খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গুনিয়ায় কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ধর্ষককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
রাঙ্গুনিয়ায় কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ধর্ষককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত

ডেস্ক নিউজ : চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় এক কিশোরীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে হোটেলে রেখে ধর্ষণ করার অভিযোগে অভিযুক্ত ২ আসামির মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করেছে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ।

জানা যায়, উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড পোঁড়াবন এলাকা থেকে ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোরীকে তুলে নিয়ে যায় ধর্ষকরা।

শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত সাজ্জাদ হোসেন (৩৫)কে আদালতের তোলা হলে বিচারক তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন। অন্যদিকে একই ঘটনায় জড়িত আরো এক আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছে পুলিশ।

মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জোরপূর্বক মেয়েটিকে গাড়িতে তুলে রাঙামাটি নিয়ে যায় গ্রেফতার সাজ্জাদ ও তার বন্ধু মো. রিপন (২০)। সেখানের একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ভয় দেখিয়ে তাকে রাতভর ধর্ষণ করে দুজনই পালিয়ে যায়।

এদিকে কিশোরী মেয়েটিকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরদিন রাঙ্গামাটির স্থানীয় লোকজন ধর্ষণের স্বীকার ওই কিশোরীকে মূর্মুর্ষু অবস্থায় পরিবারের কাছে নিয়ে আসে।

কিশোরীটি তার পরিবারের কাছে পুরো ঘটনাটি খুলে বললে ইসলামপুর ইউপি সদস্য মো. বেলালের সহযোগীতা নিয়ে তার নানী ২ যুবককে আসামি করে রাঙ্গুনিয়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করে।

রাঙ্গুনিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহবুব হোসেন মামলার তথ্যটি নিশ্চিত করে বলেন, ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২ যুবককে আসামি করে রাঙ্গুনিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন কিশোরীর নানী।

মামলার সূত্র ধরে ঘটনার স্বীকার কিশোরী মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা করার পর প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের বিষয়টির প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত একজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এই ঘটনায় জড়িত মো. রিপন নামে আরো এক যুবককে গ্রেফতারপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২৪ ঘণ্টা/রাজীব

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…