খুঁজুন
, ,

মুস্তাফিজ-ডেলপোর্ট’র নৈপুণ্যে রংপুরের সহজ জয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 30 December, 2019, 11:05 pm
মুস্তাফিজ-ডেলপোর্ট’র নৈপুণ্যে রংপুরের সহজ জয়

দেশ সেরা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের বোলিং ও দক্ষিণ আফ্রিকার ক্যামেরন ডেলপোর্টের ব্যাটিং নৈপুণ্যে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে দ্বিতীয় জয়ের দেখা পেল রংপুর রেঞ্জার্স।

আজ টুর্নামেন্টের ২৫তম ম্যাচে রংপুর রেঞ্জার্স ৭ উইকেটে হারিয়েছে সিলেট থান্ডারকে। প্রথমে ব্যাট করে মোহাম্মদ মিঠুনের হাফ-সেঞ্চুরিতে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৩ রানের মামুলি সংগ্রহ পায় সিলেট। ১০ রানে ৩ উইকেট নিয়ে সিলেটকে বড় স্কোর করতে দেননি রংপুরের মুস্তাফিজ। আর তিন নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে ৬২ রান করেন মিঠুন।

জবাবে ডেলপোর্টের ২৮ বলে ৬৩ রানের সুবাদে ১৬ বল বাকী রেখেই জয়ের স্বাদ নেয় রংপুর।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্বান্ত নেয় রংপুর রেঞ্জার্স। দুই ওপেনার ওয়েস্ট ইন্ডিজের আন্দ্রে ফ্লেচার ও জনসন চার্লস দলকে ভালো শুরু এনে দিতে পারেননি। স্পিনার আরাফাত সানির বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ক্যাচ দিয়ে শুন্য রানে আউট হন এবারের আসরের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান।

ছক্কা দিয়ে ইনিংস শুরু করেছিলেন চার্লস। কিন্তু ৯ রানে চার্লস পেসার মুকিদুল ইসলামের বলে আউট হলে দলীয় ১৬ রানে দুই ওপেনারকে হারায় সিলেট।

এরপর দলের হাল ধরে বড় জুটি গড়েন মিঠুন ও অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন। দেখেশুনে খেলে জুটিতে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তারা। তবে দলীয় ৭৩ রানে মোসাদ্দেক রান আউট হলে মিঠুনের সাথে জমে উঠা জুটিটি বিচ্ছিন্ন হয়। ২৩ বলে ১৫ রান করেন মোসাদ্দেক। ৪৯ বলে ৫৭ রানের জুটি গড়েন তারা।

অধিনায়কের বিদায়ের পরপরই ৩৪ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মিঠুন। অর্ধশতকের স্বাদ নিয়ে নিজের ইনিংস বড় করছিলেন মিঠুন। কিন্তু ৬২ রানে মুস্তাফিজের বলে আরাফাত সানিকে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মিঠুন। ৪৭ বলের ইনিংসে ৪টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন মিঠুন।

মিঠুনের পর আর কেউই বড় ইনিংস খেলতে না পারায় সংগ্রহটাও বড়সড় করতে পারেনি সিলেট। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শেরফেইন রাদারফোর্ডের ৯ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৬ রানের সুবাদে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৩ রানের সম্মানজনক সংগ্রহ পায় সিলেট। ৪ ওভারে ১০ রানে ৩ উইকেট নেন মুস্তাফিজ।

জয়ের জন্য ১৩৪ রানের সহজ লক্ষ্যে খেলতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই অধিনায়ককে হারায় রংপুর। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক খেলোয়াড় ও রংপুরের অধিনায়ক শেন ওয়াটসন ১ রান করে সিলেটের পেসার এবাদত হোসেনের ইর্য়কারে বোল্ড হন।

এরপর দলের জয়ে ভিত গড়ে দেন আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাইম ও ডেলপোর্ট। ৬৩ বলে ৯৯ রানের জুটি গড়েন তারা। এরমধ্যে ২৮ বলে ৬৩ রান ছিলো ডেলপোর্টের। ২৪ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করা ডেলপোর্ট থেমে যান ৬৩ রানেই।

