ্যমে আমরা সফল হতে পারবো। ২৯ মার্চ যদি ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে পারি তাহলে রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পাবো।

তিনি আজ রবিবার (৮ মার্চ) বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে চসিক নির্বাচনের বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেনের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিভিন্ন নির্বাচনে আমরা দেখেছি চট্টগ্রামের মানুষ সময় মতো তাদের উদ্যোগ নেয়। এটা অন্য কোন বড় শহরের মতো নয়। ঢাকার নির্বাচনে ইভিএম দিয়ে ভোট কেড়ে নিয়েছে। চট্টগ্রামে আমরা সেটা হতে দেবো না। ওবায়দুল কাদের ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে নির্বাচনী সভা করেছে। এটা সম্পূর্ণভাবে নির্বাচনী আচরণ বিধি লংগন করেছে। ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি হিসেবে নির্বাচনী কমিটির প্রধান হয়ে বিধি ভঙ্গ করেছেন। আমরা ঢাকার স্টাইলে চট্টগ্রামে নির্বাচন হতে দেবো না। যদি ইসি আমাদের কথা না মানে তাহলে আমরা পদক্ষেপ নেবো। আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে আমরা প্রতিরোধ করবো। তাই আপনাদের সুশৃংখলভাবে ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি কেন্দ্রে নিয়ন্ত্রিভাবে নির্বাচন করতে হবে। কারণ আমরা ভোট ডাকাতদের বিরুদ্ধে নির্বাচন করছি। এটা কোন সাধারণ নির্বাচন নয়। প্রত্যেক নেতা কর্মীকে কেন্দ্রে শক্ত অবস্থান নিতে হবে। যাতে বাইরের কেউ এসে কোন সুযোগ নিতে না পারে। ভয়কে জয় করে শক্তিশালী অবস্থান থেকে নির্বাচন করতে হবে। আওয়ামীলীগ তো রাষ্ট্রযন্ত্র ও সরকারী বাহিনীর উপর নির্ভরশীল। তারা ভীত বলেই অন্যের উপর নির্ভর করে। আমাদের মনে সাহস আছে বলেই একটা সামন্য কথা বললেই তারা লাফ দেয়।

তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ বেগম খালেদা জিয়া ও জনগণকে ভয় পায় বলেই দেশনেত্রীকে জেলে বন্দি করে রেখেছে। আওয়ামীলীগ এখন ভোটের ভয়ে আছে। এই ভয়ের থেকে ইভিএম চুরির মেশিন নিয়ে এসেছে। তারা জনগণের উপর নির্ভরশীল নয়। কিন্তু চোরের দশ দিন গৃহস্তের একদিন। এবার চট্টগ্রাম গৃহস্তরা জাগ্রত হয়ে গেছে। চট্টগ্রামে ভোট চুরি করতে দেব না। চট্টগ্রামে এবার ভোট চোর ধরবো। হাতেনাতে চোর ধরতে হবে। সাহসের সাথে মনোবল নিয়ে কেন্দ্রে গেলে জয় কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।

তিনি বলেন, ডা. শাহাদাত হোসেন একজন ভাল মানুষ। একজন পেশাজীবি হিসেবে সবার কাছে জনপ্রিয়। আর বিএনপির নেতাকর্মীরা এখন জ্বলে পুরে খাঁটি সোনায় পরিণত হয়ে গেছে। তাই আমাদেও বিজয় কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।

সভাপতির বক্তব্যে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, আমাদের লড়াই হচ্ছে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন ও ভোটাধিকার রক্ষার লড়াই। এই ভোটের অধিকার রক্ষার জন্য ২৯ মার্চ প্রতিটি কেন্দ্রে স্ব স্ব অবস্থান নিয়ে সবকিছুকে উপেক্ষা করে বিজয়ী হতে হবে। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বার্তা ২৯ মার্চ বিজয়ের মাধ্যমে দিতে চায়। বিজয়ী হয়ে দেশনেত্রীকে মুক্ত করবো এই হচ্ছে আমাদেও স্লোগান। ইনশাআল্লাহ বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দি করে আওয়ামীলীগ রাজনৈতিক দেউলিয়াত্বের প্রমাণ দিয়েছে। আজকে জনগণ তাদের পাশে নেই। জনগণ এখন ধানের শীষ ও বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির পক্ষে। জনগণ এখন ২৯ মার্চ বিজয়ীর মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রহর গুনছে। অতীতে চট্টগ্রামবাসীর পাশে ছিলাম ভবিষ্যতেও থাকবো। কোন বাঁধা বিপত্তি বিজয় থেকে আমাদের দূরে রাখতে পারবে না। তাই সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির বার্তা নিয়ে বিজয় সুনিশ্চিত করতে হবে।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, দেশে এখন একটি অগণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতা দখল করে আছে। দেশে এখন জংলী শাসন চলছে। ভোট ডাকাতীর সরকার ক্ষমতায় আছে। এই অবস্থায় আমরা চসিক নির্বাচন করছি। গণতন্ত্রকে রক্ষার জন্য আমরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। ২৯ মার্চের চসিক নির্বাচনকে ৯০’র গণআন্দোলনের মত নিতে চায়। সেইজন্য কেন্দ্রে কেন্দ্রে অবস্থান নিয়ে পাহারা বসাতে হবে। ২৯ মার্চ আমরা বিজয়ের মালা নিয়ে ঘরে ফিরবো ইনশাআল্লাহ।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারর্পাসনের উপদেষ্টাবেগম রোজি কবির, এস এম ফজলুল হক, বিএনপির কেন্দ্রীয় শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দীন, সাবেক মন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন। চট্টগ্রাম মহানগর বিএপির সি: যুগ্ম সম্পাদক এস এম সাইফুল আলমের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে
বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর, সিনিয়র সহসভাপতি আবু সুফিয়ান, বিএনপি নেতা এম এ হালিম, চাকসু ভিপি নাজিম উদ্দিন, ইসহাক কাদের চৌধুরী, আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, সামশুল আলম, সৈয়দ আজম উদ্দিন, ইদ্রীস মিয়া চেয়ারম্যান, মোহাম্মদ আলী, নাজিমুর রহমান, আশরাফ চৌধুরী, হারুন জামান, মাহবুবুল আলম, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, ইকবাল চৌধুরী, জাহিদুল করিম কচি, ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, ইয়াছিন চৌধূরী লিটন, আবদুল মন্নান, জাহাঙ্গির আলম দুলাল, আহমেদুল আলম রাসেল, কাউন্সিলর আবুল হাসেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, এডভোকেট আবু তাহের, মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, মো. কামরুল ইসলাম, শেখ নুরুল্লা বাহার, জেলী চৌধুরী প্রমুখ।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:56 pm
চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি::চট্টগ্রামের মুনছুরাবাদে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের কার্যালয়ের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, চট্টগ্রামের ইয়াবা সম্রাট নামে খ্যাত জয় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে ইয়াবাসহ নানা নেশাজাত দ্রব্য বিক্রি করে । প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক জাত দ্রব্য বিক্রি হয় কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী রেশন স্টোর ও পুলিশের ব্র্যাক থেকেও ইয়াবা সাপ্লাই করে জয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জয় এর এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে কিছু অসাধু গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জড়িত । ফলে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জয়।

