খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চমেকে ১০০ শয্যার করোনা ইউনিট হচ্ছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২০, ১১:১৭ অপরাহ্ণ
চমেকে ১০০ শয্যার করোনা ইউনিট হচ্ছে

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত রোগীদের সেবা দেওয়ার অনুমতি পেয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল।

শনিবার (১৬ মে) চমেক হাসপাতালের পরিচালককে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো চিঠিতে অনুমতির বিষয়টি জানানো হয়েছে।

এর আগে থেকেই চমেক হাসপাতালের ১০০ শয্যা করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএম হুমায়ুন কবির বলেন, এতদিন আমাদের ফ্লু কর্ণারে ৩০ শয্যায় করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছিল। আজ (১৬ মে) ১০০ শয্যার ইউনিট করার অনুমতি সংক্রান্ত নির্দেশনা আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে পেয়েছি। আমরা চিকিৎসকসহ আনুষঙ্গিক প্রস্তুতির জন্য এক সপ্তাহ সময় চেয়েছি। আশা করছি আগামী সপ্তাহের শুরু থেকে আমরা চমেক হাসপাতালে কোভিড-১৯ চিকিৎসায় একটি ডেডিকেটেড ইউনিট চট্টগ্রামবাসীর সেবায় চালু করতে পারবো।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও করোনা মোকাবিলায় চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডা. আ ম ম মিনহাজুর রহমান বলেন, গত বৃহস্পতিবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়া চমেক হাসপাতালের আবেদনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর করেন। প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে মূখ্য সচিবকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, প্রস্তাবনার পরপরই চমেকে ১০০ শয্যার ইউনিট চালুর নির্দেশনা এলো। চমেক হাসপতালে ১০০ শয্যা চালু হলে চট্টগ্রামে করোনা চিকিৎসায় মোট শয্যা সংখ্যা দাঁড়াবে ২৯০টি।

শুরু থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনপ্রাপ্ত চট্টগ্রামের দুটি হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে আছে ১০০ শয্যা এবং ফৌজদারহাটে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ- বিআইটিআইডিতে আছে ৫০ শয্যা।

এছাড়া চমেক হাসপাতালে ৩০ শয্যার একটি করোনা পর্যবেক্ষণ ইউনিট আছে। এখানে কেবল সন্দেহজনক রোগীদের রাখা হয়। কোভিডি-১৯ পজিটিভ হলে তাদের জেনারেল হাসপাতাল বা বিআইটিআইডিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে অনুমতি পাওয়ায় চমেক হাসপাতাল থেকে এখন কোভিড-১৯ রোগীদের অন্য কোনো হাসপাতালে পাঠাতে হবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

২৪ ঘণ্টা/এম আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…