খুঁজুন
, ,

ছেলেকে মাদকমুক্ত রাখতে হলে বাবা মাকেই উদ্যোগী হতে হবে-সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 29 September, 2019, 2:10 pm
ছেলেকে মাদকমুক্ত রাখতে হলে বাবা মাকেই উদ্যোগী হতে হবে-সুজন

.jpg

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, বর্তমানে যেভাবে মাদক ছড়িয়ে পড়ছে তার থেকে মুক্তি পেতে হলে বাবা মাকেই প্রথমে উদ্যোগী হতে হবে।

পারিবারিক বন্ধন শক্তিশালী করা, কাজের ফাঁকে সন্তানদের সময় দেয়া, নিয়মিত খোঁজ খবর নেয়া, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডসহ সুস্থ বিনোদনের ব্যবস্থার মাধ্যমে মাদকের করাল গ্রাস থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি গতকাল ২৮ সেপ্টেম্বর বিকালে নগরীর উত্তর কাট্টলীস্থ সামাজিক সংগঠন কাট্টলী সংসদের ৮ম বর্ষে পদার্পন উপলক্ষ্যে দিনব্যাপি আয়োজনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সামাজিক সংগঠন কাট্টলী সংসদের প্রধান উপদেষ্টা খোরশেদ আলম সুজন আরো বলেন, যুব সমাজকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, সন্তান কোথায় যায়, কার সাথে মিশে সে খবরও প্রতিনিয়ত মা বাবাকেই রাখতে হবে। তাছাড়া পরিবারে ধর্মীয় মূল্যবোধ এবং ধর্মীয় অনুশীলনের বিকাশ ঘটানোও একান্ত আবশ্যক।

মাদকের বিস্তার রোধে বাল্যকাল থেকেই সবার মধ্যে নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা এবং মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে। তাহলেই আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি মাদকমুক্ত সমাজ উপহার দিয়ে যেতে পারবো।

তিনি কাট্টলী সংসদের সকল সদস্যবৃন্দকে আর্থ সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষার বিস্তার, খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি ও সুস্থ রাজনীতির চর্চার মাধ্যমে জনগনের আস্থা অর্জনে কাজ করার আহবান জানান।

কাট্টলী সংসদের সভাপতি ইরফান আলম তানিমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আনন্দ আচার্যের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব এম এ জাফর, বীর মুক্তিযোদ্বা এড. আনোয়ারুল কবির চৌধুরী, মোঃ নুরুদ্দিন, সেলিম উল্লাহ্ চৌধুরী, মোঃ আবদুস সালাম, ফেরদৌসী নাজিম, আওয়ামী লীগ নেতা জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, চৌধুরী মোহাম্মাদ আলি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহবায়ক গিয়াস উদ্দিন জুয়েল, সেলিম উল্লাহ, নুরুদ্দিন চৌধুরী, সাইফুদ্দিন সাকি, আব্দুস সালাম, এমদাদুল হাসান বাবু, মাহবুবুরু রহমান, সাহাদাত হোসেন, সারওয়ার আলম কায়সার, মোহাম্মদ ইলিয়াস, মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন, নুরুল কবির, শহিদুল ইসলাম দুলদুল, শোয়েব ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল হারুন, হারুনুর রশিদ, মিজানুর রহমান মিজু, মোহাম্মদ ইসহাক, টুন্টু দাশ বিজয়, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, হাসান মোস্তফা, ইঞ্জিনিয়ার মিজানুর রহমান জনি, ইকবাল জাবেদ, জাহিদুল আলম রুবেল, ফরমান মোস্তফা, সাফায়েত রিদয়, রায়হান সাব্বির, ফরহাদ বিন জামাল শুভ, তুসার আহমেদ, মাইনুল আলম মানিক, জিসান রহমান, প্রিয়ং বসু, মামুনুর রশিদ সানি, অসিত দেব, সামির আকাশ, মেহেদি হাসান অনিক, ফারহান আলম, নাইমুর রহমান নিশান প্রমুখ।

দিনব্যাপী আয়োজনের ছিলো ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বিনামুল্যে রক্ত ও ডায়াবেটিক পরীক্ষা, শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ, সুধী সমাবেশ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্টান।

Feb2
Feb2

শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী : ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 11:21 am
শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকী : ধানমন্ডি ৩২ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ ও র‍্যাবের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন রয়েছে সেখানে।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের মূল প্রবেশপথে ব্যারিকেড দিয়ে রাখা হয়েছে। ব্যারিকেডের ভেতরে পুলিশ সদস্যদের অবস্থান করতে দেখা যায়। পাশেই একটি জলকামানও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি বা কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তা মোকাবিলায় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জলকামানটি আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সকাল থেকে কেউ সেখানে ফুল দিতে আসেনি বলে জানা গেছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানান, সকাল থেকে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুরো এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা রয়েছে। ৩২ নম্বরের পশ্চিম পাশেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান দেখা যায়।

