খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৪ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুব উন্নয়নের নিবন্ধন পেয়েছে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
যুব উন্নয়নের নিবন্ধন পেয়েছে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন

চট্টগ্রামের জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন গত রবিবার (২২ ডিসেম্বর) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর হতে নিবন্ধিত হয় যার নিবন্ধন নং ৫১/১৯।

চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ইউনিট অফিসার মোঃ জাহান উদ্দীন আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুহাম্মদ আনোয়ার এলাহি ফয়সালের হাতে নিবন্ধন পত্র তুলে দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন – রূপান্তর প্রজেক্ট এর প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ শফিউল বশর ও আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন এর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান।

আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন স্থাপিত হয় ২০১৭ সালে। সংগঠনের মূলনীতি মানবতা, সুশিক্ষা ও সচেতনতা এই নীতির পেক্ষিতে গত দুই বছর যাবৎ সংগঠনটি সমাজের অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে চট্টগ্রাম, ফেনী, রাজশাহীসহ একাধিক জেলা উপজেলায়।বিভিন্ন বিভাগে প্রতিষ্ঠা করেছে সমাজের অসহায় শিশুদের জন্য অবৈতনিক স্কুল যার স্কুল অব হিউম্যানিটি এন্ড এ্যানিমেশন সোহা। সংগঠনের অন্যান্য কার্যক্রম সমূহের মধ্যে রয়েছে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা। পথ শিশুদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে মেয়ে শিশু গুলিকে শিক্ষার অধীনে নিয়ে আসা। ভিক্ষা নয়, শিক্ষা চাই এই স্লোগানে তাদেরকে ভবিষৎ স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। দুস্থ ও অসহায় মানুষদের সহযোগীতা করা।এতিমদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা ও তাদের মাঝে খাদ্য ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ।সেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি করা।বই আকারে রক্তের গ্রুপ সংরক্ষণ করা।গরীব ছাত্র ছাত্রীদের মেধা বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে পড়া শুনাতে উৎসাহিত করা।স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করণ ও গরীবদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেয়া।কোন ছিন্নমূল মানুষ মারা গেলে তার দাফন এর ব্যবস্থা করা।নারী নির্যাতন, যৌতুক,বাল্য বিবাহ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচী।কোন সদস্যের মৃত্যুতে তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো।অসহায় মানুষদের মাঝে খাবার বিতরণ।বিভিন্ন জাতীয় দিবসে আলোচনা সভা ও র‌্যালী করা। রমজান মাসে গরীবদের ইফতার সামগ্রী বিতরণ ও রমজানের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা ।

সাধারণ মানুষের মধ্যে পাঠভ্যাস গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে সকলের সহযোগীতায় পাঠাগার স্থাপন , দেশ-বিদেশী পুস্তক সংগ্রহ ও সরবরাহ এবং তা পরিচালনা করা। প্রয়োজনে স্বল্প খরচে বই প্রকাশ করতে সহযোগীতা করা।বেকারত্ব দূরীকরণের জন্য আর্থিক সহযোগীতার মাধ্যমে শর্ত সাপেক্ষে উদ্দোক্তা তৈরী করা।বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে গরীবদের উপহার সামগ্রী বিতরণ করা।সুস্থ ধারার সংস্কৃতির বিকাশের লক্ষ্যে সময়োপযোগী বিভিন্ন সভা, সেমিনার, আলোচনা সভা, মানববন্ধন, বিভিন্ন দিবস উদযাপন, নাটক, টেলিফিল্ম ইত্যাদি কার্যক্রম করা।দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করা।বিধবা নারীদের আর্থিক সহযোগীতা প্রদান করে তাদেরকে সাবলম্ভী করে তোলা।

সংগঠনের প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ আনোয়ার এলাহি ফয়সাল বলেন, আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক,অলাভজনক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংষ্কৃতিক উন্নয়নমূলক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান।এখানে যারা সদস্য আছেন তারা দৈনিক হাত খরচের কিছু অর্থ জমিয়ে অসহায় মানুষদের কল্যাণে কাজ করে আসছে।এবং আাগমীতে আমরা সমাজের যুবকদের জন্য বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবো যার মাধ্যমে যুব সমাজ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ। প্রাথমিক পর্যায় কম্পিউটার, ফটোগ্রাফি ও সেলাই প্রশিক্ষণ কোর্স থাকবে পরবর্তীতে আস্তে সরকারের পৃষ্ঠ পোষকতায় সমাজের যুবকদের জন্য নতুন প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হবে।

তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, বলেন সমাজের যে কেউ দেশ পরিবর্তন ও অসহায় মানুষদের কল্যাণে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশনের সদস্য হতে পারবে। গতানুগতিক দৃষ্টি পরিবর্তন সামাজিক উন্নয়ন আমাদের মূল লক্ষ্য। সংগঠন যে কোন দান অনুদান গ্রহণের বিষয় জানতে চাইলে তিনি জানান সংগঠনের নিজস্ব বিকাশ, নগদ ও রকেট নাম্বার ০১৭২১-০০০৩৪৫ এছাড়া ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড 0212-111-00000-369 এই নাম্বারে অর্থ পাঠানো যাবো এবং রশিদ বুঝে নেয়ার অনুরোধ থাকবে সকলকে। কারণ এর দ্বারা আমাদের নিজদের মাঝে স্বচ্ছতা থাকে ও সঠিক অডিট রিপোর্ট তৈরী করা সম্ভব হয়। আসুন দেশকে ভালোবাসি এবং নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য নিজ জায়গা থেকে একটু হলেও অবদান রাখি। সংগঠনের সকল সদস্য দেশ পরিবর্তনে সমাজের সকলকে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন এর সদস্য অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আহবান জানান।

Feb2

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী অনলাইনের মাধ্যমে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেন। পরে টাঙ্গাইলের ১৫ জন কৃষক-কৃষানির মধ্যে এই কার্ড ও ফলজ গাছ বিতরণ করা হয়।

টাঙ্গাইলের প্রথম কৃষক হিসেবে কৃষক কার্ড পান সদর উপজেলার বড়রিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আবু কায়সার।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে প্রথম কৃষক কার্ড পাওয়া মোহাম্মদ আবু কায়সার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে কৃষক কার্ড পেয়ে আমি আনন্দিত ও গর্বিত। কৃষক কার্ড দিয়ে সব সুযোগ-সুবিধা পাব। এখন আমরা এদেশের একজন গর্বিত কৃষক। কৃষক কার্ড পেয়ে আমি খুবই খুশি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

চারুকলার বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রায়’ নতুন বছরকে বরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
চারুকলার বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রায়’ নতুন বছরকে বরণ

বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আজ। বাংলা সন ১৪৩৩ বরণ করে নিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদ আয়োজন করেছে বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। এবারের শোভাযাত্রার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে এই শোভাযাত্রা শুরু হয়। পরে শাহবাগ থানার সামনে থেকে ইউটার্ন নিয়ে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি প্রাঙ্গণ ডান পাশে রেখে দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদের সামনে এসে শেষ হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ৯টা ৩ মিনিটে সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং এর ঠিক তিন মিনিট পরেই বর্ণিল সাজে সজ্জিত হয়ে শোভাযাত্রাটি বের হয়।

শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাড়াও অংশ নিয়েছেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীসহ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

শোভাযাত্রা উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সর্বস্তরের মানুষের উপচেপড়া ভিড়ে পুরো এলাকা এক আনন্দঘন জনসমুদ্রে পরিণত হয়। শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের উত্তর গেট থেকে বের হয়ে শাহবাগ থানার সামনে দিয়ে ইউটার্ন নিয়ে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি হয়ে দোয়েল চত্বর প্রদক্ষিণ করে।

এরপর বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে ঘুরে পুনরায় চারুকলা অনুষদে এসে এটি শেষ হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে এবারের উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মাস্ক বা মুখোশ পরা নিষিদ্ধ থাকায় অংশগ্রহণকারীরা চারুকলার তৈরি মুখোশগুলো হাতে নিয়ে প্রদর্শন করেন।

এবারের শোভাযাত্রায় বাংলার লোক-ঐতিহ্য ও সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মেলবন্ধনে পাঁচটি প্রধান মোটিফ বা প্রতীক তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ‘মোরগ’ মোটিফটি ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে গণতন্ত্রের নবযাত্রাকে স্বাগত জানাতে মোরগকে নতুন ভোর ও জাগরণের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

চারুকলা অনুষদের ডিন আজহারুল ইসলাম শেখ এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, একটি দীর্ঘ দুঃশাসনের পর গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে যে নতুন সূর্যের উদয় হয়েছে, মোরগের ডাকে সেই শুভক্ষণকেই উদযাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষাও ফুটে উঠেছে এই প্রতীকে।

সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে শোভাযাত্রায় রাখা হয়েছে আরও চারটি মোটিফ। বাউল শিল্পীদের ওপর সাম্প্রতিক হামলা ও লোকজ সংগীতের অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে এবং সাংস্কৃতিক শিকড়কে তুলে ধরতে আনা হয়েছে বিশালাকৃতির ‘দোতারা’।

শান্তি ও সহাবস্থানের বৈশ্বিক ডাক দিতে রাখা হয়েছে ‘পায়রা’। এ ছাড়া লোকশিল্পের আভিজাত্য ও শক্তির প্রতীক হিসেবে নারায়ণগঞ্জের লোকশিল্প জাদুঘরের আদলে নির্মিত হয়েছে ‘কাঠের হাতি’ এবং গ্রামীণ ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে কিশোরগঞ্জের বিখ্যাত ‘টেপা ঘোড়া’ শোভাযাত্রাকে করেছে আরও আকর্ষণীয়।

এবারের পহেলা বৈশাখে বিশ্ববিদ্যালয় এরিয়ায় মুখোশ পড়া নিষিদ্ধ থাকায় চারুকলা অনুষদ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত মুখোশ হাতে নিয়ে প্রদর্শন করতে দেখা যায় শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের। শোভাযাত্রার সম্মুখভাগে ছিল পুলিশের সুসজ্জিত ১২টি ঘোড়ার বহর।

এরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০ শিক্ষার্থীর হাতে শোভা পাচ্ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। বাদ্যযন্ত্রশিল্পীদের বাজানো ‘এসো হে বৈশাখ’ ও দেশাত্মবোধক গানের সুরে মাতোয়ারা হয়ে ওঠেন অংশগ্রহণকারীরা।

শোভাযাত্রা শেষে টিএসসি প্রাঙ্গণে লোকজ সংস্কৃতির গান ও নৃত্যের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষের মূল অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি ঘটে। চারুকলার এই বর্ণিল আয়োজন কেবল আনন্দ উৎসব নয়, বরং অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে ফেরার এক বলিষ্ঠ সংকল্পে রূপ নেয় এবারের পহেলা বৈশাখে।

চট্টগ্রামে বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে বর্ষবরণ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে বর্ষবরণ শুরু

নতুন বছরের প্রথম সূর্য উঠতেই উৎসবের রঙে রাঙা হয়ে উঠেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। সকাল বৈশাখী শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বর্ষবরণ। বৈশাখের সকাল ঘিরে নগরের বিভিন্ন এলাকায় মানুষের ঢল নেমেছে। আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর বর্ণিল আয়োজনে চলছে বর্ষবরণের বিভিন্ন অনুষ্ঠান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে বৈশাখী শোভাযাত্রা শুরু করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। শোভাযাত্রায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডিসি হিলে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশ নেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

এদিকে নগরের ডিসি হিল, সিআরবি শিরিষতলা, শহীদ মিনারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ভিড় জমাতে শুরু করেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বৈশাখকে বরণ করতে লাল-সাদা পোশাকে সেজে পরিবার-পরিজন নিয়ে বের হন নগরবাসী।

শোভাযাত্রা শেষে ডিসি হিল ও আশপাশ এলাকায় শুরু হবে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একই সময়ে সিআরবি শিরিষতলায়ও চলবে গান, নৃত্য ও লোকজ আয়োজন।

এদিকে, কাজীর দেউড়ি থেকে ডিসি হিল পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কজুড়ে আঁকা বৈশাখী আলপনা নগরবাসীর নজর কেড়েছে। রঙিন এ সজ্জা উৎসবের আমেজ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

পরিবার নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া সংস্কৃতিকর্মী সাদিকুল ইসলাম বলেন, করোনা মহামারি ও রমজানের জন্য কয়েকবছর পয়লা বৈশাখে বিভিন্ন আয়োজনে ভাটা ছিল। তাই এই বছর বর্ষবরণ নিয়ে সবার আগ্রহ বেশি। পরিবার নিয়ে শোভাযাত্রায় এসে ভালো লাগছে।

বর্ষবরণের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সকাল থেকেই নগরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। বিশেষ করে ডিসি হিল ও সিআরবি এলাকায় যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব। এ উৎসবকে ঘিরে নগরবাসী যেন নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে আনন্দ উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।