খুঁজুন
, ,

ভারতীয় নারীর মামলায় কারাগারে চট্টগ্রামের যুবক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 20 May, 2023, 11:55 pm
ভারতীয় নারীর মামলায় কারাগারে চট্টগ্রামের যুবক

ভারতীয় এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশে এনে ধর্ষণ, তার নগদ ২১ লাখ টাকা ও সাড়ে ৭ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেওয়া এবং ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার এক যুবকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই ভারতীয় নারী ফটিকছড়ি থানায় অভিযুক্ত মো. নাছির উদ্দিন (৩৪), তার ভাই নাজিম উদ্দিন (৩০) এবং মা রওশন আরা বেগমের (৫৮) বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। স্থানীয় মো. নেজাম উদ্দিন (২৪) নামে এক দোভাষীর সহায়তায় তিনি মামলাটির এজাহার দায়ের করেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী ভারতীর নারীর নাম রহিমা (৪৯)। তার বাবার নাম মো. ইউনুস শেখ এবং বাড়ি ভারতের মুম্বাইয়ের শাসরিনগর বিহান্দি এলাকায়। অভিযুক্ত যুবকের বাড়ি ফটিকছড়ি উপজেলার জাফতনগর ইউনিয়নের জাহানপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে।

আসামিদের মধ্যে মো. নাছির উদ্দিন (৩৪) ও তার মা রওশন আরা বেগম (৫৮) গত ২৬ এপ্রিল থেকে কারাগারে রয়েছেন। আরেক আসামি নাজিম উদ্দিন (৩০) পলাতক রয়েছেন। তিনি বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত নাছির উদ্দিন ভারতে ভুক্তভোগী রহিমাদের এলাকায় শ্রমিকের কাজ করতেন। রহিমার স্বামীর সঙ্গে সেখানে নাছিরের ভালো সম্পর্ক ছিল। এ সুবাদে রহিমার সঙ্গে তার কথা হতো। আনুমানিক তিন বছর আগে রহিমার স্বামী মারা যান। এরপর রহিমার সঙ্গে নাছির আরও ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে তিনি রহিমাকে বিয়ের ও সম্পত্তি বিক্রি করে বাংলাদেশে চলে আসার প্রস্তাব দেন। রহিমাও নাছিরের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান। গত ৬ জানুয়ারি রহিমা নগদ ২১ লাখ টাকা এবং স্বর্ণালংকার নিয়ে নাছিরের সঙ্গে কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন। দেশে আনার পর রহিমাকে নাছির তার বাড়িতে নিয়ে যান।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ফটিকছড়ি উপজেলায় নাছিরের বাড়িতে থাকাকালে রহিমাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে নানা সময় নির্যাতন করতেন অভিযুক্তরা। নাছির তার সঙ্গে জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করতেন। একইসঙ্গে অভিযুক্তরা রহিমার কাছে থাকা ২১ লাখ টাকা এবং স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেন। একপর্যায়ে তারা রহিমার কাছে পুনরায় ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে রহিমা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশের একটি টিম ২৫ এপ্রিল অভিযুক্ত নাছিরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে রহিমাকে উদ্ধার করে। ওই সময় নগদ আড়াই লাখ টাকা এবং সাড়ে ৭ লাখ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার এবং ৩০ ভরি ওজনের এক জোড়া রূপার নুপুর উদ্ধার করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ফটিকছড়ি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হক শনিবার (২০ মে) বলেন, ৯৯৯-এ কলের সূত্র ধরে ২৫ এপ্রিল রাতে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী ভারতীয় নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে আদালতের নির্দেশে নিরাপদ আবাসে রাখা হয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসে যোগাযোগ করা হচ্ছে। তাকে আদালতের আদেশে ভারতে পাঠানো হবে। অভিযানের দিনই অভিযুক্ত নাছির ও তার মাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মামলা দায়ের করে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, মামলার তদন্ত চলছে। বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে ভারত থেকে দেশে আনা হয়েছে। এখানে আসার পর তারা একসঙ্গে ছিলেন। তবে তাদের বিয়ে হয়নি। যখনই ভুক্তভোগী নারী বুঝতে পারেন তার সঙ্গে প্রতারণা হচ্ছে, তিনি মোবাইলে কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করেন। কাস্টমার কেয়ার ৯৯৯-এ বিষয়টি জানায়। এরপর ভুক্তভোগী নারীও ৯৯৯-এ যোগাযোগ করেন। পরে তাকে উদ্ধারের পাশাপাশি নগদ টাকা ও বিভিন্ন স্বর্ণালংকার জব্দ করা হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে এসআই নাজমুল হক বলেন, ওই নারীর কাছ থেকে নেওয়া টাকা নাছির তার ভাইয়ের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দেশে আনে। এরপর টাকাগুলো মায়ের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করে। মা থেকে আবার নাছির এবং সবশেষে পুনরায় মায়ের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। এ কারণে মা ও ভাই আসামি হয়েছেন। অ্যাকাউন্টগুলো জব্দের জন্য প্রক্রিয়া চলছে।

জানতে চাইলে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) সুদীপ্ত সরকার বলেন, ভারতীয় নারী ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে সাহায্য চেয়েছিলেন। পরে তাকে উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। দুজন কারাগারে রয়েছেন। মামলাটির তদন্ত চলছে।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 10:25 am
চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা। সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকাও পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলায় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

এদিকে সাতকানিয়ায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। অসংখ্য বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

বাঁশখালীতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে৷ বন্যার পানিতে পাঁচ শতাধিক মাটির ঘর ভেঙে গেছে। বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-বাঁশখালী প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে গেলে চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে বাঁশখালীর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাজারো মানুষ। দুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক মাটির বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেলেও অনেকে এখনো পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পুইছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা পারভেজ মোশারফ বলেন, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও সমুদ্রের জোয়ারের ফলে পুইছড়ি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অধিকাংশ মাটির ঘরও ভেঙে পড়েছে। বসতঘর পানিতে ডুবে যাওয়া রান্নাবান্না হচ্ছে না। তাই খাবারের জন্য কষ্ট পাচ্ছে মানুষ।

এদিকে সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের বুড়ির দোকান এলাকা, বাজালিয়া অলি আহমেদ বীর বিক্রম কলেজের সামনে এবং দস্তিদারহাটের পূর্ব পাশে সড়কের ওপর দিয়ে কয়েক ফুট উঁচু হয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বন্যার কারণে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

ডলু নদী দিয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েকশ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। উপজেলার অধিকাংশ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। অনেক এলাকায় এখনো পানি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

চন্দনাইশেও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার দুটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।

গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশের হাশিমপুর এলাকায় প্রায় দেড় ফুট উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান ও ছোট যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ধীরগতিতে যান চলাচলের কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চন্দনাইশের বাসায় আবু নাসের আলিফ বলেন, ‘দিনেদিনে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। অনেক মানুষ না খেয়ে আছে।’

মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 9:28 am
মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি হলো অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের। একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কোকে হারিয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে। তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা।

শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।

স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা (বরাবর নিয়েছিলেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন। সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।

৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স। সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।

এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পান উসমান দেম্বেলে। শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 11:28 pm
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এ শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৫ এর আলোকে এই শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্য প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে রক্ষিত শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপরা। এছাড়া বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিকে অভিনন্দন জানান।