খুঁজুন
বুধবার, ৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেঁয়াজের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান : সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০১৯, ৫:১৩ অপরাহ্ণ
পেঁয়াজের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান : সুজন

.jpg

পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে সকল মহলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

তিনি আজ মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) বিকালে উত্তর কাট্টলীস্থ নিজ বাসভবনে নাগরিক উদ্যোগের এক জরুরী সভায় উপরোক্ত মত প্রকাশ করেন।

তিনি আরো বলেন আমরা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম এবং ব্যাক্তিগত পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি যে বাজারে বর্তমানে পেঁয়াজের কোন সংকট নেই। তারপরও একশ্রেণীর অর্থলিপ্সু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট কারসাজি করে কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে জনগনের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। যা এক প্রকার অনৈতিক এবং গর্হিত কাজও বটে। এসব সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ক্যাসিনো ব্যবসায়ীদের মতো কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের প্রতি তিনি বিনীত আহবান জানান। তিনি আরো বলেন আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং দেশকে উন্নতির শিখরে পৌঁছে দিতে দিনরাত পরিশ্রম করছেন ঠিক সেই মুহুর্তে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট কারসাজির মাধ্যমে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি করে জনগনকে অহেতুক আতংকিত করছে।

তিনি সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা ঠেকাতে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে দ্রুত বাজার মনিটরিং শুরু করার আহবান জানান।

পাশাপাশি র‌্যাবসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাকে অবৈধভাবে পেয়াজ মওজুদ করে রাখা বিভিন্ন গুদামে অভিযান পরিচালনা করার অনুরোধ জানান।

তিনি আগামী শুক্রবারের মধ্যে পেঁয়াজের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে না আসলে খাদ্য তালিকা থেকে পেঁয়াজকে বর্জন করার জন্য বিভিন্ন বাজারে বাজারে গণপ্রচারনায় নামার ঘোষনা দেন এবং জনসাধারনকে এক কেজির বেশী পেঁয়াজ ক্রয় না করার অনুরোধ জানান।

তিনি সনাতনী সম্প্রদায়ের আসন্ন শারদীয়া দূর্গাপুজা নির্বিঘ্নে ও সুচারুরূপে সম্পাদনের লক্ষ্যে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ এবং পানির সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য সেবা সংস্থাসমূহের প্রতি বিশেষ আহবান জানান।

এছাড়া পূজোয় ব্যবহৃত দ্রব্যসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধি করে কেউ যেন অস্থিরতা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান জানান।

তিনি দ্রুততার সাথে নগরীর ভাঙ্গা রাস্তাঘাট সংস্কারের মাধ্যমে জনমনে স্বস্তির সুবাতাস বইয়ে দিতে চসিক মেয়রকে অনুরোধ জানান। বিশেষ করে বিজয়া দশমীকে কেন্দ্র করে নগরীর বারিক বিল্ডিং থেকে কাটগড় পর্যন্ত ভাঙ্গা সড়কগুলো দ্রুততার সাথে সংস্কার করার আহবান জানান।

এছাড়া শারদীয়া দূর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী যাতে কোন প্রকার বিশৃংখল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখার জন্য আইন শৃংখলা বাহিনীর প্রতিও বিনীত আহবান জানান তিনি।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাজী মোঃ ইলিয়াছ, আব্দুর রহমান মিয়া, সাইদুর রহমান চৌধুরী, সংগঠনের সদস্য সচিব হাজী মোঃ হোসেন, মোঃ নিজাম উদ্দিন, এজাহারুল হক, নুরুল কবির, মোরশেদ আলম, ছালেহ আহমদ জঙ্গী, অধ্যক্ষ কামরুল হোসেন, হাফেজ মোঃ ওকার উদ্দিন, শেখ মামুনুর রশীদ, সোলেমান সুমন, সমীর মহাজন লিটন, জাহাঙ্গীর আলম, স্বরূপ দত্ত রাজু, এম ইমরান আহমেদ ইমু, মোঃ ওয়াসিম, মাহফুজ চৌধুরী, মনিরুল হক মুন্না প্রমূখ।

আরো:: পেঁয়াজের সেঞ্চুরি

Feb2

চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার বাড়ি বগুড়া জেলায়। রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা কারণে আলোচনায় আসেন এবং কর্মদক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যমুনা, সচিবালয়, হাইকোর্ট ও টিএসসি এলাকায় বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হওয়া আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।

রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগদানের আগে মাসুদ আলম পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৬) ঝিনাইদহ ক্যাম্পেও কর্মরত ছিলেন।

স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবায় সমতা প্রতিষ্ঠায় ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তাবায়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মধ্যে রয়েছে এবং অনেক মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। তিনি উল্লেখ করেন, মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষকে নিজ পকেট থেকে দিতে হয়। ফলে অসুস্থতা এখনো দারিদ্র্যের অন্যতম প্রধান কারণ।

ঢাকা-১৭ এলাকার মানুষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, কড়াইল, ভাষানটেক, সাততলার মানুষ এই শহরকে সচল রাখে। পোশাকশিল্প, নির্মাণ… সবখানে তাদের শ্রম। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। আমাদের লক্ষ্য এসব এলাকার মানুষ যাতে আর চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।

তিনি আরও বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের বড় একটি অংশ প্রায় ৪২.৬ শতাংশ মানুষ প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান খুঁজতে স্থানীয় ফার্মেসির ওপর নির্ভর করেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ। তারা অসুস্থ হওয়ার সুযোগ পায় না কারণ অসুস্থতা মানেই আয় বন্ধ।

ডা. জুবাইদা বলেন, আমাদের এই এলাকাবাসীর মধ্যে কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন, যারা সবাইকে অবহিত করবেন এই চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম। সেই নাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। আমি আশাবাদী, ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্গত স্বেচ্ছাসেবী ও কুর্মিটোলার সদস্যরা একত্রিত হয়ে বহু প্রাণ বাচাঁতে সক্ষম হবে। এখানকার স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।

এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি প্যাভিলিয়ন, গ্যাস্ট্রোলিভার সেন্টার ও ৫০ শয্যা আইসিইউর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি আইসিইউতে ভর্তি রোগীদের খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, সরকারের লক্ষ্য সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করেন, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষকে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

 

সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘মতিঝিলের শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় ১ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।’

মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের বক্তব্য এবং সকল হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। হেফাজতে ইসলামের যে প্রোগ্রামটা তারা আগে থেকেই প্রতিবাদ করে জানিয়ে আসছিলেন এবং তারা ঢাকায় এসে সেখানে অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল- সেই প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, কোনোভাবে তাদের সেখানে অবস্থান নিলে মোকাবিলা করতে হবে। তা না পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল- এটিকে তিনি সিস্টেমেটিক, ওয়াইড স্প্রেড অ্যাটাক এবং টার্গেটেড কিলিং হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, প্রত্যেক নিহতের পরিবারের সঙ্গে তারা কথা বলেছেন এবং যেসব হেফাজতে ইসলামের সদস্য নিহত হয়েছেন, প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অতএব প্রত্যেক নিহত হওয়ার পক্ষে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন।