খুঁজুন
, ,

আব সুফিয়ানের সমর্থনে যুবদলের গণমিছিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 January, 2020, 9:17 pm
আব সুফিয়ানের সমর্থনে যুবদলের গণমিছিল

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশররফ হোসেন দীপ্তি বলেছেন, দুর্নীতি, দু:শাসন, লুটপাট, গুম, খুন ও ধর্ষণের রোলমডেল আজকের এই বাংলাদেশ। চারিদিকে লুপাটের হরিলুট চলছে। আইনের চোখ শুধু বিরোধী দল-মত দমনে ব্যস্ত। গণতান্ত্রিক নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে ক্ষমতালোভী আওয়ামীলীগ।

তিনি এ সময় আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী ১৩ জানুয়ারী উপনির্বাচনে ধানের শীষ
প্রতীকে আবু সুফিয়ানকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার উদাত্ত্ব আহ্বান জানান চট্টগ্রাম- ৮ আসনের ভোটারদের।

আজ বুধবার (৮ জানুয়ারী) বিকালে নগর যুবদলের উদ্যোগে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক ও নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবু সুফিয়ানের সমর্থনে মুরাদপুর মোড় থেকে গণসংযোগ শুরু হয়ে মোহরা ৫ নং বিএনপি কার্যালয় সামনে এক পথসভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন

নগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক ধানের শীষ। আমাদের যুবসমাজ জাতীয়তাবাদী আদর্শের প্রতীক ধানের শীষকে বুকে ধারণ করেছে। অন্যদিকে লুটপাট আর দু:শাসনের প্রতীক হলো নৌকা। নৌকা আজ ষোল কোটি মানুষের কষ্টের ঠিকানা। এদেশের মানুষ আজ মুক্তি চায়।
গণতন্ত্রের পথে কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি হল প্রথম ধাপ। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এদেশে হারানো গণতন্ত্র ফিরে আসবে ইনশাআল্লাহ।

তিনি এ সময় আবু সুফিয়ানকে বিজয় করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলন ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে শরীক হতে চট্টগ্রাম-৮ আসনের জনগণকে অনুরোধ জানান।

