খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পীরগঞ্জে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে দোকানপাট চালু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২০, ৮:১১ অপরাহ্ণ
পীরগঞ্জে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে দোকানপাট চালু

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃসামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত না হওয়ায় দোকান বন্ধ রাখতে জেলা প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে সোমবার (১৮ মে) ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ পৌরসভার ঢাকাইয়া পট্টির সকল প্রকার কাপড়, জুতা ও কসমেটিকের দোকান চালু রাখেছে ব্যবসায়ীরা।

কোন প্রকার স্বাস্থ্য না মেনেই সকাল থেকে এসব দোকানে কেনা কাটা করতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে সাধারণ মানুষ। গনমাধ্যম কর্মীরা বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানালে দুপুরে পুলিশ এসে দোকানপাট বন্ধ করে দেয়।

তবে পুলিশ চলে যাওয়ার পর ব্যবসায়ীরা দোকানের একটা সাটার অর্ধেক খুলে ক্রেতা ভিতরে ঢুকিয়ে চুটিয়ে ব্যবসা করতে থাকেন। এতেও মানা হচ্ছে না কোন স্বাস্থ্য বিধি। একে অপরের গা ঘেষে বসে এবং দাঁড়িয়ে পছন্দের কাপড়, জুতা ও কসমেটিক কিনছেন ক্রেতারা। অবশ্য ব্যবসায়ীরা বলছেন বাধ্য হয়েই দোকান খুলছেন তারা।

কাপড় ব্যবসায়ী রিয়াজুল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দোকানপাঠ বন্ধ ছিল। এখন খোলা হলেও আবার বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। বছরে ঈদের সময়েই বেচা কেনা বেশি। এ সময় দোকান বন্ধ রাখলে পথে বসতে হবে তাদের। তাই ঝুঁকি নিয়ে দোকান খুলছেন অনেকে। তারা সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু মানুষ মানছে না।

এদিকে মুদি, হার্ডওয়ার, কোকারিজ ও ফলের দোকানগুলোতেও মানা হচ্ছেনা সামাজিক দুরত্ব। এতেও বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুকি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজাউল করিম বলেন, কাপড়, জুতা ও কসমেটিকের দোকান যেন খোলা না হয়, সে বিষয়ে সজাগ আছে উপজেলা প্রশাসন। নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করার বিষটিও প্রতিও জোড় দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, দোকানপাটে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত না হওয়ায় সোমবার সকাল ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জেলার সকল প্রকার কাপড়ের দোকান, তৈরী পোশাক দোকান সহ জুতা ও কসমেটিকের দোকান বন্ধ রাখতে রবিবার সন্ধ্যায় নির্দেশনা জারি করে জেলা প্রশাসন।

২৪ ঘণ্টা/এম আর/গৌতম

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…