খুঁজুন
, ,

যুব উন্নয়নের নিবন্ধন পেয়েছে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 24 December, 2019, 3:05 pm
যুব উন্নয়নের নিবন্ধন পেয়েছে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন

চট্টগ্রামের জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন গত রবিবার (২২ ডিসেম্বর) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর হতে নিবন্ধিত হয় যার নিবন্ধন নং ৫১/১৯।

চট্টগ্রাম কোতোয়ালি থানার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ইউনিট অফিসার মোঃ জাহান উদ্দীন আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুহাম্মদ আনোয়ার এলাহি ফয়সালের হাতে নিবন্ধন পত্র তুলে দেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন – রূপান্তর প্রজেক্ট এর প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ শফিউল বশর ও আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন এর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান।

আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন স্থাপিত হয় ২০১৭ সালে। সংগঠনের মূলনীতি মানবতা, সুশিক্ষা ও সচেতনতা এই নীতির পেক্ষিতে গত দুই বছর যাবৎ সংগঠনটি সমাজের অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে চট্টগ্রাম, ফেনী, রাজশাহীসহ একাধিক জেলা উপজেলায়।বিভিন্ন বিভাগে প্রতিষ্ঠা করেছে সমাজের অসহায় শিশুদের জন্য অবৈতনিক স্কুল যার স্কুল অব হিউম্যানিটি এন্ড এ্যানিমেশন সোহা। সংগঠনের অন্যান্য কার্যক্রম সমূহের মধ্যে রয়েছে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা। পথ শিশুদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে মেয়ে শিশু গুলিকে শিক্ষার অধীনে নিয়ে আসা। ভিক্ষা নয়, শিক্ষা চাই এই স্লোগানে তাদেরকে ভবিষৎ স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। দুস্থ ও অসহায় মানুষদের সহযোগীতা করা।এতিমদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা ও তাদের মাঝে খাদ্য ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ।সেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি করা।বই আকারে রক্তের গ্রুপ সংরক্ষণ করা।গরীব ছাত্র ছাত্রীদের মেধা বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে পড়া শুনাতে উৎসাহিত করা।স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করণ ও গরীবদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেয়া।কোন ছিন্নমূল মানুষ মারা গেলে তার দাফন এর ব্যবস্থা করা।নারী নির্যাতন, যৌতুক,বাল্য বিবাহ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচী।কোন সদস্যের মৃত্যুতে তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানো।অসহায় মানুষদের মাঝে খাবার বিতরণ।বিভিন্ন জাতীয় দিবসে আলোচনা সভা ও র‌্যালী করা। রমজান মাসে গরীবদের ইফতার সামগ্রী বিতরণ ও রমজানের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা ।

সাধারণ মানুষের মধ্যে পাঠভ্যাস গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে সকলের সহযোগীতায় পাঠাগার স্থাপন , দেশ-বিদেশী পুস্তক সংগ্রহ ও সরবরাহ এবং তা পরিচালনা করা। প্রয়োজনে স্বল্প খরচে বই প্রকাশ করতে সহযোগীতা করা।বেকারত্ব দূরীকরণের জন্য আর্থিক সহযোগীতার মাধ্যমে শর্ত সাপেক্ষে উদ্দোক্তা তৈরী করা।বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে গরীবদের উপহার সামগ্রী বিতরণ করা।সুস্থ ধারার সংস্কৃতির বিকাশের লক্ষ্যে সময়োপযোগী বিভিন্ন সভা, সেমিনার, আলোচনা সভা, মানববন্ধন, বিভিন্ন দিবস উদযাপন, নাটক, টেলিফিল্ম ইত্যাদি কার্যক্রম করা।দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করা।বিধবা নারীদের আর্থিক সহযোগীতা প্রদান করে তাদেরকে সাবলম্ভী করে তোলা।

সংগঠনের প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ আনোয়ার এলাহি ফয়সাল বলেন, আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক,অলাভজনক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংষ্কৃতিক উন্নয়নমূলক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান।এখানে যারা সদস্য আছেন তারা দৈনিক হাত খরচের কিছু অর্থ জমিয়ে অসহায় মানুষদের কল্যাণে কাজ করে আসছে।এবং আাগমীতে আমরা সমাজের যুবকদের জন্য বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবো যার মাধ্যমে যুব সমাজ বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ। প্রাথমিক পর্যায় কম্পিউটার, ফটোগ্রাফি ও সেলাই প্রশিক্ষণ কোর্স থাকবে পরবর্তীতে আস্তে সরকারের পৃষ্ঠ পোষকতায় সমাজের যুবকদের জন্য নতুন প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হবে।

তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, বলেন সমাজের যে কেউ দেশ পরিবর্তন ও অসহায় মানুষদের কল্যাণে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশনের সদস্য হতে পারবে। গতানুগতিক দৃষ্টি পরিবর্তন সামাজিক উন্নয়ন আমাদের মূল লক্ষ্য। সংগঠন যে কোন দান অনুদান গ্রহণের বিষয় জানতে চাইলে তিনি জানান সংগঠনের নিজস্ব বিকাশ, নগদ ও রকেট নাম্বার ০১৭২১-০০০৩৪৫ এছাড়া ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড 0212-111-00000-369 এই নাম্বারে অর্থ পাঠানো যাবো এবং রশিদ বুঝে নেয়ার অনুরোধ থাকবে সকলকে। কারণ এর দ্বারা আমাদের নিজদের মাঝে স্বচ্ছতা থাকে ও সঠিক অডিট রিপোর্ট তৈরী করা সম্ভব হয়। আসুন দেশকে ভালোবাসি এবং নাগরিক হিসেবে দেশের জন্য নিজ জায়গা থেকে একটু হলেও অবদান রাখি। সংগঠনের সকল সদস্য দেশ পরিবর্তনে সমাজের সকলকে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন এর সদস্য অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আহবান জানান।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।