খুঁজুন
, ,

লালদীঘির মহাসমাবেশে লাখো জনতার সমাগম হবে: মেয়র নাছির

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 February, 2020, 11:56 pm
লালদীঘির মহাসমাবেশে লাখো জনতার সমাগম হবে: মেয়র নাছির

মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, যৌতুক ও দুর্নীতি প্রতিরোধে কাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য লালদীঘির মহাসমাবেশে লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

এই সমাবেশে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহা পরিচালক ও সিএমপি কমিশনার অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

আজ বুধবার বিকেলে টাইগারপাসে চসিক সম্মেলন কক্ষে মহাসমাবেশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

সভায় সভাপতিত্ব করেন চসিক আইন শৃংখলা স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান এইচএম সোহেল। এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিক প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, মোহাম্মদ জাবেদ, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবিদা আজাদ,চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিয়া আখতার ও জাহানারা ফেরদৌস প্রমূখ।

সিটি মেয়র বলেন, ‘মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, যৌতুক ও দুর্নীতিকে না বলুন” নিরাপদ ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলুন’ স্লোগানে এ মহাসমাবেশের আয়োজন করছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। এই সমাবেশে সকল পেশার মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, যৌতুক ও দুর্নীতি প্রতিরোধে শপথ পাঠ করানো হবে।

তিনি বলেন, জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে প্রধান অন্তরায় মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, যৌতুক ও দুর্নীতি। এই সকল বাধা সমূহ দূরীকরনে ২০১৭ সালে চসিকের ৫ম নির্বাচিত পরিষদের ২০ তম সাধারন সভায় কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। তারই প্রেক্ষিতে ৩০ এপ্রিল ২০১৭ সালে থিয়েটার ইনস্টিটিউটে এক সভার মাধ্যমে মাদকসেবী ও ব্যবসায়ীদের তালিকা পুলিশ কমিশনারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নগরীর ৪১ টি ওয়ার্ডে সভা করে অক্টোবর ২০১৯ এর মাধ্যমে ওয়ার্ড পর্য্যায়ে সভা সমাপ্ত হয়।

এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চসিক মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, যৌতুক ও দুর্নীতির মত কালো ব্যাধি থেকে সমাজ ও নগরকে মুক্ত করার উদ্দেশ্য নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প বাস্তবায়নে প্রতিটি ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণের সাথে এই সভার আয়োজন করে। মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, যৌতুক ও দুর্নীতি জাতীয় অস্তিত্ব হুমকির সম্মুখিন। উন্নয়নের অগ্রযাত্রার অন্যতম শক্তি দেশের তরুন সমাজ। মাদক, সন্ত্রাসের ভয়াবহতা দূর্নীতি ও জঙ্গিবাদের ছোবল তরুন সহ সমগ্র সমাজের সর্বনাশ ডেকে আনছে।

এমতাবস্থায় দেশকে এগিয়ে নিতে হলে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিকে দমন করার কঠিন চ্যালেঞ্জ নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। তারই প্রেক্ষিতে চসিক প্রত্যেক ওয়ার্ডে সমাবেশ করে এবং এইসব সমাবেশে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং মাদক অধিদপ্তরে প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইন শৃংখলা বাহিনীর ভূমিকা অনস্বিকার্য। তারই প্রেক্ষিতে প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে এই মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা পুলিশ প্রশাসনকে প্রদান করা হয়। ফলে তালিকাভুক্ত অনেক মাদক ব্যবসায়ীকে পুলিশ আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়। এই সমাবেশের মাধ্যমে সাধারন মানুষের সাথে পুলিশ প্রশাসনের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পায়। ওয়ার্ড ভিত্তিক মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতি বিরোধী সভা করার ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকজনের সাথে মতবিনিময়,তথ্য আদান প্রদানের মাধ্যমে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে গতি সঞ্চার হয়েছে।

তিনি বলেন, এর ফলে মাদকের বেপরোয়া অবস্থা থেকে নগরে পরিবর্তন এসেছে। মাদক কারবারিদের আস্ফালন নেই।

চসিকের সেবার পরিধি বাড়ানোর অংশ হিসেবে এই সমাবেশ করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই বছরে মুজিব জন্মশত বার্ষিকীর ক্ষণগণনা শুরু হয়েছে। এই মুজিব বর্ষকে উপলক্ষ করে চসিক তার নগরকে মাদকমুক্ত নগর গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

