খুঁজুন
, ,

মিরসরাইতে কৃষকের ৭শ একর জমি অধিগ্রহণ করে এমপি পুত্রকে দেওয়ার গুজব নাকচ করলেন বেজা চেয়ারম্যান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 August, 2020, 8:31 pm
মিরসরাইতে কৃষকের ৭শ একর জমি অধিগ্রহণ করে এমপি পুত্রকে দেওয়ার গুজব নাকচ করলেন বেজা চেয়ারম্যান

আশরাফ উদ্দিন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : মিরসরাইয়ের এক মাত্র শিল্প নগরী বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর এলাকায় নতুন করে ৭’শ একর তিন ফসলি কৃষকের জমি বেজা কর্তৃক অধিগ্রহণ করে তা এমপি পুত্র ইঞ্চিনিয়ার রুহেলের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে গুজব উঠেছে মিরসরাই জুড়ে। তবে এমন গুজবের সত্যতা নাকচ করেছেন বেজা (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ) নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরি।

বুধবার (৫ আগষ্ট) দুপুর ৩টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর এলাকায় জমির মালিক, স্থানিয় জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের সাথে উন্নয়ন মুলক মতবিনিময় সভায় এই বিষয়ে নিশ্চিত করেন তিনি।

মত বিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মিরসরাই সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের পুত্র হোটেল পেনিনসুলা ও এসবি ট্রেড্রার্সের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুর রহমান রুহেল, সভাপতিত্ব করেন পবন চৌধুরি। উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় একাধিক চেয়ারম্যান, মেম্বার, জনপ্রতিনিধ, বেজা কর্মকর্তা ও সাংবাদিক বৃন্দ।

মতবিনিময় সভার শুরুতেই বক্তব্য রাখেন এমপি পুত্র মাহবুবুর রহমান রুহেল, তিনি তার বক্তব্যে ইকোনোমিক জোন নিয়ে সরকাররের সাফল্যে পিতার ব্যাক্তিগত প্রচেষ্টা ও পবন চৌধুরির নিরলশ পরিশ্রমের প্রশংসা করেন। এছাড়া তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ উপেক্ষা করে কোন ফসলি অধিগ্রহণ করা হবে না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক সাগর থেকে জেগে উঠা সৃষ্ট চরের ৩০ হাজার একরেই অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে।

বিশেষ অতিথি মাহবুবুর রহমান রুহেলের বক্তব্যের পরেই ইকোনোমিক জোনের বিভিন্ন কর্মঅগ্রগতি ব্যাখ্যা শেষে উন্মোক্ত আলোচনার আহ্বান জানান পবন চৌধুরি।

উন্মোক্ত আলোচনায় স্থানিয় চেয়ারম্যান, মেম্বার, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। তবে বিভিন্ন প্রশ্নের মধ্যে উপস্থিত সকলের নজরে আজে ১৬নং সাহেরখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল হায়দার চৌধুরির জিজ্ঞাসায়। তিনি পবন চৌধুরির কাছে জানতে চান বেজা নতুন করে ৭০০ একর তিন ফসলি জমি অধিগ্রহন করছে কিনা? যেটি নিয়ে গত বেশ কিছুদিন যাবত জমির মালিক ও কৃষক সমাজ আন্দোলন, সভা-সমাবেশ করে আসছে? ঘুজব উঠেছে উক্ত জমি বেজা অধিগ্রহণ করে এমপি পুত্র রুহেলের কাছে হস্তান্তর করবে এটার সত্যতা ও গ্রহণ যোগ্যতা কতটুকু।

চেয়ারম্যান কামরুল হায়দার চৌধুরির প্রশ্নে পবন চৌধুরি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ইকোনোমিক জোন একটি বিশাল অর্থনৈতিক মহড়া, এই মহড়া সফল করতে বৃহৎ স্বার্থে স্থানিয়দের সামান্য ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। যেখানে এক সময় ভাটার সময় মহিষ চরতো আর যোয়ারের সময় সাগরে তলিয়ে যেত সেখানে এখন উচু দালান তৈরি হচ্ছে, শুরু হয়েছে অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞ। এই অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞের সুফল বয়ে আনবে এতদ অঞ্চলে, লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থানে সৃষ্টি হবে এখানে স্থানিয়রাই অগ্রাধিকার পাবে কর্মক্ষেত্রে। বৃহৎ স্বার্থে কৃষকদের জমি যদি অধিগ্রহণ করা হয় তাহলে আমরা কৃষকদের সাথে সমযোতার মাধ্যকে গ্রহণ করা হবে। তাদের জন্য আলাদা করে কলোনি তৈরি করা হবে। যেখানে ঘর-বাড়ি, মসজিদ সহ সকল প্রকার নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। তবে অধিগ্রহণ কৃত জমি বা ভূমি এমপি পুত্র ইঞ্চিনিয়ার মাহবুবুর রহমানকে হস্তান্তর করা হবে এটা সম্পুর্ণ গুজব, মিথ্যা ও বানোয়াট।