‎অনুসন্ধানে জানাযায়, গনি আহামদের ছেলে জাবেদ ওরফে জয়, কাজীর দেউড়ি ২ নং গলির বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাকলিয়া থানার বলির হাট এলাকায় বসবাস করে।

সুত্র জানায়, ডিবি পুলিশের কনেস্টেবল আজাদ, রবিউল,  হানিফ, সঞ্জয়, আব্দুর রহিম, ইয়াবা সম্রাট জাবেদ ওরফে জয় এর সহযোগী বলে জানা গেছে।

‎এছাড়া কর্ণফুলী ক্লাব থেকে রূপসা বেকারী পর্যন্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ জয়কে ডিবি অফিসার হিসাবে চিনে ও জানে, অনেকেই আবার জয়কে জয় স্যার বলে সম্বোধন করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, আইনের লোকেরা যখন বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়ে তখন কিছুই বলার থাকে না। পুলিশের ব্র্যাকে মাদক দ্রব্য রেখে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে চট্টগ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মিস্ত্রী পাড়ার বিপ্লব ও বউ বাজারে ডাইল নুরুকে নিয়ে জয় যে মাদকের হাট বসায় তা মেনে নেওয়ার নয়। গোয়েন্দা পুলিশের যে সদস্যরা জয়ের সাথে জড়িত তারা সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক তাদের টাকার দাপটে আমরা অসহায়। খোদ উর্ধ্বতনরাও টাকার কাছে জিম্মি বলে মনে হয়।

‎নেশাগ্রস্থ অবস্থায় জয় যখন পুলিশ ব্র্যাকে শুয়ে থাকে তখনও কিছুই বলার থাকেনা। সন্ধ্যা হলে নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা আসে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে ।

‎সিএমপিতে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রামের বাকলিয়ার মাদক সম্ম্রাট ইছহাক, সোবহান, ও পাহারতলীর মাদক সম্ম্রাট টেক্সি জসিম আলমগীর ও কদম তলীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ি আলো সহ আরো অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নিকট মাদক ও ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় করে আসছে।

ক্লাবের ভিতরে মাঠে চেয়ার নিয়ে বসে থাকে, জয় , ডাইল নুরু ও ইয়াবা সম্রাট বিপ্লব। পার্টি আসলে ব্র্যাক থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অসাধু পুলিশ সদস্যরা।

‎এই বিষয়ে জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। একবার বলেন আমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী, আবার বলেন আমি এইসব ছেড়ে দিয়েছি। আবার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলেন, আমি জানি কে এইসব আমার ব্যাপারে বলেছে। আপনার খবর নিয়ে দেখবো আপনি কে ?

‎মাদকের ব্যাপারে সারাদেশের প্রসাশন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করলেও সিএমপি গোয়েন্দা কার্যালয়ের সামনে এমন কান্ডকে ভাবিয়ে তোলে সচেতন মহলকে।

‎এই বিষয়ে ডিসি (ডিবি উত্তর) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:29 pm
সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচ থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। একই আদেশে কয়েকজন ওসিকে বদলি এবং বিভিন্ন ইউনিট থেকে নতুন কর্মকর্তাদের থানায় পদায়ন করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক নুর আহমদকে কর্ণফুলী থানার ওসি, সিটিএসবির মোহাম্মদ আবদুর রহিমকে খুলশী থানার ওসি এবং কর্ণফুলী থানার বর্তমান ওসি মো. ইখতিয়ারউদ্দিনকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিবি বন্দর জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডলকে হালিশহর থানার ওসি এবং খুলশী থানার বর্তমান ওসি মোজাম্মেল হককে পাঁচলাইশ মডেল থানার ওসি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাঁচলাইশ মডেল থানার বর্তমান ওসি মো. জাহেদুল ইসলামকে বদলি করে সিটিএসবিতে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটিএসবির মোহাম্মদ একরাম উল্লাহকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সিএমপির জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:20 pm
পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রোববার রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবক। সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।