খুঁজুন
, ,

মেয়র নির্বাচিত হলে চট্টগ্রামকে বিশ্বের অন্যতম পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলবো- ডা. শাহাদাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 12 March, 2020, 4:34 pm
মেয়র নির্বাচিত হলে চট্টগ্রামকে বিশ্বের অন্যতম পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলবো- ডা. শাহাদাত

ভোট চাওয়ার পাশাপাশি করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছেন চসিক নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেছেন, দেশের বর্তমান তাপমাত্রায় করোনা ভাইরাস তেমন প্রভাব ফেলবে না। তবুও আমাদের সচেতন থাকতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর ১৩ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে গণসংযোগকালে তিনি এ প্রচারণা চালান।

বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান কে সাথে নিয়ে জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটি টাওয়ারের মোড়ে থেকে গণসংযোগ শুরু করে মুরগি ফার্ম, ওয়ারলেস, পাহাড়তলী কলেজ, ঝাউতলা কোলোনি, ঝাউতলা বাজার, সর্দার নগর, আম বাগান, ভাঙ্গাপুল, বাস্তুহারা, ওয়ার্কশপ গেইট হয়ে রেলওয়ে স্কুলে এসে শেষ করেন।

এ সময় ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দুর্নীতিমুক্ত একটি সুন্দর সমাজ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে চসিক নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। চট্টগ্রামকে একটি স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ, সাম্য ও সম্প্রীতির শহরে পরিণত করতে চাই। একটি আইটি প্রযুক্তি সমৃদ্ধ স্মার্ট, আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশ বান্ধব শহর গড়ার জন্য নির্বাচনী মাঠে নেমেছি। মেয়র নির্বাচিত হলে চট্টগ্রামকে বিশ্বের অন্যতম পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলবো।

তিনি বলেন, গতবছর চট্টগ্রামে ডেঙ্গু রোগের প্রকোপ বেড়ে গেলে আমি একজন চিকিৎসক হিসেবে আমার তৈরি করা ক্লোরিন সলিউশন বানিয়ে ডেঙ্গু ভাইরাসের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা তৈরি করেছিলাম।বাংলাদেশের জন্য এটা একটা উদাহরণ ছিল। প্রতিটি জায়গায় ব্লিচিং পাউডারের সাথে পানির মিশ্রণ করে সারা চট্টগ্রাম শহরে ছিটিয়েছি। যেটা পরে সিটি কর্পোরেশন অনুসরণ করেছে। ডেঙ্গ প্রতিরোধে বিএনপি যেভাবে গণসচেতনতা তৈরি করেছে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধেও মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করছে। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডেঙ্গু মশা এবং মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

নির্বাচনী প্রচারনায় বক্তব্য রাখছেন বিএনপির সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান

তিনি বলেন,চসিক নির্বাচনে আমরা জয়ের জন্য মাঠে নেমেছি।জয়ের মাধ্যমে দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবো। তাই প্রতিটি কেন্দ্রে আপনাদেরকে ভ্যানগার্র্ডের ভূমিকা পালন করতে হবে।চট্টগ্রামের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে আমাদেরকে বিজয়ের মালা পরিয়ে দেওয়ার জন্য। আমি ২০% লোকের মেয়র হতে চাই না, ৮০% মানুষের মেয়র হতে চাই। আমি নগর পিতা নই,নগর বাসীর সেবক হতে চাই। জনগনকে ভোটকেন্দ্রে আসতে উৎসাহিত করুন। জনগণের পবিত্র আমানত রক্ষার জন্য ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার নিশ্চিত করুন। ইনশাল্লাহ জয় আমাদের সুনিশ্চিত।

এ সময় বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন,চট্টগ্রামে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয়ের জন্য মাঠে নেমেছে বিএনপি। বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা সবাই ঐক্যবদ্ধ।

সরকারের সকল অপকর্মের জবাব দিতে সবাই এখন সোচ্চার। বিএনপি’র মেয়র প্রার্থী ডাক্তার শাহাদাত হোসেন একজন সৎ ও যোগ্য ব্যক্তি।একজন পেশাজীবী হিসেবে তিনি সকলের কাছে পরিচিত।তাই ভয়কে জয় করে প্রতিটি ভোট কেন্দ্র পাহারা দিয়ে তাকে বিজয়ী করতে হবে।তিনি ডা. শাহাদাত হোসেনকে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয় যুক্ত করার আহবান জানান।

তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকা কালে ১৭ টি পয়েন্টের উপর ভিক্তি করে লালদিঘীর মাঠে বেগম খালেদা জিয়া চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।এখন নিবার্চনে এসে আওয়ামীলীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধূরী আমাদেরকে বাণিজ্যিক রাজধানী করার স্বপ্ন দেখাচ্ছে।এটা একধরনের বিভ্রান্তিকর।এসব বক্তব্য চট্টগ্রাম বাসীর সাথে প্রতারণার সামিল।

