খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাউন্সিলর প‌দে আ’লী‌গের ম‌নোনয়ন পে‌লেন যারা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৫:০২ অপরাহ্ণ
কাউন্সিলর প‌দে আ’লী‌গের ম‌নোনয়ন পে‌লেন যারা

আসন্ন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দ‌লের মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ।

রোববার (২৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দরীয় মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর কাউন্সিলর‌দের তালিকা ঘোষণা করেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৫৪টি ওয়ার্ডে এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ৭৫টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের তালিকা ঘোষণা করেন ওবায়দুল কাদের। তবে সংরক্ষিত নারী আসনের কাউন্সিলরদের তালিকা ঘোষণা করেননি তিনি। এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানান, সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর তালিকা রোববার রাতে অথবা সোমবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। এর আগে স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় বস‌বে আওয়ামী লীগ।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে নিম্নোক্ত প্রার্থীদের সমর্থন দিয়েছে আওয়ামী লীগ-
ওয়ার্ড নং- ০১ : মো. আফছার উদ্দিন খান / সাবেক সদস্য, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ০২ : আলহাজ্ব কদম আলী মাদবর / যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, পল্লবী থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ০৩ : মো. জিন্নাত আলী মাদবর / সহ-সভাপতি, পল্লবী থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ০৪ : মো. জামাল মোস্তফা / সভাপতি, কাফরুল থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ০৫ : মো. আব্দুর রউফ নান্নু / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ০৬ : সালাউদ্দিন রবিন / সাধারণ সম্পাদক, রূপনগর থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ০৭ : মো. তফাজ্জল হোসেন/ সভাপতি, ৭নং ওয়ার্ড থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ০৮ : মো. আবুল কাশেম মোল্লা / সাধারণ সম্পাদক, শাহ আলী থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ০৯ : মুজিব সারোয়ার মাসুম / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ১০ : আবু তাহের / যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, দারুসসালাম থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ১১ : দেওয়ান আবদুল মান্নান / সদস্য, মিরপুর থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ১২ : মুরাদ হোসেন / সভাপতি, ১২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ১৩ : মো. হারুন-অর-রশিদ / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ১৪ : মো. মইজউদ্দিন / সভাপতি, ৯৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ১৫ : সালেক মোল্লা / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ১৬ : মো. মতিউর রহমান / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ১৭ : মো. ইসহাক মিয়া / সভাপতি, ভাটারা থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ১৮ : মো. জাকির হোসেন / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ১৯ : মো. মফিজুর রহমান / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ২০ : মো. জাহিদুর রহমান / সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ২১ : মাসুম গনি / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ২২ : মো. লিয়াকত আলী / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ২৩ : মো. শাখাওয়াত হোসেন / সাধারণ সম্পাদক, ২৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ২৪ : মো. সফিউল্লা / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ২৫ : আব্দুল্লাহ আল মঞ্জুর / সহ-সভাপতি, তেজগাঁও থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ২৬ : শামীম হাসান / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ২৭ : ফরিদুর রহমান খান / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ২৮ : মো. ফোরকান হোসেন / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ২৯ : মো. নুরুল ইসলাম রতন / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৩০ : আবুল হাসেম হাসু / সদস্য, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৩১ : আলেয়া সারোয়ার ডেইজী / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৩২ : সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম / সাধারণ সম্পাদক, ৩২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৩৩ : আসিফ আহমেদ / সদস্য, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৩৪ : শেখ মোহাম্মদ হোসেন / সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৩৫ : মোক্তার সরদার / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৩৬ : তৈমুর রেজা খোকন / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৩৭ : মো. জাহাঙ্গীর আলম / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৩৮ : শেখ সেলিম / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৩৯ : মো. শফিকুল ইসলাম / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৪০ : মো. নজরুল ইসলাম ঢালী / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৪১ : আব্দুল মতিন / সভাপতি, সাতারুকুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৪২ : মো. জাহাঙ্গীর আলম / সাধারণ সম্পাদক, বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৪৩ : শরিফুল ইসলাম ভূঞা / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৪৪ : মো. শফিকুল (শফিক) / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৪৫ : জয়নাল আবেদীন / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৪৬ : মো. সাইদুর রহমান সরকার / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৪৭ : মোতালেব মিয়া / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৪৮ : এ.কে.এম. মাসুদুজ্জামান / সাধারণ সম্পাদক, দক্ষিণ খান থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৪৯ : মো. সফিউদ্দিন মোল্লা / সাধারণ সম্পাদক, দক্ষিণ খান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৫০ : ডি.এম. শামীম / সহ-সভাপতি, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী যুবলীগ
ওয়ার্ড নং- ৫১ : মোহাম্মদ শরীফুর রহমান / যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, উত্তরা উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৫২ : মো. ফরিদ আহমেদ / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৫৩ : মো. নাসির উদ্দিন / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৫৪ : জাহাঙ্গীর হোসেন / বর্তমান কাউন্সিলর

