খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বহিরাগতদের হামলায় আহত এপিবিএন সদস্য হাসপাতালে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বহিরাগতদের হামলায় আহত এপিবিএন সদস্য হাসপাতালে

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ॥ নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে জোড় পূর্বক প্রবেশ করার সময় বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বহিরাগতদের হামলার শিকার হয়ে এপিবিএন সদস্য গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

এ ঘটনায় মামলা হওয়ায় বহিরাগত তিন মোটর সাইকেল আরোহীকে আটক করেছে সৈয়দপুর থানা পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে ২৩ ফেব্রুয়ারি রবিবার সকালে বিমানবন্দরের প্রবেশ পথে।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের চতুর্থ তলায় ৩০ নং বেডে চিকিৎসাধিন এপিবিএন সদস্য কনস্টেবল মোঃ সেলিম হোসেন জানান, বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করণের কাজ চলমান থাকায় মূল ভবনে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধ রয়েছে। শুধুমাত্র যাত্রী ও সহযোগী ১ জন ছাড়া কেউ এখন সেখানে যেতে পারেনা। কিন্তু আজ সকাল আনুমানিক ১১ টার দিকে দুইজন মোটর সাইকেল আরোহী বিমানবন্দরে প্রবেশকালে তাদের প্রবেশে নিষেধ করা হলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে উটে এবং বলতে থাকে আমরাদেরকে চেনো।

এসময় তাদের বিমানবন্দর ম্যানেজারের অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করার জন্য বলা হলে তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। এতে প্রতিবাদ করলে তারা মোটর সাইকেল থেকে নেমে আমাকে ধাক্কা দেয় এবং আমার পোশাক ছিড়ে ফেলে। এতে বাধা দিলে তারা দু’জনে মিলে পাশে থাকা গাছের সাথের লাঠি খুলে নিয়ে আমার উপর হামলা চালায় এবং বেড়ক মারপিট করে। এতে আমি হাতে পায়ে এবং মাথায় মারাত্মকভাবে জখম হই।

পরে বিমাবন্দরে দায়িত্বরত এপিবিএন সদস্যসহ আনসার ও পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে এসে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে এবং মোটর সাইকেল আরোহী তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় এপিবিএন’র ইন্সপেক্টর সালেকুজ্জামান বাদী হয়ে আটক ৩ জনের নামে সৈয়দপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

আটক ব্যক্তিরা হলো সৈয়দপুর শহরের হাতীখানা মহল্লার শরিফের ২ ছেলে মোঃ ওমর আলী (২৪), হায়দার আলী (২২) এবং আলী আহসানের ছেলে এজাজ আহমেদ (২৫)।

সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসনাত খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে এবং তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…