এসময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান, চাকসু ভিপি নাজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এস কে হুদা তোতন, শফিকুর রহমান স্বপন, যুগ্ম সম্পাদক ১৩নং পাহাড়তলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম, ফাতেমা বাদশা, আব্দুল হালিম স্বপন, জেলী চৌধুরী, এম আর মঞ্জু,মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী ছকিনা বেগম, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহিদ মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক এস এম আজাদ, নগর যুবদল নেতা আব্দুল হামিদ পিন্টু, আমান উল্লাহ আমান, তানভীর মল্লিক, হাসান আল মামুন, জিয়াউর রহমান জিয়া, হেলাল হোসেন, বাদশা আলমগীর, মনিরুল ইসলাম মনির, মোঃ শাহাবুদ্দিন, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, মোহাম্মদ কামাল, মোহাম্মদ সরোয়ার, মোহাম্মদ মিল্টন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:56 pm
চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি::চট্টগ্রামের মুনছুরাবাদে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের কার্যালয়ের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, চট্টগ্রামের ইয়াবা সম্রাট নামে খ্যাত জয় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে ইয়াবাসহ নানা নেশাজাত দ্রব্য বিক্রি করে । প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক জাত দ্রব্য বিক্রি হয় কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী রেশন স্টোর ও পুলিশের ব্র্যাক থেকেও ইয়াবা সাপ্লাই করে জয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জয় এর এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে কিছু অসাধু গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জড়িত । ফলে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জয়।

‎অনুসন্ধানে জানাযায়, গনি আহামদের ছেলে জাবেদ ওরফে জয়, কাজীর দেউড়ি ২ নং গলির বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাকলিয়া থানার বলির হাট এলাকায় বসবাস করে।

সুত্র জানায়, ডিবি পুলিশের কনেস্টেবল আজাদ, রবিউল,  হানিফ, সঞ্জয়, আব্দুর রহিম, ইয়াবা সম্রাট জাবেদ ওরফে জয় এর সহযোগী বলে জানা গেছে।

‎এছাড়া কর্ণফুলী ক্লাব থেকে রূপসা বেকারী পর্যন্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ জয়কে ডিবি অফিসার হিসাবে চিনে ও জানে, অনেকেই আবার জয়কে জয় স্যার বলে সম্বোধন করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, আইনের লোকেরা যখন বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়ে তখন কিছুই বলার থাকে না। পুলিশের ব্র্যাকে মাদক দ্রব্য রেখে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে চট্টগ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মিস্ত্রী পাড়ার বিপ্লব ও বউ বাজারে ডাইল নুরুকে নিয়ে জয় যে মাদকের হাট বসায় তা মেনে নেওয়ার নয়। গোয়েন্দা পুলিশের যে সদস্যরা জয়ের সাথে জড়িত তারা সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক তাদের টাকার দাপটে আমরা অসহায়। খোদ উর্ধ্বতনরাও টাকার কাছে জিম্মি বলে মনে হয়।

‎নেশাগ্রস্থ অবস্থায় জয় যখন পুলিশ ব্র্যাকে শুয়ে থাকে তখনও কিছুই বলার থাকেনা। সন্ধ্যা হলে নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা আসে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে ।

‎সিএমপিতে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রামের বাকলিয়ার মাদক সম্ম্রাট ইছহাক, সোবহান, ও পাহারতলীর মাদক সম্ম্রাট টেক্সি জসিম আলমগীর ও কদম তলীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ি আলো সহ আরো অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নিকট মাদক ও ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় করে আসছে।

ক্লাবের ভিতরে মাঠে চেয়ার নিয়ে বসে থাকে, জয় , ডাইল নুরু ও ইয়াবা সম্রাট বিপ্লব। পার্টি আসলে ব্র্যাক থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অসাধু পুলিশ সদস্যরা।

‎এই বিষয়ে জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। একবার বলেন আমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী, আবার বলেন আমি এইসব ছেড়ে দিয়েছি। আবার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলেন, আমি জানি কে এইসব আমার ব্যাপারে বলেছে। আপনার খবর নিয়ে দেখবো আপনি কে ?

‎মাদকের ব্যাপারে সারাদেশের প্রসাশন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করলেও সিএমপি গোয়েন্দা কার্যালয়ের সামনে এমন কান্ডকে ভাবিয়ে তোলে সচেতন মহলকে।

‎এই বিষয়ে ডিসি (ডিবি উত্তর) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:29 pm
সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচ থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। একই আদেশে কয়েকজন ওসিকে বদলি এবং বিভিন্ন ইউনিট থেকে নতুন কর্মকর্তাদের থানায় পদায়ন করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক নুর আহমদকে কর্ণফুলী থানার ওসি, সিটিএসবির মোহাম্মদ আবদুর রহিমকে খুলশী থানার ওসি এবং কর্ণফুলী থানার বর্তমান ওসি মো. ইখতিয়ারউদ্দিনকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিবি বন্দর জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডলকে হালিশহর থানার ওসি এবং খুলশী থানার বর্তমান ওসি মোজাম্মেল হককে পাঁচলাইশ মডেল থানার ওসি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাঁচলাইশ মডেল থানার বর্তমান ওসি মো. জাহেদুল ইসলামকে বদলি করে সিটিএসবিতে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটিএসবির মোহাম্মদ একরাম উল্লাহকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সিএমপির জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:20 pm
পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রোববার রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবক। সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।