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নিম্নোক্ত কাউন্সিলর প্রার্থীদের সমর্থন দিয়েছে আওয়ামী লীগ –
ওয়ার্ড নং- ০১ : মো. মাহবুবুল আলম / সাধারণ সম্পাদক, খিলগাঁও থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ০২ : মো. আনিসুর রহমান / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ০৩ : মো. মাকছুদ হোসেন / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ০৪ : মো. জাহাঙ্গীর হোসেন / সাধারণ সম্পাদক, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ০৫ : মো. আশ্রাফুজ্জামান / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ০৬ : মো. সিরাজুল ইসলাম ভাট্টি / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ০৭ : আব্দুল বাসিত খান / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ০৮ : মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ / সহ-সম্পাদক, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ০৯ : মো. মোজাম্মেল হক / সভাপতি, ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ১০ : মারুফ আহমেদ মনসুর / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ১১ : মো. হামিদুল হক শামীম / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ১২ : ম. ম. মামুন রশিদ শুভ্র / সাবেক উপ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ১৩ : মো. এনামুল হক / সভাপতি, পল্টন থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ১৪ : ইলিয়াছুর রহমান / সভাপতি, হাজারীবাগ থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং-১৫ : রফিকুল ইসলাম বাবলা / সাধারণ সম্পাদক, ধানমণ্ডি থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ১৬ : মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম / সাধারণ সম্পাদক, ১৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ১৭ : মো. মাহবুবুর রহমান / সাধারণ সম্পাদক, ১৭নং আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ১৮ : আ. স. ম. ফেরদৌস আলম / সহ-সভাপতি, নিউমার্কেট থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ১৯ : মোহা. আবুল বাশার / সহ-সভাপতি, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ২০ : ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ রতন / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ২১ : মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান / সাবেক সদস্য, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ২২ : জিন্নাত আলী / যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, হাজারীবাগ থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ২৩ : মো. মকবুল হোসেন / সহ-সভাপতি, লালবাগ থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ২৪ : মো. মোকাদ্দেস হোসেন জাহিদ / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ২৫ : মো. আনোয়ার ইকবাল / সহ-সভাপতি, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবলীগ
ওয়ার্ড নং- ২৬ : হাসিবুর রহমান মানিক / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ২৭ : ওমর বিন আব্দুল আজিজ / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ২৮ : মো. সালেহিন / সহ-সভাপতি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ২৯ : জাহাঙ্গীর আলম বাবুল / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৩০ : মো. হাসান / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৩১ : শেখ মোহাম্মদ আলমগীর / সাবেক সদস্য, ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবলীগ
ওয়ার্ড নং- ৩২ : মো. আ. মান্নান / সাবেক দপ্তর সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৩৩ : মো. ইলিয়াস রশীদ / সভাপতি, ৩৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৩৪ : মীর সমীর / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৩৫ : মো. আবু সাঈদ / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৩৬ : রঞ্জন বিশ্বাস / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৩৭ : মো. আব্দুর রহমান মিয়াজী / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৩৮ : আহমদ ইমতিয়াজ মন্নাফী / সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, সরকারি কবি নজরুল কলেজ ছাত্রলীগ
ওয়ার্ড নং- ৩৯ : রোকন উদ্দিন আহমেদ / সভাপতি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৪০ : আবুল কালাম আজাদ / বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৪১ : সারোয়ার হাসান (আলো) / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৪২ : মোহাম্মদ সেলিম / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৪৩ : মো. আরিফ হোসেন / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৪৪ : মো. নিজাম উদ্দিন / সভাপতি, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৪৫ : হেলেন আক্তার / সংরক্ষিত কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৪৬ : মো. শহিদ উল্লাহ / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৪৭ : নাসির আহম্মেদ ভূঁইয়া / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৪৮ : মো. আবুল কালাম / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৪৯ : আবুল কালাম আজাদ / সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ৪৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৫০ : মাসুম মোল্লা / সাবেক সদস্য, ডেমরা থানা আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৫১ : কাজী হাবিবুর রহমান (হাবু) : বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৫২ : মোহাম্মদ নাছিম মিয়া / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৫৩ : মোহাম্মদ নূর হোসেন / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৫৪ : মো. মাসুদ / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৫৫ : মো. নুরে আলম / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৫৬ : মোহাম্মদ হোসেন / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৫৭ : মো. সাইদুল ইসলাম / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৫৮ : মো. শফিকুর রহমান / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৫৯ : আকাশ কুমার ভৌমিক / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৬০ : মোহাম্মদ লুৎফর রহমান রতন / যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, দনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৬১ : মো. শাহ আলম / যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, দনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ (প্রস্তাবিত)
ওয়ার্ড নং- ৬২ : মোহাম্মদ মোস্তাক আহমেদ / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৬৩ : মো. শফিকুল ইসলাম খান / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৬৪ : মো. মাসুদুর রহমান মোল্লা / সভাপতি, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, মাতুয়াইল ইউনিয়ন
ওয়ার্ড নং- ৬৫ : মো. সামসুদ্দিন ভূঁইয়া / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৬৬ : মো. হানিফ তালুকদার/ সাংগঠনিক সম্পাদক, ৬৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৬৭ : মো. ফিরোজ আলম / সভাপতি, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ, সারুলিয়া ইউনিয়ন
ওয়ার্ড নং- ৬৮ : মাহমুদুল হাসান / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৬৯ : মো. হাবিবুর রহমান হাসু / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৭০ : মোহাম্মদ আতিকুর রহমান / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৭১ : মো. খাইরুজ্জামান / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৭২ : শফিকুল ইসলাম শামীম / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৭৩ : মো. শফিকুল ইসলাম / বর্তমান কাউন্সিলর
ওয়ার্ড নং- ৭৪ : মো. ফজর আলী / সাধারণ সম্পাদক, দক্ষিণগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ
ওয়ার্ড নং- ৭৫ : সৈয়দ মো. তোফাজ্জল হোসেন / বর্তমান কাউন্সিলর।