মেয়র বৃহষ্পতিবারের মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, যৌতুক ও দুর্নীতি প্রতিরোধ সমাবেশের বিভিন্ন দিক উল্লেখ করে বলেন, স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সমাবেশ আয়োজনের উদ্যোগে নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক)। এতে ব্যানার, ফেষ্টুন, প্লে-কার্ড নিয়ে ৪১ ওয়ার্ডে সন্ত্রাস,মাদক,জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতি বিরোধী গঠিত কমিটির আহ্বায়কের নেতৃত্বে ‘সন্ত্রাস,মাদক,জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিকে না বলুন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলুন’ শ্লোগান সম্বলিত মিছিল সহকারে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনগণসহ সমাবেশে বীর মুক্তিযোদ্ধা, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী, লেখক, কবি, সাহিত্যিক, কলামিষ্ট, সাংবাদিক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নগরবাসী এই সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন।

সমাবেশের জন্য লালদিঘীর দক্ষিণ অংশে একটি বৃহৎ আকারের পেন্ডেল, মঞ্চে কার্পেট, ভিআইপি টেবিল বক্স, বক্তব্য ডাইস, কুসুম চেয়ার, কাঠের চেয়ার, ভিআইপি সোফাসহ মাঠে মহিলা ও মুরব্বিদের জন্য ৭ হাজার চেয়ার বসানো হবে। তবে সড়কে থাকবেন পুরুষরা। সমাবেশে আগতদের দেখার সুবিধার্থে মাঠের ভিতরে ৫টি বড় এলইডি স্কিন, কোতোয়ালী মোড়, জেলা পরিষদ মার্কেট, সোনালী ব্যাংক, লালদিঘীর পূর্ব পাশ ও সিনেমা প্যালেস মোড়ে এলইডি স্কিন বসানো সহ আন্দরকিল্লা ও নিউমার্কেট মোড় পর্যন্ত পর্যাপ্ত মাইক বসানো হবে বলে উপস্থিত সাংবাদিকদের অবহিত করেন। এই সমাবেশ সফল ও সুষ্ঠ প্রচারে মেয়র সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 10:25 am
চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি ও খাদ্য সংকটে

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলা। সেখানে প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকাও পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে জেলার প্রতিটি উপজেলায় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষ চালু রাখা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সব উপজেলা প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

এদিকে সাতকানিয়ায় মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। উপজেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। অসংখ্য বসতঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতকানিয়া আদালত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পৌরসভা কার্যালয় ও থানায়ও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে।

বাঁশখালীতেও ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে৷ বন্যার পানিতে পাঁচ শতাধিক মাটির ঘর ভেঙে গেছে। বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১১টার দিকে বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-বাঁশখালী প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে গেলে চট্টগ্রাম শহরের সঙ্গে বাঁশখালীর সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাজারো মানুষ। দুর্গত এলাকাগুলোতে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক মাটির বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক পরিবার নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেলেও অনেকে এখনো পানিবন্দি অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

পুইছড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা পারভেজ মোশারফ বলেন, কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও সমুদ্রের জোয়ারের ফলে পুইছড়ি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অধিকাংশ মাটির ঘরও ভেঙে পড়েছে। বসতঘর পানিতে ডুবে যাওয়া রান্নাবান্না হচ্ছে না। তাই খাবারের জন্য কষ্ট পাচ্ছে মানুষ।

এদিকে সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের বুড়ির দোকান এলাকা, বাজালিয়া অলি আহমেদ বীর বিক্রম কলেজের সামনে এবং দস্তিদারহাটের পূর্ব পাশে সড়কের ওপর দিয়ে কয়েক ফুট উঁচু হয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বন্যার কারণে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।

ডলু নদী দিয়ে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে পৌরসভার রামপুর এলাকায় কয়েকশ ফুট বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে। উপজেলার অধিকাংশ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। অনেক এলাকায় এখনো পানি বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

চন্দনাইশেও ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার দুটি পৌরসভা ও আটটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়েছেন। পাহাড়ি ঢলে শঙ্খ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করেছে।

গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চন্দনাইশের হাশিমপুর এলাকায় প্রায় দেড় ফুট উচ্চতায় পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দূরপাল্লার বাস, পণ্যবাহী যান ও ছোট যানবাহনের চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ধীরগতিতে যান চলাচলের কারণে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চন্দনাইশের বাসায় আবু নাসের আলিফ বলেন, ‘দিনেদিনে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। অনেক মানুষ না খেয়ে আছে।’

মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 July, 2026, 9:28 am
মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স

ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি হলো অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের। একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কোকে হারিয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে। তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা।

শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।

স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা (বরাবর নিয়েছিলেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন। সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।

৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স। সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।

এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে বল পান উসমান দেম্বেলে। শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 9 July, 2026, 11:28 pm
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শপথ নিলেন সারোয়ার আলমগীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সংসদ সদস্য সারোয়ার আলমগীরের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় জাতীয় সংসদের স্পিকারের কার্যালয়ে এ শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৫ এর আলোকে এই শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সংসদ সদস্য প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে রক্ষিত শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

শপথ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপরা। এছাড়া বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিকে অভিনন্দন জানান।