খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তথ্যমন্ত্রী’র নির্দেশে রাঙ্গুনিয়ায় কৃষকের পাকা ধান কেটে দিচ্ছে ছাত্রলীগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২০, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
তথ্যমন্ত্রী’র নির্দেশে রাঙ্গুনিয়ায় কৃষকের পাকা ধান কেটে দিচ্ছে ছাত্রলীগ

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে অঘোষিত লকডাউনের কারণে বিপাকে পরা চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দরিদ্র কৃষকদের ধান কেটে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন উপজেলা ছাত্র লীগের নেতাকর্মীরা।

রমজানের রোজা রেখে তীব্র রোদের ভ্যাপসা গরমে মাঠে নেমে কৃষকের ধান কেটে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছে ছাত্রলীগ।

এতে শ্রমিক সঙ্কটে থাকা দরিদ্র কৃষকরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ রাঙ্গুনিয়ার দরিদ্র কৃষকদের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিতে নির্দেশনা দেন নিজের নির্বাচনী এলাকা রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের।

রাঙ্গুনিয়ায় দরিদ্র কৃষকদের ধান কেটে ঘরে তুলে দিচ্ছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

উপজেলা ছাত্র লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রাসেল জানান, তথ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাঙ্গুনিয়ায় ইউনিয়ন ভিত্তিক টিম গঠন করা হয়েছে। তারা প্রতিদিন রাঙ্গুনিয়ার কোননা কোন বিলে নেমে দরিদ্র কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছে সামাজিক দুরত্ব মেনে। ইতিমধ্যে রাঙ্গুনিয়ার পারুয়া, পোমরা, পদুয়া, চন্দ্রঘোনাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে যে সমস্ত বিলে বোরা ধান পেকেছে সেসব এলাকার দরিদ্র কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ি ধান কেটে দিচ্ছে নেতাকর্মীরা।

শনিবার (০২ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের টিম ধান কেটেছে উপজেলার চন্দ্রঘোনা কদমতলি ইউনিয়নের গুমাইবিল অংশে।

আধুরপাড়া গ্রামের দরিদ্র কৃষক আবুল কাশেমের ২৫শতক জমির ধান কেটে ছাত্রলীগ কর্মীরা কৃষকের ঘরে পৌঁছে দেন।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শিমুল গুপ্তের নেতৃত্বে ধান কাটায় অংশ নেন চন্দ্রঘোনা কদমতলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রনি খাঁন, ইমাম গাজ্জালী কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি রনি দাশ, ছাত্রলীগ নেতা লাভলু, ছোটন, অনুপ, ইলিয়াছ ইমন, সজিব, সৈকতসহ প্রায় ১৫জনের টিম।

এরআগে শুক্রবার পোমরা ইউনিয়নের মো. শফি নামের এক কৃষকের ২০ শতক জমির ধান কেটে দিয়েছে পোমরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ।

একইদিন পারুয়া ইউনিয়নের হাজারি বিলের কৃষক লেদু মিয়ার ৪৪ শতক জমির ধান কাটেন উপজেলা ও পারুয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগনেতা রাকিবুল হাসান বাবুর নেতৃত্বে ১৫ জনের টিম।

গত ২৬ এপ্রিল পদুয়া ইউনিয়নের সাপলেজাপাড়া বিলে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কৃষক আবদুল কাদেরের ৩৫ শতক জমির ধান কেটে ঘরে তুলে দেন ছাত্রলীগ নেতা আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে টিম।

এভাবে রাঙ্গুনিয়ার যেসমস্ত বিলে ধান পেকেছে এবং ধানকাটা শ্রমিকের অভাবে দরিদ্র কৃষকরা ধান কাটতে পারছেনা তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে ছাত্রলীগ।

পারুয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি রাকিবুল হাসান বাবু বলেন, রাঙ্গুনিয়া থেকে নির্বাচিত সাংসদ তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের নির্দেশে পারুয়া ইউনিয়নে যেসমস্ত কৃষক শ্রমিক কিংবা অর্থ সংকটে পাকা ধান কাটতে পারছেননা তাদের সাহায্য করা হবে জানিয়ে ফেসবুকে নাম্বার দিয়ে একটি পোষ্ট দেওয়া হয়। কৃষক নুর মোহাম্মদ যোগাযোগ করলে আমরা তার পাশে দাঁড়াই।

রাঙ্গুনিয়ায় দরিদ্র কৃষকদের ধান কেটে ঘরে তুলে দিচ্ছেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শিমুল দাশ গুপ্ত বলেন, চট্টগ্রামের শস্য ভান্ডারখ্যাত গুমাই বিলসহ রাঙ্গুনিয়ার বিস্তির্ণ এলাকায় বেরো ধান পেকেছে। প্রতিবছরের ন্যায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এবার ধান কাটা শ্রমিকরা আসতে পারছেনা। কৃষকের এই সঙ্কটে তথ্যমন্ত্রী ছাত্রলীগসহ নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন দরিদ্র কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিতে। রাঙ্গুনিয়ার যেসমস্ত দরিদ্র কৃষক শ্রমিকের অভাবে ধান কাটতে বিপাকে পড়বে তারা যোগাযোগ করলেই ছাত্রলীগের টিম পৌঁছে যাবে বলে তিনি জানান।

চট্টগ্রামের শস্য ভান্ডারখ্যাত রাঙ্গুনিয়ার গুমাই বিলের কৃষক আবুল কাশেম জানান, আমি দুই কানি জমিতে বোরা ধানের চাষ করেছি, ধানও পেকেছে। দেশের সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে বাজারে শ্রমিক না পেয়ে যখন আমার কপালে ভাঁজ পড়ে তখন ছাত্রলীগের ভাইয়েরা এসে আমার জমির ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়ে গেলেন। এই সময়ে তারা কৃষকের পাশে এসে দাঁড়ানোয় রাঙ্গুনিয়ার অনেক দরিদ্র কৃষকের চিন্তামুক্ত হবে বলে জানান তিনি।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’