Feb2

বাংলাদেশকে ৫ বিলিয়ন ডলার দেবে এডিবি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশকে ৫ বিলিয়ন ডলার দেবে এডিবি

বাংলাদেশের জন্য আগামী পাঁচ বছরে পাঁচ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। একই সঙ্গে বাংলাদেশে বার্ষিক ঋণসহায়তা প্রায় ২০ শতাংশ বাড়ানোর কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয় তুলে ধরেন এডিবি সভাপতি মাসাতো কান্দা। সাক্ষাৎকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে এডিবির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এডিবি সভাপতির সফরকালে ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিশ্রুতি কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তিও সই হয়েছে।

এডিবি সভাপতি মাসাতো কান্দা বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে। অর্জিত স্থিতিশীলতা ধরে রাখা, নতুন প্রবৃদ্ধির উৎস তৈরি এবং আরও বহুমুখী ও সহনশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে এডিবি সহায়তা করবে।’

এডিবি জানিয়েছে, ‘ইন্টিগ্রেটেড গ্রোথ নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ’ নামে নতুন একটি কর্মসূচির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে এই পাঁচ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়া হবে। এর লক্ষ্য হচ্ছে বিনিয়োগ বাড়ানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক বৈষম্য কমিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, বছরে গড়ে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার করে অর্থায়ন দেওয়া হবে। এটি বাংলাদেশের জন্য এডিবির বর্ধিত বার্ষিক ঋণসহায়তার কাঠামোর মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

