খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিরসরাইয়ে ৩০ বছরের পুরনো রাস্তা কেটে ফেলার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৫:৪৬ অপরাহ্ণ
মিরসরাইয়ে ৩০ বছরের পুরনো রাস্তা কেটে ফেলার অভিযোগ

আশরাফ উদ্দিন, মিরসরাই প্রতিনিধি::: মিরসরাইয়ে ৩০ বছররে পুরনো রাস্তা কেটে মাটি নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছে স্থানীয় উত্তর হাসিম নগর এলাকাবাসি। অভিযুক্ত বলেছেন আমার জায়গা ৩০ বছর ব্যবহার করতে দিয়েছি এটা কি আমার অপরাধ?

গত ৩০ বছর ধরে চলাচল করা একটি জনবহুল রাস্তা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। উপজেলার ১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের হাসিমনগর এলাকার গোলাপ বিবি সড়কের সংযোগ রাস্তাটি কেটে ফেলায় ক্ষোভ জানিয়েছে এলাকাবাসী।

মঙ্গলবার (৪ জানুয়ারি) সকালে সরেজমিনে গেলে উত্তর হাসিমনগর এলাকার নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে তাদের দীর্ঘ সময় ধরে চলাচলের রাস্তাটি কেটে ফেলার প্রতিবাদ করেন।

এলাকার বাসিন্দা মজিবুল হক, আমিনুল হক, নুরুল আমিন, হারাধন দাশ, শাহ আলম জানান- উত্তর হাসিমনগর এলাকায় আমরা প্রায় দুই শতাধিক পরিবার বসবাস করছি। স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মক্তব, মসজিদ, হাট-বাজারে যাওয়ার জন্য সবাই এই সড়কটি ৩০ বছর ধরে ব্যবহার করে আসছি। এলাকাবাসী নিজের জায়গা দিয়ে এই রাস্তা তৈরি করেন। যারা জায়গা দিতে পারেনি তারা অর্থ দিয়ে সহায়তা করেছেন।

হঠাৎ করে স্থানীয় প্রভাবশালী শহীদুল্লাহ, অহিদুন্নবী, রফিক, আরিফ, সাঈদ গংরা ঝুকিপূর্ণভাবে রাস্তার পাশ কেটে মাটি নিয়ে বড় গর্ত করে ফেলেন। যার ফলে রাস্তাটির ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং সামনের বর্ষায় রাস্তাটি ভেঙ্গে যোগাযোগ ব্যাবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে।

স্থানীয় মলিয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী সাগর চন্দ্র দাশ বলেন, আমরা এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্কুলে যাই। এখন রাস্তা কেটে বন্ধ হয়ে গেলে কিভাবে স্কুলে যাবো!

এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম বলেন, গত ২৯ জানুয়ারি এস্কেবেটর দিয়ে রাস্তা কেটে মাটি নিয়ে যায় ক্ষমতাশালিরা। আমরা বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে অবহিত করলে তিনি ঘটনাস্থলে এসে রাস্তা কাটা বন্ধ করেন।

সাইফুল ইসলাম আরো অভিযোগ করে বলেন, শহীদুল্লার ছেলে রফিক পুলিশে চাকরী করেন। তাই তিনি উপস্থিত থেকে সবাইকে মামলার ভয় দেখিয়ে রাস্তার পাশ ঘেঁষে বড় গর্ত করেন মাটি নিয়ে যান, এই ব্যাপারে আপন্তি জানালে সবাইকে দেখে নেয়ার হুমকিও দেন। আমরা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে জানিয়েছি।

এই বিষয়ে মোঃ শহীদুল্লাহ বলেন, এলাকার লোকজন দীর্ঘদিন যাবত আমার জায়গার উপর নির্মিত রাস্তা দিয়ে চলাচল করেছে। রাস্তার বেশির ভাগ জায়গাই আমার। এখন আমার জায়গা প্রয়োজন হচ্ছে তাই রাস্তা কেটে ফেলছি। আমার জায়গা আমি কাটবো এতে সমস্যা কোথায়? আমি যদি রাস্তার জন্য জায়গা দিতে হয় তাহলে পাশে যার জমি সেও তো জায়গা দিতে হবে। শুধু আমার জায়গা দখল করে রাস্তা হবে এটা কোন ধরনের কথা, আমার জায়গা ব্যবহার করতে দিয়েছি গত ত্রিশ বছর এটা কি আমার অপরাধ?? এখন আমার জায়গা আমার প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারবো না??

এই বিষয়ে ১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাস্টার বলেন, রাস্তা কেটে ফেলার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই এবং স্কেবেটর দিয়ে রাস্তার পাশ ঘেঁষে মাটি খনন বন্ধ করেছি। উভয় পক্ষকে এই বিষয়ে সমাধান করার পরামর্শ দিয়েছি।

 

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…