খুঁজুন
, ,

আ.লীগের মধু খেয়ে নৌকার ভরাডুবি করতে ষড়যন্ত্র করেছে বাবুল : এমপি নদভী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 December, 2020, 6:54 pm
আ.লীগের মধু খেয়ে নৌকার ভরাডুবি করতে ষড়যন্ত্র করেছে বাবুল : এমপি নদভী

লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : গত কিছুদিন পূর্বে অনুষ্টিত তিনটি ইউপি নির্বাচনে লোহাগাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুল নৌকার ভরাডুবির জন্য সব ধরনের ষড়যন্ত্র করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী।

বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) রাত ৮টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বীর বিক্রম পিএসসি’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চুনতিবাসীর উদ্যোগে চুনতিস্থ আবেদীন সাহেবের গ্রামের বাড়ীতে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রফেসর ড. নদভী এমপি বলেন, মেজর জেনারেল আবেদীন মামা সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে প্রসারিত করার জন্য কিছু কিছু লোককে দলে আনার চেষ্টা করেছেন। তাদেরকে বিভিন্নভাবে সুযোগ-সুবিধা দিয়ে স্টাবলিষ্ট করেছেন। কিন্তু উনারা হলেন বড় ধরণের মুনাফেক আর বেঈমান। আবেদীন মামার ইন্তেকালের পর ওনারা মোনাফেক আর বেঈমান হয়ে গেছে।

এ সময় ড. নদভী এমপি লোহাগাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউল হক চৌধুরী বাবুলের দিকে সরাসরি ইঙ্গিত করে বলেন, আবেদীন মামা ও আমার সহযোগীতায় বাবুল আওয়ামী লীগের মাধ্যমে আজীবন উপকৃত হয়েছে। আমাদের মাধ্যমে হয়েছে, এক নাম্বার উপকৃত হয়েছে আবেদীন মামার মাধ্যমে। আওয়ামী লীগ থেকে সবকিছু খেয়েছে। আওয়ামী লীগের মধু খেয়ে তার পেট অনেক বড় হয়েছে। খেয়ে হজমও হয়ে গেছে। আবেদীন মামার মৃত্যুর পর বেঈমান হয়ে গেছ । গত ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত লোহাগাড়ার তিন ইউপি নির্বাচনে নৌকার ভরাডুবির জন্য সব ধরনের ষড়যন্ত্র করেছে এই বাবুল চেয়ারম্যান। তাকে আমরা ছাড় দেবো না। আবেদীন মামার জন্য আজীবন মাগফিরাত কামনা করবো কিন্তু এই মুনাফিকদেরকে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় আর জায়গা দেবো না। আমি কিন্তু কঠোর মানুষ। আওয়ামী লীগের প্রশ্নে কোন আপোষ নেই।
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দলের জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করবেন। অসহায় ও সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করবেন। তাদের পাশে থাকবেন। কোন মোনাফিকদের সাথে থাকবেন না এবং কাজ করবেন না।

প্রয়াত সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবেদীনের গুণাবলী তুলে ধরতে গিয়ে ড. নদভী এমপি বলেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির অগ্রযাত্রা ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের অভিযাত্রায় ধ্রুবতারা হয়ে বেঁচে থাকবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদীর্ঘকালীন সামরিক সচিবের দায়িত্ব পালনকারী মেধাবী সামরিক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন।
কিংবদন্তীতুল্য সামরিক সচিবের প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছিল অগাধ আস্থা ও বিশ্বাস এবং তাঁকে পরিবারের একজন সদস্য মনে করতেন।

তিনি বলেন, সৎ, নীতিবান ও বড়মাপের এই দেশপ্রেমিক সামরিক কর্মকর্তার গৌরবময় কীর্তিগাঁথা এবং নেতৃত্ব বাহিনীতে চির অনুসরণীয় হয়ে থাকবে। আত্মীয়তার সূত্রে এবং নিজের বাবার কাছের ছাত্র হিসেবে তাঁর সান্নিধ্যে এসে পাওয়া অকৃত্রিম স্নেহ ও ভালোবাসার কথা অত্যন্ত শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে ড.আবু রেজা নদভী এমপি বলেন, বহুমুখী প্রতিভাধর সাদামনের অসাধারন ব্যক্তিত্বের অধিকারী মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নুল আবেদীন ছিলেন অত্যন্ত ধর্মপরায়ন।

