খুঁজুন
, ,

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা আমাদের সমাজে অসাধারণ সমৃদ্ধির অংশ।

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 28 November, 2023, 8:26 pm
বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা আমাদের সমাজে অসাধারণ সমৃদ্ধির অংশ।

শিশু শব্দটা শুনলেই মনে হয় কোমল, আদুরে কিছু। আসলে বিষয়টি এমনই। প্রতিটি পরিবারেই শিশু আনন্দের উৎস। আমাদের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু বলতে তাদেরকে বুঝানো হয়, যাদের শারীরিক/ মানসিক অক্ষমতা রয়েছে, সাধারণ বিকাশকে প্রভাবিত করে, সহায়তার এবং বিশেষ ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়। প্রত্যেক বাবা-মা সুস্থ সবল শিশুজন্মহোক প্রত্যাশা করে। জন্মপূর্ব সময়ে অসতর্কতা বা জন্ম পরবর্তীতে কোনো কারণে অটিজম রোগে আক্রান্ত হয়ে, শিশু বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুতে পরিণত হতে পারে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু শুধুমাত্র একটি শব্দই নয় এটি ব্যাপক অর্থ নির্দেশ করে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু বলতে সেই সব শিশু, সমবয়স্কদের তুলনায় যাদের বুদ্ধি সংবেদন, শারীরিক বৈশিষ্ট্য, ভাব বিনিময়, আদানপ্রদানের সক্ষমতা কম / বেশি হয়। তাদের জন্য বিশেষ যত্ন ও শিক্ষার ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।

আমাদের সামাজিক পরিস্থিতিতে দেখা যায়, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু কাউকে দেখলেই অবাকদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। তখন সমাজের সব নিয়ম যেন ভুলে গিয়ে, বিশেষ সক্ষম এই শিশুদের কথা ভুলে যাই। কোনো নিয়ম তখব মানি না, অটিজম আক্রান্তদের ছোট করে দেখি। তাদের নিয়ে হাসাহাসি করাও সমাজের এক নিষ্ঠুরতা ও অসভ্যতার পরিচয় দিতে দেখা যায়। এই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন/ অটিজম কোনো প্রতিবন্ধিতা নয়, এটি একটি বর্ধনমূলক বৈকল্য, যা শুধু শিশুদের বয়স থেকে চিহ্নিত হয়। স্নায়ুর বিকাশজনিত এই বৈকল্য কেন হয়, এই প্রশ্নের কোনো সর্বজনস্বীকৃত উত্তর গবেষকরা এখনো খুঁজে পাননি। সমস্যাটি মস্তিষ্কজাত, যা একটি শিশু জন্মের সময়ই বহন করে নিয়ে আসে, যেটি তার শৈশবকালীন বিকাশকে নানাদিক থেকে নানাভাবে বাধাগ্রস্ত করে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্নশিশুদের জীবন গঠনে বাবা-মায়ের পাশাপাশি আত্মীয়স্বজন এবং সমাজের নানা স্তরের মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সবাই সহযোগিতা, সহর্মমিতার ভূমিকা পালন করে না।শহরের যত সচেতনতা দেখা যায়, গ্রামজনপদে কিন্তু পরিলক্ষিত করা যায় না। গ্রামে এখনো বিশেষচাহিদা সম্পন্নশিশুকে স্বাভাবিকভাবে নেয় না। পাগল বলা হয়, এটি দুঃখজনক, এর বাহিরেও নানারকম কুসংষ্কার আছে, যেমন জিন বা ভূত ধরার মতো অপ্রাসঙ্গিক গল্প। সংবাদ মাধ্যমে প্রায়শই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার সংবাদছাপা হয়।বেশির ভাগ সময় শিশুর অটিজম শনাক্তের কোনো চেষ্টা হয় না। সেই সকল পরিবারে অটিজম আক্রান্ত শিশুকে লুকিয়ে রাখা হয়। সমাজে নানাবিধ নিয়মকানুন, প্রথাগত কুসংস্কার অটিজম শিশুদের একঘরে করে রাখে। অর্থনৈতিক ভাবে অসচ্ছল গরিব পরিবারে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের আয়ের উৎস হিসেবে ভিক্ষাবৃত্তির কাজে ব্যবহার করতে দেখা যায়।