মুরাদপুর মোড় থেকে আজকের গণসংযোগ হাজার হাজার মানুষের গণমিছিলে পরিণত হয়। চট্টগ্রামের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ড থেকে যুবদলের নেতাকর্মীগণ স্বত:স্ফূর্তভাবে মিছিল সহকারে গণমিছিলে অংশ নেন। মুরাদপুর থেকে গণমিছিল বহদ্দারহাট মোড় হয়ে পুরাতন চান্দগাঁও,সিএন্ডবি, বাহার সিগন্যাল, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, মোহরা, মৌলভীবাজার ও কালুরঘাট এলাকায় গণমিছিল প্রদক্ষিণ শেষে এক পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশররফ হোসেন দীপ্তির সভাপতিত্বে ও নগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ’র পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি নুুর আহমেদ গুড্ডু, এস এম শাহ আলম রব, শাহেদ আকবর, ইকবাল হোসেন সংগ্রাম, ফজলুল হক সুমন, জাহাঙ্গীর আলম, আবদুল করিম, আবদুল গফুর বাবুল, সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু, মোহাম্মদ মুছা, নাসির
উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, হাসান মুরাদ, জসিমুল ইসলাম কিশোম, অরুপ বড়ুয়া, মো.আলী সাকি, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ মনজুর হোসেন, আমান উল্লাহ আমান, মো. হুমায়ুন কবীর, ইকবাল পারভেজ,
আবদুল্লাহ আল টিটু, এরশাদ হোসেন, তাজুল ইসলাম, আবদুল হামিদ পিন্টু, দীপঙ্কর ভট্টাচার্য্য, সেলিম উদ্দিন রাসেল, শাহীন পাটওয়ারী, নগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশাহ, ওমর ফরুক, হেলাল হোসেন, গুলজার
হোসেন, সহসাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সাজু, ওসমান গণি, মুজিবুর রহমান রাসেল, সাইফুদ্দিন মো. মারুফ, আহাদ আলী সায়েম, জাফর আহমদ খোকন, রাসেল নিজাম, মো. ইয়াছিন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগীর, আলাউদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, মহিউদ্দিন মুকুল, আরিফুল ইসলাম, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শারিয়ার আজম, মো. ইকবাল, ওমর ইমতিয়াজ টিটু,
দিদারুল আলম, সহ সম্পাদক আতিকুর রহমান, কমল জ্যোতি বড়ুয়া,কামাল উদ্দিন, মনোয়ার হোসেন মানিক, জিয়াউল হক মিন্টু, মাহবুবুর রহমান, কোরবান আলী, কামরুল ইসলাম,
জহিরুল ইসলাম জহির, গিয়াস উদ্দিন টুনু, হামিদুল হক চৌধুরী, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, হাফেজ কামাল উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, জাহাঙ্গির আলম বাবু, ফারুক হোসেন স্বপন, শেখ কামাল আলম, আশরাফ উদ্দিন, সিরাজ সিকদার, আবদুল আওয়াল টিপু, এস এম ফারুক, আরিফ হোসেন, আবু বক্কর সিদ্দিকী আবু, মো. ইদ্রিস,
ইব্রাহিম খান, ইয়াসিন আজাদ, জাফর সাদেক সোহেল, মিজানুর রহমান দুলাল, হোসেন জামান, জসিম উদ্দিন, সাইদুল হক, দেলোয়ার হোসেন, ইমরান ভূঁইয়া, নগর যুবদলের সদস্য আফসারুদৌলা অপু, লতিফুল বারী সুমন, হাবিব উল্লাহ খান,সাবাব ইয়াজদানী, আবদুর রহমান আলমগীর, কলিম উল্লাহ, সোহাগ খান, সাব্বির
ইসলাম ফারুক, আবদুস সাত্তার, জাহেরী মাসুদ, আবদুল করিম, সাখাওয়াত কবীর সুমন, থানা যুবদলের কুতুব উদ্দিন, শেখ রাসেল, মনজুর আলম মঞ্জু, শওকত খান রাজু, মোরশেদ কামাল, ইউনুস মুন্না, আকতার হোসেন, মেজবাহ উদ্দিন, মো: মুজাহিদ, আবু বক্কর বাবু, এস এম আলী, জাবেদ হোসেন, মোহাম্মদ হাসান, বাদশা আলমগীর, সাইফুল আলম, এস এম শাহবাজ, জহিরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম প্রমূখ।

Feb2
Feb2

ডিসি জাহিদের উদ্যোগ: প্লাস্টিক জমা দিয়ে চিড়িয়াখানায় শিক্ষার্থীদের ভিড়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:12 pm
ডিসি জাহিদের উদ্যোগ: প্লাস্টিক জমা দিয়ে চিড়িয়াখানায় শিক্ষার্থীদের ভিড়

ছুটির দিনে হাতে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক নিয়ে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ভিড় করেছে শিক্ষার্থীরা। ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে বিনা মূল্যে চিড়িয়াখানা ঘুরে দেখার সুযোগ নিতে শুক্রবার অনেক শিক্ষার্থী পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সেখানে আসে।

পরিবেশ দূষণ রোধে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে প্রকৃতি ও বাস্তব জগতের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এ কর্মসূচি চালু করেছে।

শুক্রবার চিড়িয়াখানায় গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা প্লাস্টিকের বোতল, প্যাকেটসহ পরিত্যক্ত প্লাস্টিক নিয়ে আসছে। নির্ধারিত স্থানে ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক জমা দিয়ে তারা বিনা মূল্যে প্রবেশের সুযোগ নিচ্ছে। অনেকের সঙ্গে এসেছেন অভিভাবকেরাও।

চট্টগ্রাম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিফ ইসলাম ও তার সহপাঠী সারোয়ার হোসেনও পরিত্যক্ত প্লাস্টিক নিয়ে চিড়িয়াখানায় আসে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগের প্রশংসা করে আরিফ বলে, এ ধরনের কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বাড়াবে।

আরিফ বলে, ‘এখন থেকে রাস্তায় কোনো প্লাস্টিক বর্জ্য দেখলে সেটি নির্দিষ্ট জায়গায় রাখার চেষ্টা করব। বন্ধুদেরও একই কাজ করতে উৎসাহিত করব।’

দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে চিড়িয়াখানায় এসেছিলেন চট্টগ্রামের বাসিন্দা মো. রাসেল। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষার সঙ্গে শিশুদের বিনোদন ও প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ যুক্ত করে জেলা প্রশাসন ভালো একটি উদ্যোগ নিয়েছে।

বেসরকারি চাকরিজীবী ইকবাল হোসেনও দুই সন্তানকে নিয়ে ছুটির দিনে চিড়িয়াখানায় আসেন। উদ্যোগটিকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, প্লাস্টিক দূষণ রোধে সব নাগরিককেই সচেতন হতে হবে।

ইকবাল বলেন, নগরের বিভিন্ন স্থানে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক ফেলার জন্য পর্যাপ্ত ডাস্টবিন রাখা হলে নাগরিকদের অভ্যাসেও ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসবে। এতে রাস্তাঘাটে যত্রতত্র প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার প্রবণতা কমানো সম্ভব হবে।

গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। কর্মসূচির আওতায় ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে বিনা মূল্যে চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করতে পারছে। উদ্বোধনী দিনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের একটি করে গাছের চারাও দেওয়া হয়।

উদ্বোধনের সময় জেলা প্রশাসক বলেন, তরুণ প্রজন্মের সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে। মোবাইল ফোন, অনলাইন ভিডিও ও ভার্চুয়াল জগতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা থেকে কিছু সময়ের জন্য হলেও শিক্ষার্থীদের প্রকৃতির কাছে ফিরিয়ে আনার চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্লাস্টিক দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্লাস্টিক কৃষিজমি, সমুদ্র ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি তৈরি করছে। তাই ছোটবেলা থেকেই পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করা প্রয়োজন।

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগৃহীত প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে জেলা প্রশাসনের। এ জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে লাভ বা মুনাফা মুখ্য নয়। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, দেশ ও জাতির জন্য একটি বিনিয়োগ।’

৭ বছরে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:26 am
৭ বছরে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট

‎‎রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে দেশের প্রথম অন-গ্রিড সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে গত সাত বছরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ। ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার এ কেন্দ্রটি পরিত্যক্ত জমিতে নির্মাণের পর থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উৎপাদিত বিদ্যুতের আনুমানিক বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।

জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে কাপ্তাইয়ের এ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে দেশের সৌরবিদ্যুৎ খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

‎১৯৬২ সালে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পর কাপ্তাই বাঁধের পাশে প্রায় ২২ একর জমি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ছিল। প্রায় পাঁচ দশক পর ওই জমির ১৯ একর এলাকায় প্রায় ১১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। ২০১৯ সালে কেন্দ্রটির উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।

কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে তেল, গ্যাস বা কয়লার প্রয়োজন হয় না। ফলে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমাতেও সৌরবিদ্যুৎ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গত সাত বছরে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিতে সক্ষম হয়েছি, যার বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে জ্বালানি আমদানির ব্যয়ও বাড়ছে। এ অবস্থায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো গেলে জ্বালানি আমদানির ওপর চাপ কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনায় তুলনামূলকভাবে কম জনবল প্রয়োজন হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে গ্রামীণ পর্যায়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, কৃষিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ এবং বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এতে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার ও আমদানি নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।

‎এদিকে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান জানান, বর্তমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঙ্গে আরও ১ মেগাওয়াট সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ৭ দশমিক ৬ মেগাওয়াটের নতুন একটি প্রকল্পের কাজ চলছে।

‎তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো গেলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে আরও বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে।‎

কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাত বছরের উৎপাদন ও সাফল্য দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনার পথ দেখাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, সৌরবিদ্যুতের বিস্তার ঘটাতে সরকারি সহায়তা, প্রয়োজনীয় নীতিগত সুবিধা ও বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে জীবাশ্ম জ্বালানির আমদানি কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব।

রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:12 am
রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রামের রাউজানে আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে করিম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের কেরাণীহাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত করিম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে দলের কোনো পদে ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, তা এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে রাউজান উপজেলায় অন্তত ২১ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাদের বেশির ভাগই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সর্বশেষ করিমের হত্যাকাণ্ডের পর এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২২ জনে।