খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে এক বাড়িতে একাধিক নকল পণ্য তৈরীর কারখানা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
সীতাকুণ্ডে এক বাড়িতে একাধিক নকল পণ্য তৈরীর কারখানা

কামরুল ইসলাম দুলু, সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি : সীতাকুণ্ডে বিএসটিআই এর নকল লেভেল ব্যবহার করে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন ধরে বাজারজাত করা হচ্ছিল ড্রিংকিং মিনারেল ওয়াটার। এমন একটি কারখানার গোপন তথ্য পেয়ে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) অভিযান চালান উপজেলার মাদামবিবিরহাটস্থ নেভি রোড এলাকায় জনৈক নুরুল ইসলামের বাড়িতে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে ঐ বাড়িতে অবৈধ মিনারেল ওয়াটার কারখানায় অভিযান চালাতে গিয়ে বাড়ির ভেতরে আরো কয়েকটি নকল ও ভেজাল পণ্য তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া যায়।

দীর্ঘদিন ধরে ওই কারখানায় বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিটিউট (বিএসটিআই) ও পরিবেশ অধিদফতরের কোনও অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন নকল পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছিল।

অভিযানে ওই কারখানা থেকে প্রায় ৪ ধরনের নকল পণ্য ও উৎপাদনে ব্যবহৃত মেশিন পাওয়া যায়। পণ্যগুলোর মধ্য রয়েছে মিনারেল ওয়াটার তৈরি, নিম্নমানের কাপড় ধোয়ার পাউডার, চা-পাতা, দাঁতের মাজনসহ বিভিন্ন পণ্য তৈরির বিষাক্ত ক্যামিক্যাল।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন রায়।

এ সময় এসব পণ্য উৎপাদনকারী ব্যাক্তি বাড়ির মালিক নুরুল ইসলাম পালিয়ে যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয় এবং এই বাড়ির অবৈধ কাজে ব্যবহৃত রুম গুলো সীলগালা করা হয়। নিজ বাড়িকে প্রতিষ্ঠান বানিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসছে অবৈধ রমরমা ব্যবসা। বাইরে থেকে দেখে বুঝার উপায় নেই যে ঘরের ভিতরে এতো কিছুর কারখানা রয়েছে।

এব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন রায় বলেন, একটি বাড়ির কয়েকটি রুমকে নকল পণ্যে তৈরীর কারখানা বানিয়েছে বাড়ির মালিক নুরুল ইসলাম। আমরা গোপন সংবাদের সূত্রে জানতে পারি অবৈধ মিনারেল পানির কারখানা। অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে পাওয়া যায় আরো অনেকগুলো নকল পণ্য তৈরীর কারখানা। এগুলো সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। মালিক পালিয়ে যাওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এন এসআই) এর সহকারী পরিচারক শাহরিয়ার, অপু এবং সীতাকুণ্ডের জুনিয়ার ফিল্ড অফিসার শেখ রেজাউল করিম।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…