খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তায় ভীত আ’লীগ:বক্কর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তায় ভীত আ’লীগ:বক্কর

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, মামলা হামলা বর্বরতায় ক্ষমতায় টিকে আছে আওয়ামীলীগ সরকার। বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া’র জনপ্রিয়তায় ভীত আওয়ামীলীগ।

মিথ্যা প্রহসনের মামলার জালে কারাগারে দেশনেত্রীকে বন্দি করে রেখেছে। একদলীয় শাসন কায়েম করে বাকশালের শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া বাকি মাত্র।

তিনি এসময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর উপর পুলিশী হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।

আজ মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নি:শর্ত মুক্তি ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাড. রুহুল কবির রিজভীর উপর পুলিশী হামলার প্রতিবাদে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের সম্মুখে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতি ইউসুফ বিন জলিল বলেন, দেশের প্রত্যেকটি সেক্টর ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। সামান্য যুবলীগ নেত্রীর পাঁচ তারকা হোটেলে প্রেসিডেন্ট স্যুট ভাড়া নিয়ে প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে অবৈধ ব্যবসা করেছে। আইন শুধু বিএনপি দমনে। পুলিশ আজ শুধু খুঁজে বিএনপি দলীয় নেতা কর্মী সমর্থকদের।

তিনি কারাবন্দি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৌলিক অধিকার, তার প্রকৃত চিকিৎসা ও ন্যায্য জামিনের জন্য আদালতের উপর নগ্ন হস্তক্ষেপ না করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তী বলেন, লুটপাটে ব্যস্ত আওয়ামীলীগ সরকার। ভোট রোগে আক্রান্ত শাসক গোষ্ঠী। দেশনেত্রীকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতেই মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে বন্দি করে রেখেছে।ক্ষমতার মসনদ চিরস্থায়ী করতেই সর্বদা কূটকৌশলে ব্যস্ত আওয়ামীলীগ সরকার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম তিতাস।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ বলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহংকার দেশনায়ক তারেক রহমানকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্র চলমান। শাসক গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র জাতীয়তাবাদী আদর্শের সৈনিকেরা কখনোই বাস্তবায়ন করতে দেবে না।

নির্বাচন আসলেই শাসক দলের আসল চরিত্র ফুটে উঠে দেশবাসীর কাছে। সারা বছর লুটপাটে ব্যস্ত থাকা জনগণের উপর মোটেই আস্থা নেই। জনগণ ভোট দিতে পারলেই ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হবে চিরতরে।

তিনি এ সময় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও রুহুল কবীর রিজভীর উপর হামলাকারীদেও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান জামান ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মনজুরুল আজিম সুমন।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন’র সভাপতিত্বে ও সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইনের পরিচালনায় অন্যান্যেও মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগর যুবদলের সহ-সভাপতি নূর আহমদ গুড্ডু, এস এম শাহ আলম রব, সাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ইকবাল হোসেন সংগ্রাম, ফজলুল হক সুমন, মো. ইলিয়াছ, আবদুল করিম, মোহাম্মদ মুছা, মনিরুল হাসান সিদ্দিকী, হাসান মুরাদ, এড. ফিরোজ, মুজিবুর রহমান মুজিব, আবু সুফিয়ান, অরুপ বড়ুয়া, মো. আলী সাকি, যুগ্ম সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবীর, মো. সেলিম, এরশাদ হোসেন, আবদুল হামিদ পিন্টু, সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, শাহীন পাটওয়ারী, রাজন খান, মোর্শেদ আহমেদ, ওমর ফারুক, হেলাল হোসেন, গুলজার হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, কামাল পাশা, আসাদুর রহমান টিপু, ওসমান গনি, শাহজালাল পলাশ, মুজিবুর রহমান রাসেল, জাফর আহমদ খোকন, রাসেল নিজাম, মো. ইয়াসিন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য নূর হোসেন উজ্জ্বল, জিল্লুর রহমান জুয়েল, মোহাম্মদ সাগীর, মো. আলাউদ্দিন, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, নূরুল আমিন, মো. ইকবাল, সহ-সম্পাদক আতিকুর রহমান, কমল জ্যেতি, মাহবুবুর রহমান, মো. জহিরুল ইসলাম জহির, মনজুর আলম, মিজানুর রহমান বাবুল, গিয়াস উদ্দিন টুনু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, হাফেজ কামাল উদ্দিন, আশরাফ উদ্দিন, সিরাজ সিকদার, ইব্রাহিম খান, দেলোয়ার হোসেন, সালাহ উদ্দিন, মো. ইদ্রিস, জাফর সাদেক সোহেল, মাস্টার ফজলুল হক, ইয়াসিন আজাদ, মো. ইউসুফ, আবুল কালাম আবু, আবু বক্কর সিদ্দিকী আবু, সাইদুল ইসলাম, মিজানুর রহমান দুলাল জাহাঙ্গীর আলম মানিক, ইমরান ভূঁইয়া, নগর যুবদলের সদস্য আইয়ুব আলী, শাবাব ইয়াজদানী, সোহাগ খান, আবদুস সাত্তার, রাশেদ পারভেজ, আবদুল করিম, সাখাওয়াত কবীর সুমন, থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মনজুর আলম মঞ্জু, শওকত খান রাজু, সাহেদ খান পারভেজ, ইউনুস মুন্না, আইয়ুব আলী, রাসেল আকাশ, সাইফুল ইসলাম, মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, আবু বক্কর বাবু, এস এম আলী, বাদশা আলমগীর, এস এম শাহবাজ, মো. হাসান, মো. ইউনুস, জহিরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’