খুঁজুন
, ,

সুবিধাবঞ্চিত ও মধ্যবিত্ত অসহায় পরিবারের পাশে ‘আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 7 April, 2020, 4:04 pm
সুবিধাবঞ্চিত ও মধ্যবিত্ত অসহায় পরিবারের পাশে ‘আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন’

প্রাণসংহারী নভেল করোনা (কভিড-১৯) ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও খাদ্য সংকট মোকাবেলায় সুবিধাবঞ্চিত ও মধ্যবিত্ত অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন।

এই ফাউন্ডেশনের সদস্যবৃন্দ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে প্রচার চালানোর অংশ হিসেবে প্রায় ১,০০০ সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের মাঝে জীবানু নাশক সাবান ও বিনামূল্যে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেছে।

পাশাপাশি ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও নির্দিষ্ট কিছু সামাজিক শিষ্টাচার পালনের মাধ্যমে সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে পথচারি ও বিভিন্ন বস্তীতে ভাইরাস প্রতিরোধে লিফলেট, হ্যান্ড গ্লাভস ও মাস্ক বিতরণ ও করেছে।

এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন এর প্রধান নির্বাহী পরিচালক মুহাম্মদ আনোয়ার এলাহি ফয়সাল বলেন, “করোনা যেহেতু সাধারণ মানুষের জন্য নতুন ও অনাকাঙ্ক্ষিত একটি বিষয় তাই এ সংকট মোকাবেলায় আমাদের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে যেমনঃ রেল স্টেশন, বস্তি ও মসজিদে সাধারণ মানুষের নিকট সচেতনতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত পরিকল্পনাকে সাধুবাদ জানিয়ে তিনি আরও বলেন আমরা একদম মাঠ পর্যায়ে থেকে কাজ করছি। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লক ডাউন দেয়ায় বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। অনেকের ঘরে নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য দূর্যোগ দেখা দিয়েছে। অনেক অসহায় খেটে খাওয়া মানুষ না খেয়ে জীবন যাপন করছে কর্মহীনতার কারনে। তাই সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য প্রতিদিন একবেলা খাবার এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের নিকট সাপ্তাহিক বাজার পৌঁছে দিতেই কাজ করছে আমাদের মানবতার সৈনিকরা।

সংস্থার সিনিয়র সহ-সভাপতি মুরাদ শামসুল আলম খাঁন বলেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে ঘনবসতি বাংলাদেশ। এই দূর্যোগ মোকাবেলায় সর্বপ্রথম রক্ষা করতে হবে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের। আমরা চেষ্টা করেছি স্বাস্থ্য সচেতনতার প্রসার ঘটাতে, পথশিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করতে, খাদ্য সংকট মোকাবিলায় অসহায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে। এ পর্যন্ত প্রায় ২০৩ পরিবারকে সাপ্তাহিক বাজার পৌঁছানো হয়, আলোর আশা সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও আমাদের শুভাকাঙ্খীদের সহযোগীতার মাধ্যমে। সমাজের সকল বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষরা এগিয়ে আসলে সম্ভব হবে বাকি পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর।দেশের ক্রান্তিলগ্নে সবকিছু অচল অবস্থায় মধ্যবিত্তদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছানো সম্ভব হতনা! যদি না এগিয়ে আসতো আগ্রবাদ রাইডারস গ্রুপের সকল সদস্য বৃন্দ। তারা আলোর আশার সদস্যদের সাথে একাত্ম হয়ে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছে মধ্য বিত্তদের জন্য হাট বাজার উপহার।

আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশনের সাধারণ
সম্পাদক শরিফুল ইসলাম বলেন, সারা শহরব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধির প্রাণপণ চেষ্টা করছি এবং সম্মিলিতভাবে সব ধরণের সহায়তা নিশ্চিত করছে আমাদের সেচ্ছাসেবীরা। শহরের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে লোক সমাগমের স্থানে দিনব্যাপী জীবাণু নাশক স্প্রে করছি। এপেক্স বাংলাদেশ জেলা-০৩ এর সহযোগিতায় সবার কাছে পরিস্কারভাবে হাত ধোয়ার জন্য ৫ টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পানির ড্রাম ও সাবানের ব্যবস্থা করেছি।বার্তা পৌঁছে দিয়েছি হাত দোয়ার কোন বিকল্প নেই এ ভাইরাস প্রতিহত করতে। আমাদের রয়েছে সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের নিয়ে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, সে অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এ সংক্রমণ প্রতিরোধে যাবতীয় নিয়ম মেনে আমরা মাঠ পর্যায়ে থেকে কাজ করছি এবং করোনা মোকাবেলায় আমাদের পাঁচটি ইউনিট তৈরী করা হয়েছে।

সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের খাবার বিতরণে রয়েছে তৌফিকুর রহমান ইমন, মানিক আহমেদ, মোহাম্মদ কাইয়ূম। দূর দুরান্তে মধ্যবিত্ত পরিবারের ঘরে ঘরে বাজার পৌঁছাতে কাজ করছে-জোবায়েদ হোসেন, কুতুব উল্ল্যাহ শাহ সোহেল, মোরশেদ আহমেদ শান্ত, সুমন দে, রহিম উল্ল্যাহ, মাহফুজুর রহমান সহ আরো অনেকে।

এই দূর দুরান্তে বাজার পৌঁছে দিতে আমাদের বাইক সার্ভিস দিচ্ছে আগ্রাবাদ রাইডারস গ্রুপের সকল সদস্যবৃন্দ।

এছাড়াও মধ্যবিত্ত পরিবারের সার্বিক অবস্থা যাচাই করছে শাহরিয়ার পিপলু ও রিশাত। এছাড়া তথ্য ও ফাইনান্স বিষয় নিয়ন্ত্রণ করছে ওমর ফারুক বিপ্লব, আব্দুল্লাহ আল নোমান, নওশাদ হাসান রাজু ও তৌফিক রবিন। প্যাকিং কার্যক্রমে রয়েছে মুক্তা শিকদারের নেতৃত্বে আলোর আশার অন্যান্য সদস্য বৃন্দ।

সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সংগঠনের সকল সদস্যবৃন্দ। এছাড়াও যে-কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ফলপ্রসূ কাজ করলে সবার ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে দেশের এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব বলে আমাদের বিশ্বাস। এ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন জনগণের পাশে থাকবে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন।অর্থ সংকটে যেন থেমে না যায় আমাদের এই কার্যক্রম তাই সংস্থার পক্ষ থেকে সকল বিত্তবান মানুষদের এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়েছে।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।