বর্তমানে বাংলাদেশে এডিবির বার্ষিক সার্বভৌম ঋণ প্রতিশ্রুতির পরিমাণ প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার। মধ্য মেয়াদে তা বাড়িয়ে প্রায় ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে সংস্থাটি। এডিবি জানিয়েছে, বাড়তি অর্থায়ন বিনিয়োগ-নির্ভর প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ, সুশাসন এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ প্রক্রিয়াকে সহায়তা করবে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটে জ্বালানি তেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), সার ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধিতে এডিবি বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ২৫০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেবে।

এডিবি আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশের মধ্যমেয়াদি উন্নয়ন কাঠামো বাস্তবায়নে সহায়তার জন্য ২০ লাখ ডলারের কারিগরি সহায়তাও দেওয়া হবে।

৬ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য চসিকের, তদারকিতে থাকবেন মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
৬ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য চসিকের, তদারকিতে থাকবেন মেয়র

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে নগরবাসীকে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ উপহার দিতে কোরবানির দিন দুপুর ২টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার মধ্যে নগরীর সব কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কারের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সোমবার (২৫ মে) টাইগারপাসে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় চসিকের পরিচ্ছন্ন বিভাগ, যান্ত্রিক শাখা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নিয়ে কার্যক্রম বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘চট্টগ্রাম নগরীর কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম কোরবানির দিন দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে। আমরা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি, পরবর্তী ছয় ঘণ্টার মধ্যেই পুরো নগরীর বর্জ্য পরিষ্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজেও দুপুর ২টা থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করব। বিমান অফিসের সামনের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) এলাকা থেকে এই পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

মেয়র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়ে বলেন, নগরবাসী যাতে প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্ধারিত স্থানে কোরবানির পশু জবাই করেন এবং জবাই শেষে চসিকের সরবরা করা পলিথিন ব্যাগে বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট পয়েন্টে রেখে যান, সে বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘যত্রতত্র বর্জ্য পড়ে থাকলে রোগজীবাণু ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এজন্য পর্যাপ্ত ব্লিচিং পাউডার সরবরাহ করতে হবে এবং তা যথাযথভাবে ব্যবহার হচ্ছে কিনা তাও নিশ্চিত করতে হবে।’

সভায় মেয়র পরিচ্ছন্ন বিভাগের সুপারভাইজারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কোরবানির পশুর চামড়া ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, ‘কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হলো চামড়া ব্যবস্থাপনা। আমরা এরইমধ্যে চামড়া ব্যবসায়ী, আড়তদার এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছি। কোরবানির চামড়া যেন যত্রতত্র পড়ে না থাকে এবং পরিবেশের বিপর্যয় সৃষ্টি না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা চামড়া সংগ্রহ ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যাতে চামড়াগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা হয়।’

সভায় বক্তব্য রাখেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি এবং যান্ত্রিক শাখার প্রকৌশলীরা।

সভায় জানানো হয়, ঈদের দিন দুপুর ২টা থেকে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হবে। এজন্য প্রতিটি ওয়ার্ডের জন্য পৃথক গাড়ির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। জোন কর্মকর্তা, সুপারভাইজার ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সমন্বয়ে ওয়ার্ডভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। যে তিনটি ওয়ার্ড সবচেয়ে দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে, সেই সেরা তিনটি ওয়ার্ডকে আকর্ষণীয় পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেন মেয়র। তবে দ্রুততার নামে যেন পরিচ্ছন্নতায় কোনো ঘাটতি না থাকে, সেদিকেও সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন তিনি।

ঈদের দিন নগরীকে পরিচ্ছন্ন রাখতে দায়িত্ব পালনকারী পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে বলে জানান মেয়র। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন কর্মীদের খাবারের মান বজায় রাখতে এবার তিনটি পৃথক গ্রুপের মাধ্যমে খাবার সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সভায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে সফল করতে প্রয়োজনীয় জনবল, যানবাহন ও সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখার বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

হাটের ঝামেলা এড়িয়ে এগ্রো ফার্মমুখী ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ
হাটের ঝামেলা এড়িয়ে এগ্রো ফার্মমুখী ক্রেতা

ক্রেতা-বিক্রেতার দর কাষাকষিতে জমে উঠছে নগরের পশুর হাটগুলো। শেষ সময়ে নিজেদের পছন্দের পশু কিনতে অনেকে যাচ্ছেন হাটে।

