খুঁজুন
, ,

উত্তর কাট্টলি ঈগল প্রতিকের প্রার্থী লায়ন আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইমরান এর গণসংযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 31 December, 2023, 12:39 am
উত্তর কাট্টলি ঈগল প্রতিকের প্রার্থী লায়ন আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইমরান এর গণসংযোগ

অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে হলে ছেলেমেয়েদের সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে- যারা শুধু পড়াশোনা নয়, আচার আচরণেও সুশিক্ষিত হবে।
চট্টগ্রাম-৪, সীতাকুণ্ড এবং আংশিক আকবরশাহ্ ও পাহাড়তলী আসনের ঈগল প্রতিকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী লায়ন আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইমরান বলেন, আমি সন্ত্রাস হানাহানি মারামারির মধ্যে নাই। ঈগলের প্রার্থী আপনাদের ভালোবাসার মানুষ, আপনাদের ভাই, আপনাদের সন্তান মোহাম্মদ ইমরানের লক্ষ্য একটাই আমাদের এলাকায় অপরাধ কিংবা সন্ত্রাসী অপরাধীর কোন স্থান হবে না।

আর, এটা করতে হলে ছেলেমেয়েদের সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। শুধু পড়াশোনা না, আদব লেহাজ সহ সুশিক্ষিত হতে হবে। সুশিক্ষিত মানুষেরা কখনও অপরাধে জড়ায় না, সন্ত্রাসী-অপরাধীর সাথেও থাকে না।

শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩ চট্টগ্রামের উত্তর কাট্টলিস্থ কন্দার বাড়ি, বারই পাড়া, জ্বালাকুমারি বাড়ি, বড়কালিবাড়িও ঈষান মহাজন রোডে গণসংযোগ শেষে ঘোষ বাড়িতে কর্মীসভায় তিনি একথা বলেন। কর্মীসভায় বক্তব্য রাখেন দিলিপ চৌধুরী, রতন দাশ, বিধু কর্মকার সহ আরো গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এসময় চট্টগ্রাম-৪ আসনে তাঁরা কেমন সংসদ সদস্য চান সেকথা বলেন এবং ঈগল প্রতিকের সমর্থনে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

ঈগল প্রতিকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী লায়ন আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইমরান উপস্থিত জনতার কাছে দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, সময়ের অভাবে এবং বিরূপ পরিস্থিতিতে স্বশরীরে আপনাদের কাছে আসতে পারি নাই। আপনারা আমাকে মাফ করে দেবেন।তিনি আরো বলেন, যার সাথে দেখা হয় কিংবা মোবাইলে-ফেসবুকে কথা তারই একটা প্রশ্ন— আপনার পোস্টার দেখি না কেন? আপনি এলাকায় আসছেন না কেন? কেউ কেউ আরেকটু রাগ দেখিয়ে, অভিমান করে বলেন, ড্রইং রুমে বসে বসে কী এমপি হওয়া যায়? এসব শুনে মানুষ হিসেবে আমার কষ্ট লাগে, দুঃখ হয়— এটা সত্য। কিন্তু, আপনারা আমাকে ভালোবাসেন বলেই-না আমাকে বকা দেন, আমার খোঁজ নেন, আমার জন্য নিরবে নিভৃতে প্রচার করেন এবং আল্লাহ কাছে দোয়া করেন।

উপস্থিত জনতাকে উদ্দেশ্য করে ঈগল প্রতিকের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী লায়ন আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইমরান বলেন, আপনাদের দোয়া আছে বলেই বারবার চেষ্টা করেও ওরা ঈগলের ডানা ভাঙতে পারেনি। আপনাদের আশীর্বাদ আছে বলেই ওরা আপনাদের মন থেকে আমাদের নাম মুছে দিতে পারেনি। এবং, ইনশাআল্লাহ, পারবেও না। তিনি বলেন, অপরাধমুক্ত সুশিক্ষিত সমাজ গড়া-ই হবে সংসদ সদস্য হিসাবে আমার একমাত্র লক্ষ্য। আপনারা জানেন, আজকে থেকে মাত্র ৩দিন আগেও সুপ্রিমকোর্টে আপিলের মাধ্যমে পাওয়া আমার প্রার্থীতা বাতিলের জন্য সীতাকুণ্ডের এক প্রার্থী মামলা করেছিলেন। যেটাকে আদালতের ভাষায় বলে লিভ-টু-আপিল। কিন্তু মামলা করেও আলহামদুলিল্লাহ্ কোন লাভ হয়নি। মহামান্য আদালত তাঁদের আবেদন খারিজ করে ঈগল পাখি মার্কায় আমার প্রার্থীতা বহাল রেখেছেন। যে আদেশের কপি গত ২৭ ডিসেম্বর ২০২৩ আমাদের হাতে এসেছে।

তিনি বলেন, আপনারা জানেন, সবাই যখন নির্বাচনের প্রচারে আনন্দমুখর পরিবেশে আমরা তখনও প্রার্থীতা বহাল রাখার লড়াইয়ে ব্যস্ত। একবার বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে, আরেকবার নির্বাচন কমিশনে। আবার বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে, তো আবারও হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্টের বারান্দা, গলি, এজলাসে। এভাবেই সারাক্ষণ টেনশনে। আলহামদুলিল্লাহ্, মহান আল্লাহর প্রতি লাখো কোটি শুকরিয়া, তিনি শেষমুহুর্তে হলেও ঈগলের ডানা ভেঙে দেয়ার অপপ্রয়াস নস্যাৎ করে দিয়েছেন।

সুতরাং, আমাদেরকে এর জবাব দিতে হবে। এ সময় উপস্থিত জনতা হাত তুলে তাঁকে আশ্বস্ত করলে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম-৪ আসনের মানুষেরা কেমন মানুষ চায় তা আগামী ৭ জানুয়ারী আমরা জেনে যাবো, ইনশাআল্লাহ্। আমরা নিরব বিপ্লব করবো।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।