খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে অজ্ঞাত রোগে দুজনের মৃত্যু, অসুস্থ্য তিনজনকে নিয়ে আতঙ্কে স্বজনরা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে অজ্ঞাত রোগে দুজনের মৃত্যু, অসুস্থ্য তিনজনকে নিয়ে আতঙ্কে স্বজনরা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃঠাকুরগাঁওয়ে অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে দুদিনে একই পরিবারের দুজনের মৃত্যু হয়েছে। ওই রোগে অসুস্থ্য হয়ে ওই পরিবারের আরও তিনজন ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সনগাঁও গ্রামের এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে আতঙ্ক।

এ ঘটনার পর স্বাস্থ্য বিভাগের একটি প্রতিনিধি দল ওই গ্রাম পরিদর্শন করেছেন এবং আশপাশের লোকজনকে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ প্রদান করেছেন।

স্থানীয় স্কুল শিক্ষক পরিবারের বরাতে জানান, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সনগাঁও গ্রামের হাফিজুল ইসলামের স্ত্রী মিনা বেগম (৩৫) গত শুক্রবার রাতে হঠাৎ অসুস্থ্য হয়ে মারা যান। পরের দিনই শনিবার রাতে বড়ভাই হাজিরুলের স্ত্রী পশিনা বেগম অসুস্থ্যবোধ করলে স্বজনরা বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেলে রবিবার ভোরবেলা তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর ওই পরিবারের আরো তিনজন অসুস্থ্য হয়ে পরলে তাদেরকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক বলছেন তাদের নিবীর পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, হঠাৎ করে অসুস্থ্য হয়ে পরে মিনা বেগম চিকিৎসা নেয়ার আগেই মারা যান। পরদিন আবার হঠাৎ অসুস্থ্য পশিনা বেগম। তার চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য অবস্থায় বাড়ি ফেরার পরও তিনিও মারা যান। হঠাৎ কি হলো, কেউ কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই নিহত মিনা বেগমের মেয়ে তানজিনা আক্তার, নিহত পশিনা বেগমের শাশুরি হাজেরা খাতুন ও আলেয়া আক্তার অসুস্থ্য হয়ে পরলে তাদেরকে রবিবার দুপুরে আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্বজনরা।

ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মাহফুজার রহমান সরকার এ ঘটনার পর স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি দল ওই গ্রামে গিয়ে কারন জানতে পরিদর্শন করেছেন। কি কারনে তারা মারা গেল এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আর যারা অসুস্থ্য হয়ে ভর্তি আছে তারা বর্তমানে ভাল আছেন বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য যে, গত বছর ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। স্থানীয় লোকজন এমন অজ্ঞাত রোগে মৃত্যুর কারণ ওই ভাইরাসে হতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকেই।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…