তিনি আরো বলেন, আমি নিজেই দ্বায়িত্ব নিয়ে বলছি রুহেলকে এক ইঞ্চি মাটিও দেয়া হবে না এই ৭’শ একর জমি থেকে। এমন ঘোষণায় উপস্থিত জনপ্রতিনিধিও স্থানিয়রা করতালি দিয়ে অভিবাদন জানান। তবে এমপি পুত্র রুহেল ওই সময় পবন চৌধুরির পাশে থাকলেও কোন মন্তব্য করেননি।

এছাড়া স্থানিয় সাংবাদিক ও জনপ্রতিনিধিদের আরো কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে একোনোমিক জোন এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির বেশ কয়েকটি গাছ রোপন করে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্ধোধন করেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2
Feb2

নেপালে শতাধিক বিদেশি পর্যটকসহ নিখোঁজ ৪০০, নিহত ৫৫

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 August, 2026, 7:59 pm
নেপালে শতাধিক বিদেশি পর্যটকসহ নিখোঁজ ৪০০, নিহত ৫৫

নেপালে আকস্মিক বন্যায় ৪০০ জন পর্যটক নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে। দেশটির ট্যুরিজম বোর্ডের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে ২৯১ জনই বিদেশি নাগরিক। ১০৫ জন ভারতীয় এবং ১১১ জনের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শনাক্ত হওয়া বাকিদের মধ্যে নেপালের স্থানীয়, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশের নাগরিক আছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে রাত সাড়ে ৭টার পর বার্তা সংস্থা রয়টার্স ৫৫ জন নিহতের তথ্য দিয়েছে। নিখোঁজ ও হতাহতের সংখ্যা নিয়মিত বাড়ছে। এই বন্যায় প্রতিবেশী তিব্বতেও ‘ব্যাপক হতাহতের’ খবর দিয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি। দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিব্বতে কৈলাস মানসসরোবরে যাওয়া প্রায় ৪০০ তীর্থযাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

বুধবার ভোরে আকস্মিক বন্যায় নেপালের রাসুওয়া জেলায় চীন সীমান্তবর্তী এলাকার কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়। সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল প্রাথমিক তথ্যের বরাত দিয়ে পার্লামেন্টে জানিয়েছেন, হিমালয় ঘেঁষা চীন-নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকায় সকালে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এরপর শুরু হয় তুষারধস। সেখান থেকে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে তিব্বত অঞ্চলে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। শিশির খানাল জানান, তাঁর দেশ চীনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত ২৬ পুলিশ সদস্য, ৯ জন সশস্ত্র পুলিশ সদস্য এবং ৪৪ জন সামরিক সদস্য নিখোঁজ আছেন।

এদিকে দ্য কাঠমান্ডু পোস্টকে কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও জলবায়ু গবেষক রিজন ভক্ত কায়স্থ জানিয়েছেন, প্রাথমিক মূল্যায়নে ধারণা করা হচ্ছে, তুষারধস লহেন্দে নদীর প্রবাহ আটকে দিলে ভোতেকোশি নদীতে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। একই সময় ভূমিকম্পও অনুভূত হয়।

নেপাল পুলিশ ও এএফপির প্রকাশ করা ছবিতে দেখা যায়, নদীর প্রবল স্রোত আশপাশের বাড়িঘর ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কাদামাটির মধ্যে একটি বাড়ির শুধু ওপরের তলা বেরিয়ে আছে। নেপালের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তারা হেলিকপ্টার ও দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশিক্ষিত সদস্যদের পাঠিয়েছে।

জলবিদ্যুৎ ও সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ প্রায় ৪৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছে নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ। বেশ কয়েকটি মহাসড়কও বন্ধ হয়ে গেছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, নেপালের অংশে বন্যার কারণে তিব্বতের গিরং বন্দরে ব্যাপক হতাহত ও বহু মানুষ নিখোঁজ হয়েছে। সিনহুয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সর্বাত্মক উদ্ধার অভিযান চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। তবে এসব প্রতিবেদনে তিব্বতে আহত বা নিহতের সংখ্যা জানানো হয়নি।

বম্বে সুইটসের মসলা ও বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 August, 2026, 6:24 pm
বম্বে সুইটসের মসলা ও বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান (বিডিএস) অনুযায়ী নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের মসলা ও বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। একই সঙ্গে এসব পণ্যের অনুকূলে দেওয়া বিএসটিআই লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষায় নিম্নমানের প্রমাণিত হওয়ায় এসব পণ্য না কেনার জন্য ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছে বিএসটিআই।

আজ বুধবার বিএসটিআই জানিয়েছে, নিয়মিত সার্ভিল্যান্স কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সম্প্রতি বাজার থেকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য সংগ্রহ করে নিজস্ব অত্যাধুনিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। এতে বেশ কিছু পণ্যের মান সঠিক পাওয়া গেলেও কয়েকটি ব্র্যান্ডের ঘি, বাটার অয়েল ও মসলা নির্ধারিত মান পূরণে ব্যর্থ হয়।

বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় বাঘাবাড়ি ব্র্যান্ডের ঘিতে মিল্ক ফ্যাট পাওয়া যায়নি। পাম অলিন ও বনস্পতি ব্যবহার করে তা ‘ঘি’ নামে বাজারজাত করার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ ছাড়া বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোং লিমিটেডের উৎপাদিত কারি পাউডার হাঁসের মাংসের মসলা, তেহারি মসলা, কালা ভুনা মসলা, গরুর মাংসের মসলা ও মাছের মসলা পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান অনুযায়ী অকৃতকার্য হয়েছে। এসব মসলায় মোট অ্যাশ ও লবণের মাত্রা নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি পাওয়া গেছে।

নিম্নমানের ঘি ও বাটার অয়েলের তালিকায় রয়েছে বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানির ‘বাঘাবাড়ি’ ব্র্যান্ডের ঘি, কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টসের ‘অরুন বাঘাবাড়ী’ ব্র্যান্ডের ঘি, মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্টের ‘নিউ রাঁধুনী’ ও ‘সিটি’ ব্র্যান্ডের ঘি এবং এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের ‘এলডার্স’ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল।

পরীক্ষায় এসব ঘি ও বাটার অয়েলে রিফ্র্যাক্টিভ ইনডেক্স, আয়োডিন ভ্যালু, স্যাপোনিফিকেশন ভ্যালু ও পলেন্সকে ভ্যালু নির্ধারিত সীমার বাইরে পাওয়া গেছে।

বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জাতীয় মান অনুযায়ী পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

তিনি বলেন, পণ্যের মান সনদ দেওয়ার পাশাপাশি নকল ও ভেজাল রোধে সার্ভিল্যান্সের মাধ্যমে বিএসটিআইয়ের কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

পণ্য কেনার আগে বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ, পণ্যের উপাদানসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছেন মহাপরিচালক।

জুলুসে জনসমুদ্র চট্টগ্রাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 August, 2026, 2:35 pm
জুলুসে জনসমুদ্র চট্টগ্রাম

লাখো মানুষের অংশগ্রহণে জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে জশনে জুলুস। ৫৫তম জশনে জুলুসে নেতৃত্ব দিয়েঠেন পাকিস্তানের দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ (ম.জি.আ.)। সঙ্গে ছিলেন সাহেবজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ.) ও শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব আহমেদ শাহ (ম.জি.আ)।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঐতিহ্যের জশনে জুলুস শুরু হয়।

ভিড় পেরিয়ে সেই জুলুস অপরপ্রান্ত টাইগারপাসে পৌঁছে দুপুর সাড়ে ১২টায়। এ সময় আকাশ মেঘে ছেয়ে যায়, ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টি শুরু হয়।

বৃষ্টিতে ভিজেই হুজুর কেবলার গাড়ি অনুসরণ করে জুলুস। আবার একই পথে ফিরে যায় জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা মাঠে।

জুলুস অংশগ্রহণকারী ও পথচারীদের পানি, শরবত, খেজুর, কলা, বিরিয়ানি বিতরণ করছেন বিভিন্ন সংগঠন ও আগ্রহী মানুষেরা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বাইরে প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক জলুসের শৃঙ্খলা ও ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পালন করেছেন। জুলুস চলাকালে লালখান বাজার-মুরাদপুর ফ্লাইওভার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ছিল।

জুলুসের কারণে বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে বাস, ট্রাক, পিকআপ, মোটরসাইকেলে আশেকরা আসেন নগরে। স্বাভাবিকভাবেই কিছু সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।

১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিবছর ১২ রবিউল আউয়াল আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রাম নগরে এ জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।

পীর আল্লামা সাবির শাহ বলেন, প্রিয় নবীর আগমনে খুশি উদযাপন করা কোরআন, হাদিস দ্বারা স্বীকৃত। আল্লাহ নেয়ামত প্রাপ্তিতে আনন্দ তথা ঈদ উদযাপন করতে বলেছেন। তাই সর্বকালের, সর্বশ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মদ (দ) প্রত্যেক সৃষ্টির জন্য নেয়ামত। জশনে জুলুস এমন একটা কর্মসূচি যেখানে শরীয়ত বিরোধী কোনো কাজ হয় না। কোরআন তেলাওয়াত, নাতে রাসুল (দ) পাঠ, রাসুলের সীরাত আলোচনা হয় এখানে। তাই ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন করতে পারা ভাগ্যের ব্যাপার।

জুলুসে আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মনজুর আলম, সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, এডিশনাল সেক্রেটারি আলহাজ শামসুদ্দিন, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি মোহাম্মদ কমর উদ্দীন (সবুর), প্রেস এন্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি মোহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দীন, ক্যাবিনেট মেম্বার পেয়ার মোহাম্মদ, মাহমুদ নেওয়াজ, মহিউদ্দিন খোকনসহ গাউসিয়া কমিটির নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।