সাধারণ মানুষের চলাচল ও প্রবেশের ওপরও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনটি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে এলাকাটি সাধারণ মানুষের প্রবেশের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত রয়েছে। আর আজ ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে সেই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা আরও বেড়েছে।

শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 10:27 am
শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবার এক নৃশংস ও মর্মস্পর্শী হত্যাকাণ্ডের শিকার হোন বঙ্গবন্ধু।

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও এই দিনে তার সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব; তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল; পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামালকে হত্যা করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, সামরিক সচিব জামিলউদ্দিন আহমেদ, এসবি কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককেও হত্যা করে ঘাতকেরা।

বঙ্গবন্ধুর ভাগনে যুবলীগের নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায়ও একই দিনে হামলা চলে। তিনি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি হত্যার শিকার হন। বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার মেয়ে বেবি, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং আবদুল নঈম খান নামে এক আত্মীয়কেও হত্যা করে ঘাতকেরা।

শেখ মুজিবুর রহমানের দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় ছিলেন বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে। তারা প্রাণে বেঁচে যান।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১৫ আগস্টকে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করা হতো। এদিনটিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।

তবে ছাত্র আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ থেকে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। এরপর ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিল করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। যা এখনো বহাল রয়েছে।

২২৮ রানের লিড নিয়ে শেষ বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 9:55 am
২২৮ রানের লিড নিয়ে শেষ বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস

তৃতীয় দিনের সকালের সেশনে হাসান মাহমুদ ও তাইজুল ইসলাম ফিরে গেলেন। তারপরও অনড় অবস্থানে মেহেদী হাসান মিরাজ। এবার তাসকিন আহমেদের সঙ্গে পেলেন দারুণ সঙ্গ। তার সঙ্গে প্রায় পঞ্চাশ ছোঁয়া জুটি গড়েছিলেন। লাঞ্চের পর প্রথম ওভারেই আউট হন মিরাজ। শেষ জুটিতে ৮ রান যোগ করে বাংলাদেশকে ২২৮ রানে লিড এনে দেন তাসকিন ও ইবাদত হোসেন। অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে তারা ১৩৮ ওভার খেলে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে।

৬ উইকেটে ৩৫১ রানে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে হাসান ও তাইজুল আউট হন। হাসানকে এলবিডব্লিউ করেন জশ হ্যাজলউড। তাইজুল তার বলেই ক্যামেরন গ্রিনের ক্যাচ হন। তারপর তাসকিন ও মিরাজ দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত জুটিকে টেনে নেন। প্রথম সেশনে ৬৬ রান তোলে বাংলাদেশ ২ উইকেটের বিনিময়ে।

লাঞ্চের আগে ১২৬তম ওভারে পঞ্চম বলে ১২তম টেস্ট ফিফটি করেন মিরাজ। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে চলতি ইনিংসে বাংলাদেশের তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে পঞ্চাশ ছোঁন তিনি। ড্রেসিংরুম থেকে তাকে করতালিতে অভিবাদন জানান সতীর্থরা।

৩২ রানে মিরাজ দিন শুরু করেন। ১১৭ বল খেলে ৫ চারে হাফ সেঞ্চুরি হয়েছে তার। ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের আধিপত্য তার হাতেই চলমান। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে মিরাজ ১০৯ রানের এক ইনিংস খেলেছিলেন। সেই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৪ রানে অলআউট হওয়া বাংলাদেশ এবার ছড়ি ঘুরাচ্ছে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।

তারপর ১২৯তম ওভারের প্রথম বলে কামিন্সের এক বাউন্সারে তাসকিন আহমেদের ব্যাটে লেগে বাউন্ডারি হয়। তাতে বাংলাদেশের স্কোর চারশ ছাড়ায়। বাংলাদেশের লিডও দুইশ ছাড়িয়ে গেছে। পরের বলেই একই জায়গায় তাসকিনকে জীবন দেন স্টিভেন স্মিথ। বলটা ধরতে পারলে টেস্টে সর্বোচ্চ ক্যাচ নেওয়ার রেকর্ডটি একার করে নিতে পারতেন তিনি।

৮ উইকেটে ৪১৭ রান করে প্রথম সেশনের সমাপ্তি টানে বাংলাদেশ। তারপর লাঞ্চ শেষে ফিরে চতুর্থ বলে হ্যাজলউডের পঞ্চম শিকার হন মিরাজ। অজি পেসার তার ৩০০তম টেস্ট উইকেট তুলে নেন। মিরাজ অ্যালেক ক্যারির গ্লাভসে ধরা পড়েন। ১৫৪ বলে ৫ চার ও ১ ছয়ে ৬৫ রান আসে তার ব্যাটে।

এই দিন বাংলাদেশের অবশিষ্ট চার উইকেটের সবগুলো নিয়েছেন হ্যাজলউড। ইবাদতকে (৭) ক্যারির ক্যাচ বানিয়ে নিজের ষষ্ঠ উইকেট নেন অজি পেসার।