খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিরসরাইতে কৃষকের ৭শ একর জমি অধিগ্রহণ করে এমপি পুত্রকে দেওয়ার গুজব নাকচ করলেন বেজা চেয়ারম্যান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২০, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
মিরসরাইতে কৃষকের ৭শ একর জমি অধিগ্রহণ করে এমপি পুত্রকে দেওয়ার গুজব নাকচ করলেন বেজা চেয়ারম্যান

আশরাফ উদ্দিন, মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : মিরসরাইয়ের এক মাত্র শিল্প নগরী বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর এলাকায় নতুন করে ৭’শ একর তিন ফসলি কৃষকের জমি বেজা কর্তৃক অধিগ্রহণ করে তা এমপি পুত্র ইঞ্চিনিয়ার রুহেলের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে গুজব উঠেছে মিরসরাই জুড়ে। তবে এমন গুজবের সত্যতা নাকচ করেছেন বেজা (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ) নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরি।

বুধবার (৫ আগষ্ট) দুপুর ৩টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর এলাকায় জমির মালিক, স্থানিয় জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের সাথে উন্নয়ন মুলক মতবিনিময় সভায় এই বিষয়ে নিশ্চিত করেন তিনি।

মত বিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মিরসরাই সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের পুত্র হোটেল পেনিনসুলা ও এসবি ট্রেড্রার্সের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুর রহমান রুহেল, সভাপতিত্ব করেন পবন চৌধুরি। উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় একাধিক চেয়ারম্যান, মেম্বার, জনপ্রতিনিধ, বেজা কর্মকর্তা ও সাংবাদিক বৃন্দ।

মতবিনিময় সভার শুরুতেই বক্তব্য রাখেন এমপি পুত্র মাহবুবুর রহমান রুহেল, তিনি তার বক্তব্যে ইকোনোমিক জোন নিয়ে সরকাররের সাফল্যে পিতার ব্যাক্তিগত প্রচেষ্টা ও পবন চৌধুরির নিরলশ পরিশ্রমের প্রশংসা করেন। এছাড়া তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ উপেক্ষা করে কোন ফসলি অধিগ্রহণ করা হবে না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক সাগর থেকে জেগে উঠা সৃষ্ট চরের ৩০ হাজার একরেই অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে।

বিশেষ অতিথি মাহবুবুর রহমান রুহেলের বক্তব্যের পরেই ইকোনোমিক জোনের বিভিন্ন কর্মঅগ্রগতি ব্যাখ্যা শেষে উন্মোক্ত আলোচনার আহ্বান জানান পবন চৌধুরি।

উন্মোক্ত আলোচনায় স্থানিয় চেয়ারম্যান, মেম্বার, জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। তবে বিভিন্ন প্রশ্নের মধ্যে উপস্থিত সকলের নজরে আজে ১৬নং সাহেরখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল হায়দার চৌধুরির জিজ্ঞাসায়। তিনি পবন চৌধুরির কাছে জানতে চান বেজা নতুন করে ৭০০ একর তিন ফসলি জমি অধিগ্রহন করছে কিনা? যেটি নিয়ে গত বেশ কিছুদিন যাবত জমির মালিক ও কৃষক সমাজ আন্দোলন, সভা-সমাবেশ করে আসছে? ঘুজব উঠেছে উক্ত জমি বেজা অধিগ্রহণ করে এমপি পুত্র রুহেলের কাছে হস্তান্তর করবে এটার সত্যতা ও গ্রহণ যোগ্যতা কতটুকু।

চেয়ারম্যান কামরুল হায়দার চৌধুরির প্রশ্নে পবন চৌধুরি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ইকোনোমিক জোন একটি বিশাল অর্থনৈতিক মহড়া, এই মহড়া সফল করতে বৃহৎ স্বার্থে স্থানিয়দের সামান্য ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। যেখানে এক সময় ভাটার সময় মহিষ চরতো আর যোয়ারের সময় সাগরে তলিয়ে যেত সেখানে এখন উচু দালান তৈরি হচ্ছে, শুরু হয়েছে অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞ। এই অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞের সুফল বয়ে আনবে এতদ অঞ্চলে, লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থানে সৃষ্টি হবে এখানে স্থানিয়রাই অগ্রাধিকার পাবে কর্মক্ষেত্রে। বৃহৎ স্বার্থে কৃষকদের জমি যদি অধিগ্রহণ করা হয় তাহলে আমরা কৃষকদের সাথে সমযোতার মাধ্যকে গ্রহণ করা হবে। তাদের জন্য আলাদা করে কলোনি তৈরি করা হবে। যেখানে ঘর-বাড়ি, মসজিদ সহ সকল প্রকার নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। তবে অধিগ্রহণ কৃত জমি বা ভূমি এমপি পুত্র ইঞ্চিনিয়ার মাহবুবুর রহমানকে হস্তান্তর করা হবে এটা সম্পুর্ণ গুজব, মিথ্যা ও বানোয়াট।

তিনি আরো বলেন, আমি নিজেই দ্বায়িত্ব নিয়ে বলছি রুহেলকে এক ইঞ্চি মাটিও দেয়া হবে না এই ৭’শ একর জমি থেকে। এমন ঘোষণায় উপস্থিত জনপ্রতিনিধিও স্থানিয়রা করতালি দিয়ে অভিবাদন জানান। তবে এমপি পুত্র রুহেল ওই সময় পবন চৌধুরির পাশে থাকলেও কোন মন্তব্য করেননি।

এছাড়া স্থানিয় সাংবাদিক ও জনপ্রতিনিধিদের আরো কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে একোনোমিক জোন এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির বেশ কয়েকটি গাছ রোপন করে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্ধোধন করেন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
পহেলা বৈশাখে ১০ জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলসহ দেশের ১০টি জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) সরকারি এক তথ্যবিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, পহেলা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইলসহ বাংলাদেশের ১০টি জেলায় কৃষক কার্ড বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থেকে কৃষকদের মধ্যে কার্ড বিতরণ করবেন।

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।