খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রাম জনবিচ্ছিন্ন নগরীতে পরিণত হয়েছে- ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 19 June, 2022, 6:59 pm
চট্টগ্রাম জনবিচ্ছিন্ন নগরীতে পরিণত হয়েছে- ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন,চট্টগ্রাম এখন জনবিচ্ছিন্ন নগরীতে পরিণত হয়েছে। আমরা বারবার যেটা অনুমান করছিলাম বর্ষার মৌসুম আসার আগেই জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করতে না পারলে পুরনো নগরী জলে ডুবে যাবে সেই আশঙ্কা সত্যি হলো। বর্ষার মৌসুম শুরুতেই আজ পুরো নগরী জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত হয়েছে। কেউ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী হতে সর্ব শ্রেণীর মানুষকে আজ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মেগা প্রকল্পের নামে মেগা দুর্নীতির কারণে আজ নগরীর এই বেহাল দশা। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি নয় বলেই,জনগণের কল্যাণে এই সরকার কোন কাজ করছে না। তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় নয় তাই জনগণের কাছে তাদের কোনো জবাবদিহিতা নেই। অন্যদিকে আকবরশাহ এলাকায় পাহাড়ধসে এ পর্যন্ত ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক। যারা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, এই পাহাড় ধসে প্রতিবছরই নিহত হয়। কিন্তু কোনো স্থায়ী ভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করছে না সরকার। সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এটা রোধ কখনোই সম্ভব না। ভূমি মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও সিডিএ সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে পাহাড়ের পাদদেশে যারা আছে তাদেরকে পুনর্বাসন করলে স্থায়ীভাবে পাহাড় ধসে মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে। প্রতিবছরের পাহাড় ধস হওয়ার পরে যখন মানুষ হতাহত হয় পরবর্তীতে তাদেরকে সরিয়ে নেওয়া হয়। কিন্তু এটা কোন স্থায়ী সমাধান না। তাদেরকে পুনর্বাসন এর মাধ্যমে ঐ এলাকা থেকে সরিয়ে আনতে হবে।

তিনি আজ শনিবার (১৯ জুন) পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আকবরশাহ এলাকায় পাহাড় ধসে নিহত পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদানকালে উপরোক্ত কথা বলেন।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আমরা বিএনপি’র পক্ষ থেকে প্রতিবছরই দাবি করে আসছি ভূমিধসের স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে। কিন্তু সরকারের কাছে বারবার দাবি জানানো হলেও সরকার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। যার প্রেক্ষিতে প্রতি বছরে পাহাড়ধসে এভাবে তাজা প্রাণ ঝরে যাচ্ছে। সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে। জনগণের প্রতি তাদের কোনো দায়বদ্ধতা নেই। কারণ তারা জনগণের সরকার নয়।

পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন কালে উপস্থিত ছিলেন ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুস সাত্তার সেলিম,ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জমির আহমেদ,সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান চৌধুরী, থানা বিএনপির সহ সভাপতি রেহান উদ্দিন প্রধান,জামাল কোম্পানি, যুগ্ম সম্পাদক পলাশ চৌধুরী,ফরহাদ হোসেন,সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মাস্টার,ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি আবু হানিফ,সম্পাদক মন্ডলী সাহাব উদ্দিন, শেখ জামিল,শফি মাস্টার,মীর জাহাঙ্গীর, আকবরশাহ থানা জাসাস সভাপতি আঃ হান্নান শিবলী, আকবরশাহ থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ, ওয়ার্ড যুবদলের আহ্বায়ক মোঃ ইউনুছ, মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের সহ সম্পাদক তাজ উদ্দিন লিটন,বিএনপি নেতা কামাল উদ্দিন, বাচ্চু মেম্বার, ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন, মিজানুর রহমান রাজু, শামীম আহমেদ, থানা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির আহমেদ সোহেল।

এছাড়াও ইকবাল হোসেন,আব্দুল হাকিম,জসিম উদ্দিন, ঈমাম উদ্দিন তারেক, কাউছার হিমেল, অপু চৌধুরী, আকবর, ইব্রাহিম হোসেন সাদ্দাম, জাহিদুল, নাজিম, কাউছার, মোঃ সাল্লু, মোঃ মনি, মোঃ বেলাল, সবর, রুবেল হোসেন, ছাত্রদল নেতা ইকবাল, মোঃ শাহিন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।