তবে ভিন্ন চিত্রও রয়েছে। হাটগুলোতে যখন ক্রেতা-বিক্রেতার হাক ডাকে জমজমাট, তখন এগ্রো ফার্মগুলোতে বেচাবিক্রি প্রায় শেষ।

নগরজীবনের ব্যস্ততা, হাটের ভিড় ও ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে নগরবাসীর বড় একটি অংশ সরাসরি এগ্রো ফার্মে গিয়ে গরু কিনছেন।

বিভিন্ন এগ্রো ফার্ম ঘুরে দেখা যায়, অনেক ফার্মেই হাতেগোনা কয়েকটি গরু অবশিষ্ট রয়েছে।

খামারিরা বলছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার ক্রেতারা বেশ আগেভাগেই গরু কিনে নিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি দেখে যোগাযোগ করলেও অধিকাংশ ক্রেতাই শেষ পর্যন্ত ফার্মে এসে সরাসরি গরু দেখে কিনছেন।

এগ্রো ফার্মগুলোর মালিকরা বলছেন, তারা অনলাইনে প্রচারণা চালালেও মূলত বিক্রি করছেন অফলাইনে। তাদের মতে, অনলাইনে গরু দেখতে এক রকম লাগলেও বাস্তবে আকার, গঠন কিংবা ওজনের পার্থক্য নিয়ে অনেক সময় ক্রেতাদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। তাই গ্রাহক সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে বেশিরভাগ ফার্মই ক্রেতাদের সরাসরি এসে গরু দেখে কেনার পরামর্শ দিচ্ছেন। তাছাড়া মানুষ এখন বাজারে দালাল কিংবা অতিরিক্ত ভিড়ের ঝামেলা এড়াতে পরিচিত ফার্ম থেকে গরু কিনতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন। বিশেষ করে পরিবার নিয়ে গিয়ে পছন্দ করে গরু কেনার প্রবণতা ফার্মমুখী করছে ক্রেতাদের। অনেক ফার্ম আবার নির্দিষ্ট টাকার মধ্যে প্যাকেজ সুবিধা, বাসায় পৌঁছে দেওয়া সুবিধাও দিচ্ছে।

চট্টগ্রামের অন্যতম বড় খামার নাহার এগ্রো কোরবানিকে সামনে রেখে প্রায় পাঁচশতাধিক গরু প্রস্তুত করেছিল। বর্তমানে তাদের ফার্মে অবিক্রীত রয়েছে মাত্র ১২টি গরু। বাকি সময়ে তাদের সব গরু বিক্রি হয়ে যাওয়ার আশা প্রকাশ করছেন প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টরা। একইভাবে সারাহ এগ্রোতে সাড়ে পাঁচশ গরুর বিপরীতে অবিক্রীত আছে মাত্র ১৭টি। এশিয়ান এগ্রোতেও একই চিত্র। প্রতিষ্ঠানটি কোরবানির জন্য ২৫০টি গরু প্রস্তুত করলেও কোরবানির তিনদিন আগে এসে প্রায় ৯৯ শতাংশ গরুই বিক্রি হয়ে গেছে।

সারাহ এগ্রো’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক হালিশ চৌধুরী বলেন, গরু মোটাতাজাকরণে এবার আমাদের অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়তে হয়েছে। গো-খাদ্যের দাম বেড়েছে, শ্রমিক সংকট ছিল, আবার পরিবহন ব্যয়ও আগের তুলনায় অনেক বেশি। তারপরও আমরা স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু লালন-পালনের চেষ্টা করেছি।

এশিয়ান এগ্রো’র ম্যানেজার মোহাম্মদ রায়হান বলেন, এবার গরু বিক্রিতে আমরা অনেক ভালো সাড়া পেয়েছি। ক্রেতারা আগের চেয়ে এখন বেশি সচেতন। তারা ফার্মে এসে গরুর খাবার, পরিচর্যা ও স্বাস্থ্য পরিস্থিতি দেখে কিনছেন। কোরবানির এখনও কয়েকদিন বাকি থাকলেও প্রায় সব গরু বিক্রি হয়ে গেছে।