অটিজম আক্রান্ত শিশুর মৌলিক চাহিদা পূরণ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের অধিকার রয়েছে। সমাজে এইসকল শিশুদের প্রতি সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। অটিজম আক্রান্ত শিশুদের চলাফেরা, লেখাপড়া, খেলাধুলায় বিশেষ ভূমিকায় পালন করা হলে তাদের জীবন, অটিজম আক্রান্ত শিশুদের পরিবারগুলোর জীবনযাপন অনেক সহজ হবে, নানাবিধ প্রতিবন্ধকতা মুক্তি লসভ করবে, তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়বে।

বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন ব্যবস্থায় অটিজম আক্রান্ত শিশুর মূল যে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয় সেটা তার অটিজম নয়, সেটা হলো বৈষম্য এবং কুসংস্কার। প্রতিবন্ধী শিশুদের অধিকারক্ষুন হয়, পরিবার, সমাজ, কর্মক্ষেত্রের বৈষম্য। সর্বস্তরে এরূপ বিশ্বাস প্রতিষ্ঠিত আছে, প্রতিবন্ধীত্ব অভিশাপ এবং পাপ কাজের শাস্তি যা প্রতিবন্ধীদের যত্ম, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রভাবিত করে থাকে। অটিজম আক্রান্ত শিশুরা চিকিৎসা, শিক্ষার কম সুযোগ পায়। অটিজম আক্রান্ত শিশুর ইন্দ্রিয় ক্ষমতা বুদ্ধি বা শারীরিক ক্ষমতা অভিন্ন যে কারণে তাদের জন্য বিশেষ শিক্ষা বা বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহনের প্রয়োজন হয়। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু বলতে সেই সব শিশুদের বুঝায় সমবয়স্কদের তুলনায় যাদের বুদ্ধি সংবেদন, শারীরিক বৈশিষ্ট্য, ভাব বিনিময় ক্ষমতা ও সামাজিক দক্ষতার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য মাত্রার কম বা বেশী হয় তাকেই ব্যতিক্রমী শিশু বলে আখ্যায়িত করা হয়।
বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ অনেকগুলো আইন প্রণয়ন করেছে ও নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। যেমন – শিশু নীতি ২০১১, শিশু আইন ২০১৩ এবং প্রতিবন্ধীর অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩। বাংলাদেশ ২০০৭ সালে প্রতিবন্ধীদের অধিকার বিষয়ে জাতিসংঘ সনদ (সিআরপিডি) এবং ২০০৮ সালে ঐচ্ছিক প্রোটোকলে স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশগুলোর অন্যতম। সিআরপিডি রাষ্ট্রের প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোরসহ সকল নাগরিকের মানবাধিকারের পূর্ণ ও সমান অধিকার ভোগ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করে। এ সনদটি বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী শিশুদের অবস্থার পর্যালোচনা এবং সমাজে তাদের অন্তর্ভূক্তির জন্য পদক্ষেপের ভিত্তি স্থাপন করে। এখন রাষ্ট্রীয়ভাবে অটিজম ইস্যুটিকে প্রাধান্য দেওয়াসহ বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এসব শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের বিষয়গুলোকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফলে সমাজেও ধীরে ধরে বিশেষ শিশুদের ব্যাপারে নেতিবাচক ধারণা কমে আসছে। প্রতিবছর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ঈদ কার্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয়ভাবে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান সেখানে কয়েক বছর ধরে অটিস্টিক শিশুদের ছবি ব্যবহৃত হচ্ছে। আমরা যদি তাদের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে একটু সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিই, একটু বিশেষ নজর দেই, তাদের মূলধারার শিক্ষায় নিয়ে আসা সম্ভব।আর দশটি সুস্থ শিশুর মতো তারাও সমাজের সার্বিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে সফলতার পরিচয় দিতে সক্ষম-তারা সংসারে বোঝা নয়। আমরা চাই তারা মানুষের মতো মানুষ হোক। তাদের জীবন সাফল্যের আলোয় আলোকিত হোক।

Feb2
Feb2

ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা, হবে উপনির্বাচন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2026, 4:11 pm
ঠাকুরগাঁও-১ সংসদীয় আসন শূন্য ঘোষণা, হবে উপনির্বাচন

রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) সংসদ সচিবালয় এ সংক্রান্ত চিঠি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠিয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকা ৩, ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত (২১ আগস্ট, শুক্রবার) রাষ্ট্রপতির কার্যভার গ্রহণ করায় ওই আসনটি সংবিধানের ৫০(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তার কার্যভার গ্রহণের তারিখ থেকে শূন্য হলো। বিজ্ঞপ্তিটি অবিলম্বে বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশের জন্য সরকারি মুদ্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শূন্য হওয়া আসনটিতে উপ-নির্বাচন আয়োজনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রজ্ঞাপনের অনুলিপি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে।

একইসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়, বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব দফতরে অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, যেহেতু আসনটি শূণ্য ঘোষণা করা হয়েছে, এখন আমরা আইন-বিধি দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।

৯০ দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচন হবে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আসন্ন থাকায় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের জন্য বেশি সময় নেব না, দ্রুতই নির্বাচন আয়োজন করা হবে।

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2026, 3:52 pm
জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মন্ত্রী পরিষদের দায়িত্ব পাওয়া নতুন চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী।

শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা ১টা ১৫ মিনিটের দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী ​এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী। তবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ প্রবেশ করেন দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে।

এদিন নতুন দুই প্রতিমন্ত্রী—হুমায়ুন কবির (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ও মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন (ধর্ম মন্ত্রণালয়) শ্রদ্ধা জানাতে যান। তারা বীর শহীদদের প্রতি ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন তারা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তারা জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের উপকৌশলী আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে এসে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ত্যাগ করলে সাধারণ জনগণদের জন্য স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ উন্মুক্ত করা হবে বলে জানান তিনি।

শরিফুলের ৬ উইকেটে আশা বাঁচিয়ে দিন শেষ করল বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 22 August, 2026, 3:23 pm
শরিফুলের ৬ উইকেটে আশা বাঁচিয়ে দিন শেষ করল বাংলাদেশ

ডারউইন টেস্টে হাসান মাহমুদের পর এবার ম্যাকাই টেস্টে জ্বলে উঠলেন চোট থেকে ফেরা পেসার শরিফুল ইসলাম। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে নেমেই ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগার পেয়ে গেলেন বাঁ-হাতি এই পেসার। গড়লেন বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় দ্রুততম ফাইফারের রেকর্ড।

এই ম্যাচে নামার আগে টেস্টে শরিফুলের সেরা বোলিং ফিগার ছিল ২৮/৩। এছাড়া এক টেস্টের দুই ইনিংসে মিলিয়ে ৫৬/৫ ছিল তার সেরা বোলিং। অজিদের বিপক্ষে আজ দুটিই ছাড়িয়ে গেলেন শরিফুল। ৮.৫ ওভারে ফাইফার পূর্ণ করা এই পেসার ইতোমধ্যে ৬ উইকেট (এখন পর্যন্ত ফিগারটা- ৩৪/৬) শিকার করেছেন।

অবশ্য বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে দ্রুততম ৫ উইকেট শিকারের রেকর্ডটা এখনও বাঁ-হাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামের দখলে আছে। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে তিনি মাত্র ৬.৫ ওভারেই ফাইফার নিয়েছিলেন। একই কীর্তি গড়তে আরও দুই ওভার বাড়তি লেগেছে শরিফুলের।

স্বভাবতই টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের এই গতিতারকা প্রথমবার ৫ উইকেটের দেখা পেলেন। একইসঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে দ্বিতীয় পেসার হিসেবে ৫ উইকেট পেলেন তিনি। আগের টেস্টেই প্রথম ৫ উইকেট ছিল হাসান মাহমুদের। তিনিও শিকার বাগিয়েছিলেন ৬টি উইকেট। ম্যাকাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ৮ উইকেটের ৬টিই গেছে শরিফুলের পকেটে।

এর আগে ব্যাটিংয়ে দারুণ বিপর্যয়ে পড়ে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। অজি গতিতারকা মিচেল স্টার্ক নেন ৬ উইকেট। নিজেদের প্রথম ইনিংসে নামা স্বাগতিকদের ২৬ রানে প্রথম ধাক্কাটা দেন তাসকিন আহমেদ। দলীয় ৪৩ রানে ট্রাভিস হেডকে ইনসাইড এজে বোল্ড করে সেই দলে যোগ দেন শরিফুল। একই ওভারে বোল্ড করেন মার্নাস লাবুশেনকে। এরপর শরিফুল একে একে ফিরিয়েছেন স্টিভ স্মিথ, ব্যু ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স ও স্টার্ককে।

এর মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে ম্যাকাই টেস্টের প্রথম দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। তবে দিনের শেষদিকে শরিফুলের ৬ উইকেট শিকারের মাধ্যমে ম্যাচে টিকে রইল বাংলাদেশ।