খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খুব অল্প সময়ের মধ্যেই চারজন সংসদ সদস্যকে হারিয়েছি,এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক:প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
খুব অল্প সময়ের মধ্যেই চারজন সংসদ সদস্যকে হারিয়েছি,এটা খুব দুর্ভাগ্যজনক:প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা আজ আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ও সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেছেন, তাঁর (ইসমত আরা) সবচেয়ে বড় গুণ ছিল সততা, আন্তরিকতা ও দেশপ্রেম।

তিনি বলেন, ‘ইসমত আরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, সততা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে গেছেন যা ছিল তাঁর সব থেকে বড় গুণ।’

সংসদ নেতা শেখ হাসিনা আজ জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্য ইসমত আরা সাদেকের মৃত্যুতে গৃহীত শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় একথা বলেন।

ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী এ সময় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছিলেন। দিনের কার্যসূচির শুরুতেই এই শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

যশোর-৬ (কেশবপুর) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইসমত আরা সাদিক আজ সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

সংসদ নেতা বলেন, ইসমত আরা সাদেক অত্যন্ত সাবলীল এবং সর্বোত্তমভাবে কাজ করেছেন এবং তাঁর কাজের মাধ্যমেই তিনি তাঁর মন্ত্রণালয়কে গতিশীল করে তোলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ইসমত আরা সাদেক ব্যাপক উন্নয়ন কাজের মাধ্যমে তাঁর সংসদীয় আসন যশোরের কেশবপুরকে আলোকিত করেছেন।
‘তিনি (ইসমত আরা) তাঁর সংসদীয় আসনের উন্নয়নে খুবই আন্তরিক ছিলেন,’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি যে অকালে চলে যাবেন তা ভাবতেও পারিনি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইসমত আরা সাদেক এক সময় গৃহবধু ছিলেন। তখন তিনি বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু সে সময় তিনি রাজনীতিতে ততটা সক্রিয় ছিলেন না।

শেখ হাসিনা বলেন, যখন ১৯৯২ সালে তাঁর (ইসমত আরা) স্বামী এএইচএসকে সাদেক আওয়ামী লীগে যোগ দেন, সে সময় ইসমত আরাও দলের জন্য কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

‘সে সময় তাঁরা দুজনেই আমার কাছে আসেন এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমার সঙ্গে আলোচনা করেন, ’যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সংসদ নেতা বলেন, ‘এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই একের পর এক আমরা চারজন সংসদ সদস্যকে হারিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী ইসমত আরা’র বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবার সহ তাঁর (প্রয়াত সংসদের) সংসদীয় আসনের জনগণের প্রতি সমবেদনা জানান।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…