ইসলাম ধর্ম ও আরবী ভাষায় তাঁর ছিল অগাধ পান্ডিত্য। সরকার ও আলেম সমাজের মধ্যকার ভুল বুঝাবুঝি নিরসন করে সম্পর্কের সেতুবন্ধন রচনায় এবং কওমী মাদ্রাসার সনদের সরকারী স্বীকৃতি আদায়ে তাঁর সাথে দীর্ঘদিন কাজ করার স্মৃতিচারণ করে ড. আবু রেজা নদভী এমপি বলেন, এই দুই ইস্যুতে তাঁর ভূমিকা ছিল অপরিসীম। দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর দায়িত্ববোধ, দুর্দর্শী চিন্তা-ভাবনা দেখে বিমোহিত-বিমুগ্ধ হতাম বারবার।

প্রধানমন্ত্রীর প্রায়াত সামরিক সচিবের বড় ভাই মিয়া মোহাম্মদ ইসমাইল মানিকের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকারিয়া রহমান জিকু, লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খোরশেদ আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের কার্য্যনির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন হিরু, লোহাগাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাকির হোসাইন মাহমুদ, লোহাগাড়া সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুচ্ছাফা চৌধুরী, চুনতি ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন জনু, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ফজলে এলাহী আরজু ও উপজেলা বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পরিষদের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান প্রমুখ।

সভায় উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইব্রাহিম কবির, শাহ মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, আধুনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন, লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি একেএম আসিফুর রহমান চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক এরশাদুর রহমান রিয়াদসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী ও সর্বস্তরের জনসাধারণ।

২৪ ঘণ্টা/এ. কে. আজাদ

Feb2
Feb2

মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 9:28 am
মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি হলো অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের। একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কোকে হারিয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে। তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা।

শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।

স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা (বরাবর নিয়েছিলেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন। সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।

৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স। সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।

এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পান উসমান দেম্বেলে। শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 11:28 pm
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এ শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৫ এর আলোকে এই শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্য প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে রক্ষিত শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপরা। এছাড়া বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিকে অভিনন্দন জানান।

যুগ্ম-সচিব পদে ১৭৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 10:31 pm
যুগ্ম-সচিব পদে ১৭৯ কর্মকর্তার পদোন্নতি

১৭৯ জন উপসচিবকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। বিএনপি সরকার গঠন করার পর প্রশাসনে এটিই প্রথম বড় পদোন্নতি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তবে নতুন যুগ্ম-সচিবদের পদায়ন করে আদেশ জারি করা হয়নি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র সরাসরি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর বা অনলাইনে ই-মেইলে (sa1@mopa.gov.bd) পাঠাতে পারবেন।

পদোন্নতির আদেশে উল্লেখিত কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর/কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম ঠিকানা উল্লেখ করে যোগদানপত্র দাখিল করবেন।

পরবর্তী সময়ে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনরকম বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে, তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে পৃথক প্রজ্ঞাপনে আরও ৭ জনকে যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে একদিনে মোট ১৭৯ জন এ পদে পদোন্নতি দেওয়া হলো।

বর্তমানে প্রশাসনে যুগ্ম-সচিবের সংখ্যা হলো এক হাজার ৬১ জন। এ পদোন্নতির মূল বিবেচ্য ছিল বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) প্রশাসন ক্যাডারের ২৪তম ব্যাচ। এছাড়া ইতোপূর্বে বঞ্চিত বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তারাও পদোন্নতির তালিকায় রয়েছেন।

‘সরকারের উপসচিব, যুগ্মসচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিব পদে পদোন্নতি বিধিমালা, ২০০২’-এ বলা হয়েছে, যুগ্ম-সচিব পদে পদোন্নতির ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ও ৩০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডারের উপসচিব পদে কর্মরতদের বিবেচনায় নিতে হবে।

বিধিমালা অনুযায়ী, উপসচিব পদে কমপক্ষে ৫ বছর চাকরিসহ সংশ্লিষ্ট ক্যাডারের সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা বা উপ-সচিব পদে কমপক্ষে ৩ বছর চাকরিসহ ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে কোনো কর্মকর্তা যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হন।