গরু বিক্রির একই চিত্র অন্যান্য এগ্রো ফার্মগুলোতেও। সিটি এগ্রো ফার্ম নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠানে ১৫০টি গরু মোটাতাজা করেছিল। এর মধ্যে ১৩৮টি বিক্রি হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন মালিক। চাটগাঁ এগ্রো ৬০টি গরু প্রস্তুত করলেও বর্তমানে খামারটিতে অবশিষ্ট আছে মাত্র ১৫টি গরু। স্টার এগ্রো নামের প্রতিষ্ঠানে সবকটি গরুই ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সিটি এগ্রো’র মালিক এনামুল হক জানান, গো-খাদ্যের দাম প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে গেছে। ভুসি, খড়, ভুট্টাসহ প্রায় সব ধরনের খাদ্যের দাম বেশি ছিল। এতে উৎপাদন খরচ অনেক বেড়েছে। তারপরও আমরা চেষ্টা করেছি ক্রেতাদের সাধ্যের মধ্যে গরু দিতে।

স্টার এগ্রো’র মালিক মো. জায়েদ হাসান বলেন, আমাদের বেশিরভাগ গ্রাহক ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও উচ্চবিত্ত পরিবারের। তারা সাধারণত সময় বাঁচাতে এবং ঝামেলা এড়াতে ফার্ম থেকে গরু কিনে থাকেন। অনেক পুরোনো গ্রাহকও প্রতিবছর আমাদের কাছ থেকে গরু নেন।

এগ্রো ফার্ম থেকে গরু কিনে স্বস্তি প্রকাশ করছেন ক্রেতারাও। নগরীর একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা মো. ফোরকান। তিনি গত কয়েক বছর ধরে গরু কেনেন এগ্রো ফার্ম থেকে। তিনি বলেন, আমি মূলত সময় ও ঝামেলা এড়াতেই এগ্রো ফার্ম থেকে গরু কিনি। পশুর হাটে গেলে অনেক ভিড় থাকে, দরদাম নিয়েও ঝামেলা হয়। আবার ভালো গরু চিনতেও সমস্যা হয়। কিন্তু এগ্রো ফার্মে এসে শান্ত পরিবেশে গরু দেখা যায়, পরিচর্যার বিষয়টাও বোঝা যায়। তাই কয়েক বছর ধরেই আমি ফার্ম থেকেই কোরবানির গরু কিনছি।

এগ্রো ফার্ম থেকে গরু কেনা আজিজুল হক নামের এক ব্যবসায়ী জানান, আগে প্রতি বছর পশুর হাটে গিয়ে গরু কিনতাম। কিন্তু এখন হাটে অতিরিক্ত ভিড়, যানজট ও সময়ের চাপের কারণে এগ্রো ফার্ম থেকেই গরু কিনছি। এখানে গরুর খাবার, পরিচর্যার ধরন সরাসরি দেখা যায়। দরদামও তুলনামূলক স্বচ্ছ থাকে, তাই পরিবার নিয়েই ফার্মে এসে গরু পছন্দ করেছি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এগ্রো ফার্ম থেকে গরু সংগ্রহের প্রবণতা বাড়লেও কোরবানির পশুর হাটের আবেদন এখনো অনেক বেশি। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও সাধারণ ক্রেতাদের বড় একটি অংশ এখনো হাট থেকেই গরু কিনতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। অন্যদিকে এগ্রো ফার্মের ক্রেতাদের বড় অংশই উচ্চবিত্ত, ব্যবসায়ী কিংবা এমন মানুষ, যারা কোরবানির গরু কেনার ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে চান।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের তথ্যমতে, চলতি বছর জেলায় কোরবানির জন্য স্থানীয়ভাবে মোট ৭ লাখ ৮৩ হাজার ১৫১টি গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে গরু রয়েছে ৪ লাখ ৯৯ হাজার ২৭৯টি, ছাগল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৫১৯টি, মহিষ ৪৭ হাজার ৮৩৪টি এবং ভেড়া ৪১ হাজার ৪২৩টি। জেলায় মোট চাহিদা ধরা হয়েছে ৮ লাখ ১৮ হাজার ৬৭১টি পশু।