১৩তম ওভারে দলীয় ১০৪ রানে ডেলপোর্টকে আউট করেন আফগানিস্তানের পেসার নবীন উল হক। পরের ওভারে আবারো রংপুর শিবিরে আঘাত হানেন নবীন। এবার ইংল্যান্ডের লুইস গ্রেগরিকে ৪ রানে থামিয়ে দেন তিনি। ফলে ৮ রানেই ২ উইকেট হারায় রংপুর। তবে আফগানিস্তানের ও রংপুরের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ নবীকে নিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন নাইম। চতুর্থ উইকেটে ১৭ বলে অবিচ্ছিন্ন ২২ রান করেন তারা। ২টি করে চার-ছক্কায় ৫০ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত নাইম। ১২ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় অপরাজিত ১৮ রান করেন নবী। সিলেটের নবীন ১৩ রানে ২ উইকেট নেন।

এই ম্যাচের আগে এবারের আসরে একটি জয় ছিলো সিলেট ও রংপুরের। তাই পয়েন্ট টেবিলের তলানিতেই ছিলো এই দু’দল। দ্বিতীয় জয়ের জন্য মরিয়া ছিলো সিলেট ও রংপুর। অবশেষে দ্বিতীয় জয়ের স্বাদ নিয়ে ৪ পয়েন্ট সংগ্রহে রেখে ষষ্ঠস্থানে উঠলো রংপুর। সপ্তম ম্যাচে ২জয়ের সাথে ৫টি হারও রয়েছে রংপুরের। অন্যদিকে, ৮ ম্যাচে ১জয় ও ৭হারে ২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সপ্তম ও শেষ দল সিলেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর :
সিলেট থান্ডার : ১৩৩/৯, ২০ ওভার (মিঠুন ৬২, রাদারফোর্ড ১৬, মুস্তাফিজ ৩/১০)।
রংপুর রেঞ্জার্স : ১৩৪/৩, ১৭.২ ওভার (ডেলপোর্ট ৬৩, নাইম ৩৮*, নাভিন ২/১৩)।
ফল : রংপুর রেঞ্জার্স ৭ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচ সেরা :মুস্তাফিজুর রহমান(রংপুর)।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 10:25 am
চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা। সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকাও পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলায় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

এদিকে সাতকানিয়ায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। অসংখ্য বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

বাঁশখালীতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে৷ বন্যার পানিতে পাঁচ শতাধিক মাটির ঘর ভেঙে গেছে। বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-বাঁশখালী প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে গেলে চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে বাঁশখালীর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাজারো মানুষ। দুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক মাটির বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেলেও অনেকে এখনো পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পুইছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা পারভেজ মোশারফ বলেন, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও সমুদ্রের জোয়ারের ফলে পুইছড়ি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অধিকাংশ মাটির ঘরও ভেঙে পড়েছে। বসতঘর পানিতে ডুবে যাওয়া রান্নাবান্না হচ্ছে না। তাই খাবারের জন্য কষ্ট পাচ্ছে মানুষ।

এদিকে সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের বুড়ির দোকান এলাকা, বাজালিয়া অলি আহমেদ বীর বিক্রম কলেজের সামনে এবং দস্তিদারহাটের পূর্ব পাশে সড়কের ওপর দিয়ে কয়েক ফুট উঁচু হয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বন্যার কারণে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

ডলু নদী দিয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েকশ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। উপজেলার অধিকাংশ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। অনেক এলাকায় এখনো পানি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

চন্দনাইশেও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার দুটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।

গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশের হাশিমপুর এলাকায় প্রায় দেড় ফুট উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান ও ছোট যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ধীরগতিতে যান চলাচলের কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চন্দনাইশের বাসায় আবু নাসের আলিফ বলেন, ‘দিনেদিনে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। অনেক মানুষ না খেয়ে আছে।’

মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 9:28 am
মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি হলো অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের। একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কোকে হারিয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে। তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা।

শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।

স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা (বরাবর নিয়েছিলেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন। সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।

৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স। সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।

এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পান উসমান দেম্বেলে। শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 11:28 pm
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এ শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৫ এর আলোকে এই শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্য প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে রক্ষিত শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপরা। এছাড়া বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিকে অভিনন্দন জানান।