খুঁজুন
, ,

অভিন্ন ছুটি এবং সকল প্রকার আন্তঃজেলা পরিবহন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখার আহ্বান সুজনের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 18 July, 2020, 7:13 pm
অভিন্ন ছুটি এবং সকল প্রকার আন্তঃজেলা পরিবহন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখার আহ্বান সুজনের

বর্তমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে কমিউনিটি সংক্রমণ বন্ধ করতে হলে আসন্ন ঈদুল আযহায় অভিন্ন ছুটি বজায় রাখা এবং সকল প্রকার আন্তঃজেলা পরিবহন বন্ধ রাখার উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ শনিবার (১৮ জুলাই) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আহবান জানান।

এ সময় জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা সুজন বলেন, দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। আর এ সংক্রমণের মধ্যে এ মাসের শেষেই বাংলাদেশে উদযাপিত হতে যাচ্ছে মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা। ঈদুল আযহার ছুটিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে একেক সময় একেক রকম সংবাদে জনগণ বিভ্রান্ত হচ্ছে। তাই ঈদের ছুটির অভিন্নতা বজায় রাখার আহবান জানান তিনি।

তিনি বলেন, এবারের ঈদের ছুটির মূল লক্ষ্য হতে হবে স্বল্প পরিসরে ঈদুল আযহা পালন এবং কমিউনিটি সংক্রমণ থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করা। আর কমিউনিটি সংক্রমণ থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতে হলে অবশ্যই অবশ্যই ঈদুল আযহার ২ দিন আগে থেকে আন্তঃজেলা পরিবহন সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখতে হবে। তাছাড়া ঈদের আগে এবং পরে মিলিয়ে ৯ দিন সারাদেশে পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকার ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে। এতে করে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর সংকট সৃষ্টি হয়ে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। আর জনগন ভোগান্তিতে পড়তে পারে। তাই এ বিষয়টি নিয়ে আরো বিশ্লেষণও প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, জনসাধারনের প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকবে যে যেখানে আছেন, সেখানেই অবস্থান করে যাতে ঈদের নামাজ আদায় করে। পরিবার বাড়িতে অবস্থানকালীন সময়ে পশু কোরবানির প্রয়োজনে আগেভাগেই বাড়িতে টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। এবারের ঈদুল আযহা যেনো শুধুমাত্র নিয়ম রক্ষার ঈদ হয়। ঈদুল আযহার চাকচিক্য পরিহার করতে পারলেই আমরা সংক্রমণের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পাবো।

এছাড়া বলা হচ্ছে যে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বাড়িতে না যাওয়ার জন্য। যদি ঈদুল আযহার ছুটি দেওয়া হয় আর গণপরিবহনও চালু থাকে সেক্ষেত্রে গার্মেন্টস শ্রমিকদের বাড়ী অভিমুখী স্রোত কোনভাবেই ঠেকানো সম্ভব নয়। তাছাড়া গার্মেন্টস শ্রমিকদের মধ্যে শতকরা ৭৫ ভাগই হচ্ছে মহিলা। আর এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মুসলমান সম্প্রদায়। যেহেতু মহিলারা ঈদের জামাতে শরীক হন না সেহেতু এ পরিস্থিতিতে তাদের বাড়িতে যাওয়া কিংবা নিজ নিজ অবস্থানে থাকার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। তাই আমাদের অনুরোধ থাকবে প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মচারীর জন্য ঈদের ছুটি যেন অভিন্ন থাকে। ঈদের ছুটি নিয়ে যেন কোন প্রকার দ্বৈত নীতি অনুসরণ করা না হয়।

শহরের মধ্যে বড় পশুর হাটকে অনুৎসাহিত করে আঞ্চলিক পশুর হাটকে উৎসাহিত করারও আহবান জানান তিনি। কেননা বর্তমান পরিস্থিতিতে কোরবানির পশুর হাটই হচ্ছে করোনাভাইরাস সংক্রমণের একটি উৎকৃষ্ট স্থান। তাই অনলাইনে পশু ক্রয় বিক্রয়কে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ইতিমধ্যে যারা অনলাইনে পশু ক্রয় বিক্রয় শুরু করেছে এবং নিষ্ঠা ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কোরবানির পশু জবাই করে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তাদেরকেও নাগরিক উদ্যোগের পক্ষ থেকে সাধুবাদ জানান তিনি।

এছাড়া নগরীর অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশু জবাই করে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করার অনুরোধ জানান সুজন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।